নীলফামারির কিশোরগঞ্জে নিজ মা’কে হত্যা করে পুঁতে রাখা চাঞ্চল্যকর মামলায় ছেলে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

 

মহিনুল ইসলাম সুজন,নীলফামারী প্রতিনিধি।

নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জে মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগে বড় ছেলে মাজহারুল আনোয়ার জুয়েলকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন)বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, তাকে ঢাকার আশুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত রুবেল কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ময়দান পাড়া এলাকার মৃত আশরাফ উদ্দিনের বড় ছেলে।নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুয়েলের মা মারুফা বেগমের ছোট ছেলে লাভীন ইসলাম ঢাকায় চাকরি করেন। তিনি বড় ছেলে জুয়েল মিয়াসহ বাড়িতে থাকতেন।লাভীন ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে গত ৩১ মে স্ত্রী সহ শ্বশুর বাড়িতে যান।

গত ৩ জুন বাড়িতে এসে তার মাকে খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও সন্ধান না পেয়ে পরে লাভীন ইসলামের স্ত্রী বড় ভাইয়ের ঘরের বিছানায় রক্ত ও ঘরের মেঝেতে ফাটল দেখতে পেয়ে তাকে জানান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিছানার তোশকের নিচে রক্ত ও ঘরের মেঝেতে ফাটল দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ঘরের মেঝে খুঁড়ে মারুফা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ছেলের অভিযোগ তার বড়ভাই জুয়েল তার মাকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে রেখেছেন। পরে এঘটনায় ৪ ‍জুন লাভীন ইসলাম বাদী হয়ে বড় ভাইকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ে করেন। ঘটনার পর থেকে জুয়েল পলাতক ছিল। অবশেষে ২২ দিন পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

এবিষয়ে কিশোরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাকে হত্যা করে পুঁতে রাখার অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেখানে তার জবানবন্দি নেওয়া হবে।

 

 

 

 

 

 

One thought on “নীলফামারির কিশোরগঞ্জে নিজ মা’কে হত্যা করে পুঁতে রাখা চাঞ্চল্যকর মামলায় ছেলে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

  1. [918]37777 লগইন এবং অ্যাপ ডাউনলোড | অনলাইন স্লট গেম খেলুন,37777 লগইন করে রিয়েল মানি ক্যাসিনো অ্যাপের অভিজ্ঞতা নিন। বিকাশ দিয়ে ক্যাসিনো ডিপোজিট এবং অনলাইন স্লট গেম খেলার নিয়ম জানতে আজই জয়েন করুন। visit: 37777

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *