নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা:
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে ও বিদেশে মোট ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির এক বিশাল লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে সরকার। বেকারত্ব দূরীকরণ এবং দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিতের ওপর দাঁড় করাতে এই মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান) গ্রহণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি এক সভায় সরকারের এই সাহসী ও যুগান্তকারী পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি)-এর সংগ্রামী সভাপতি নুরুল হক নুর।
মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্যসমূহ:
সরকারের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে:
তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধি: দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে আধুনিক ও কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটানো হবে।
দেশি-বিদেশি শ্রমবাজারের সমন্বয়: দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্পের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
নতুন দিগন্তের উন্মোচন: তথ্যপ্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং এবং বিদেশে দক্ষ কর্মী পাঠানোর হার বাড়িয়ে বেকারত্বের হার শূন্যে নামিয়ে আনা।
আগামীর প্রত্যাশা
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর তার বক্তব্যে জানান, এই উদ্যোগ সফল হলে বাংলাদেশ কেবল অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে না, বরং বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের কর্মীরা মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখবে। তরুণদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাই এই মাস্টারপ্ল্যানের মূল লক্ষ্য।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং ‘বেকারমুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে দেশ এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
