বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম এখনো কম বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিজভী।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতেও সরকার জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে। তার দাবি, মূল্য সমন্বয়ের পরও সরকারকে লোকসান বহন করতে হচ্ছে।
রিজভী বলেন, প্রতি লিটার ডিজেল কিনতে সরকারের প্রায় ২৫০ টাকা ব্যয় হচ্ছে। দাম সমন্বয়ের পরও প্রতি লিটারে প্রায় ৭০ টাকা লোকসান থাকবে বলে দাবি করেন তিনি। জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।
জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে দেশে কৃত্রিম অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। তার দাবি, পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা থাকতে পারে এবং এর সঙ্গে সাবেক ক্ষমতাসীনদের যোগসাজশের আশঙ্কা রয়েছে। এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি সংবাদ সম্মেলনে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন কি না, তা প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। রিজভীর ভাষ্য, জ্বালানি তেল কীভাবে কম দামে সরবরাহ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনার পরিবর্তে লংমার্চে সরকার ও বিএনপিকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে, যা তিনি কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন।
প্রশাসনের ভেতরে থাকা একটি অংশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। তার অভিযোগ, প্রশাসনের অভ্যন্তরে থাকা সাবেক ক্ষমতাসীনদের সহযোগীরা নাশকতা বা স্যাবোটেজের চেষ্টা করতে পারে।
