কায়সার হামিদ মানিক,কক্সবাজার প্রতিনিধি।
পাচারকারীরা বাংলাদেশী পন্য সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে পাচার করে বাংলাদেশে ফেরত আসার সময় উখিয়া ৬৪ বিজিবি’র হাতে নগদ ১২ লক্ষ আটচল্লিশ হাজার তিনশত) টাকা, ১টি মোবাইল ফোনসহ ২ জন বাংলাদেশী নাগরিক গ্রেপ্তার হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২ টার দিকে পালংখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বিআরএম-১৯ হতে ২ কিঃ মিঃ পূর্ব দিকে এবং বিওপি হতে ১ কিঃ মিঃ উত্তর দিকে ও শূন্য লাইন হতে ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পূর্ব ফারির বিলের গুইল্লাখালী নামক স্থান দিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা,উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের পূর্ব ফারির বিল গ্রামের বাসিন্দা আজিম উদ্দিন এর ছেলে মোহাম্মদ আফসার উদ্দিন (২৮)ও আমির হোসেন এর ছেলে লোকমান হাকিম (২৯)।
রবিবার উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়ন বিজিবি’র অধিনায়ক এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রবিবার দুপুর ১২ টার সময় অত্র ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ পালংখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বিআরএম-১৯ হতে ০২ কিঃ মিঃ পূর্ব দিকে এবং বিওপি হতে ১ কিঃ মিঃ উত্তর দিকে এবং শূন্য লাইন হতে ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পূর্ব ফারির বিলের গুইল্লাখালী নামক স্থান দিয়ে ২ জন ব্যক্তিকে মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে ভিতরে আসতে দেখতে পায়। বিজিবি টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে মোহাম্মদ আফসার উদ্দিন ও লোকমান হাকিমকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে তাদেরকে তল্লাশী করে বাংলাদেশী ১২ লক্ষ আটচল্লিশ হাজার তিনশত) টাকা ও ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায় যে, বাংলাদেশ হতে মিয়ানমারে সার ও তৈল পাচার করে বাংলাদেশী টাকা নিয়ে আসছিল। উল্লেখ্য যে, তাদেরকে আরো বিশদভাবে তল্লাশী কার্যক্রম চালানো হলেও আর কোন অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।
উখিয়া বিজিবি’র অধিনায়ক আরও জানান, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
