ঠাকুরগাঁওয়ে রহস্যজনকভাবে একই স্কুলের ৪ ছাত্রী নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় চার পরিবার হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় একই স্কুলের চার ছাত্রী একসঙ্গে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ মেলেনি। দিনভর সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজ ছাত্রীরা হলো উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে শ্রীমতি খুশি (১৭), বাংঠু দেবনাথের মেয়ে মলিকা (১৭), রমেশ চন্দ্র দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (১৬) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজতি রানী দেবনাথ (১৪)। তাদের মধ্যে খুশি, মলিকা ও ঋতু সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এবং সুজতি একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। খুশির বাবা মানিক চন্দ্র জানান, মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে চারজন একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে স্কুল ও প্রাইভেট শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ওই চার ছাত্রী সেদিন সেখানে উপস্থিতই হয়নি। এরপর আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারের পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গী থানায় পৃথক চারটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।নিখোঁজ চার ছাত্রীর স্বজনরা দ্রুত তাদের সন্ধান এবং নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, “নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” একই দিনে একই স্কুলের চার ছাত্রীর একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ছাত্রীদের দ্রুত উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় একই স্কুলের চার ছাত্রী একসঙ্গে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ মেলেনি। দিনভর সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে গভীর রাতে পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজ ছাত্রীরা হলো উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে শ্রীমতি খুশি (১৭), বাংঠু দেবনাথের মেয়ে মলিকা (১৭), রমেশ চন্দ্র দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (১৬) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজতি রানী দেবনাথ (১৪)। তাদের মধ্যে খুশি, মলিকা ও ঋতু সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এবং সুজতি একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। খুশির বাবা মানিক চন্দ্র জানান, মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে চারজন একসঙ্গে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে স্কুল ও প্রাইভেট শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ওই চার ছাত্রী সেদিন সেখানে উপস্থিতই হয়নি। এরপর আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারের পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গী থানায় পৃথক চারটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।নিখোঁজ চার ছাত্রীর স্বজনরা দ্রুত তাদের সন্ধান এবং নিরাপদে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, “নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ ইতোমধ্যে অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
একই দিনে একই স্কুলের চার ছাত্রীর একসঙ্গে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ছাত্রীদের দ্রুত উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *