ক্যাম্পেওনস কাপের ফাইনালে ক্রুজ আজুলকে হারিয়ে জয়ের পথে ফেরার আভাস দিয়েছিল ইন্টার মায়ামি। ওই ম্যাচে গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি। এবার এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমেও আর্জেন্টাইন তারকার পা থেকে এসেছে গোল। তবে মেসির নৈপুণ্যও দলকে জয় এনে দিতে পারেনি। স্যান ডিয়েগোর বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করে টানা চতুর্থ ম্যাচে জয়হীন থাকল মায়ামি।
ঘরের মাঠে ম্যাচের ১২ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে মায়ামি। ডেইন সেন্ট ক্লেয়ারের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে স্যান ডিয়েগোকে এগিয়ে দেন ডেনিশ ফরোয়ার্ড অ্যান্ডার্স ড্রেয়ার।
২৪ মিনিটে মেসির অসাধারণ ফ্রি-কিকে ম্যাচে সমতা ফেরায় স্বাগতিকরা। বক্সের ডান দিক থেকে বাঁ পায়ের শটে মেসির নেওয়া বল কোনো খেলোয়াড়ের গায়ে না লেগে গোললাইনের সামনে পড়ে দূরের পোস্টে আঘাত করে জালে জড়ায়।
এই গোলের মাধ্যমে চলতি এমএলএস মৌসুমে মেসির গোলসংখ্যা ২০-এ পৌঁছেছে। মায়ামির হয়ে এটি তার ১০১তম গোল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে আর্জেন্টাইন তারকার ক্যারিয়ার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩০-এ। ফ্রি-কিক থেকে এটি তার ৭৫তম গোল।
সমতা ফেরানোর পর আক্রমণের গতি বাড়ায় মায়ামি। একের পর এক আক্রমণে স্যান ডিয়েগোর রক্ষণে চাপ তৈরি করে তারা। এর ফল আসে ৭৪ মিনিটে। রদ্রিগো দে পলের বাড়ানো বল থেকে গোল করে মায়ামিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন উরুগুইয়ান তারকা লুইস সুয়ারেজ।
জয়ের আশায় ম্যাচের শেষ দিকে এগোচ্ছিল মায়ামি। তবে শেষ মুহূর্তে আবারও স্বাগতিকদের হতাশ করেন ড্রেয়ার। ভার্সকোভের নিখুঁত পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে স্যান ডিয়েগোকে সমতায় ফেরান ডেনিশ ফরোয়ার্ড।
এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। ফলে শেষ নয় ম্যাচে মায়ামির জয় মাত্র একটি। টানা চার ম্যাচ জয়হীন থাকায় এমএলএসের পয়েন্ট তালিকায় তিন নম্বরে নেমে গেছে দলটি।
২৬ ম্যাচ শেষে মায়ামির সংগ্রহ ৪৬ পয়েন্ট। সমান পয়েন্ট নিয়ে তাদের ওপরে রয়েছে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশন। আর শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের চেয়ে ১১ পয়েন্ট পিছিয়ে মায়ামি।

Fast login and no lag even during peak hours. If you want a hassle free experience, check out 777phplogin.
Found this gem while browsing and I am so glad I did. The interface is clean and I never had to wait long for anything. My friends and I have been playing together and it works perfectly for groups too. bdea333