নতুন বছরে খাদ্যাভ্যাসে যেসব পরিবর্তন আনবেন

এবি২৪ ডেস্কঃ নতুন বছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা অনেকেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো পুনরায় মেনে চলতে চাই। পুষ্টিবিদদের মতে, ছোট ছোট দৈনন্দিন অভ্যাস আমাদের শক্তির স্তর, অন্ত্রের স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং এমনকী মানসিক সুস্থতার ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ২০২৬ সালে সুখী এবং সুস্থ থাকার জন্য আপনাকে কিছু অভ্যাস মেনে চলতে হবে-

১. হাইড্রেশন ও হজম শক্তি বৃদ্ধিকারী খাবার দিয়ে দিন শুরু করুন

প্রতিদিন সকালে মৌরি বীজ এবং কিশমিশ বা লেবুর পানি দিয়ে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করে শুরু করুন। এই সহজ অভ্যাসটি হজম প্রক্রিয়া শুরু করে, হাইড্রেট করে এবং বিপাককে আলতো করে জাগ্রত করে। প্রতিদিন এই অভ্যাস বজায় রাখলে সুস্থ থাকা সহজ হবে।

২. হোল গ্রেইন ফুড খাবার এবং প্রাকৃতিক প্রতিকার

হোল গ্রেইন ফুড, হালকা রান্না করা শাকসবজি, বাটারমিল্কের মতো গাঁজানো খাবার এবং প্রাকৃতিক ভেষজ (জিরা, হলুদ, ধনিয়া) বেছে নিয়ে অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিন। ভালো হজম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শক্তির ভিত্তি।

৩. চিনি এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে দিন

পরিশোধিত চিনি এবং কৃত্রিম খাবার কমিয়ে দিন। পরিবর্তে তাজা ফল, চিয়া বীজ বা স্বাস্থ্যকর নাস্তার মতো প্রাকৃতিক বিকল্প বেছে নিন। এ ধরনের খাবার রক্তে শর্করাকে স্থিতিশীল করে এবং শক্তি হ্রাস রোধ করে। চিনি খাওয়া বাদ দিলে তার উপকারিতা আপনি দ্রুতই উপলব্ধি করতে পারবেন।

৪. মনোযোগ সহকারে খান

মনযোগ সহকারে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বসে ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান এবং কোনো বিক্ষেপ ছাড়াই খাবার উপভোগ করুন। হলুদের দুধ, জিরা/এলাচ/মৌরি দিয়ে তৈরি হজমকারী চা এবং মৌসুমী যেকোনো খাবারকে অগ্রাধিকার দিন। এ ধরনের খাবার সারা বছর ধরে শরীরের সিস্টেমকে সুস্থ করে, পুষ্টি দেয় এবং ভারসাম্য বজায় রাখে।

৫. ঘরে রান্না করা খাবার বেশি খান

ঘরের খাবার তেল, লবণ এবং উপাদান পরিমিত আকারে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ঘরে রান্না করা সব খাবারই বাইরের খাবারের থেকে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। সপ্তাহে কমপক্ষে ৮০ শতাংশ ঘরে রান্না করা খাবার খাওয়ার লক্ষ্য রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *