1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১২:১৩ অপরাহ্ন

ডিমলায় পুত্রবধুকে মিথ্যে অপবাদে আত্নহত্যায় বাধ্য করায় শশুর গ্রেফতার

  • Update Time : সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৫৩ Time View

08নীলফামারী প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় সোমবার ভোর রাতে ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের হত্যা প্ররোচনা মামলার আসামী ছাদের হোসেন (৫৫) কে গ্রেফতার করেছেন মামলার  তদন্তকারী কর্মকর্তা-এসআই ইমাদ উদ্দিন ফিরোজসহ ডিমলা থানা পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তি ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের উত্তর ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের মৃতজয়ফুল্লা মামুদের পুত্র।

জানা যায়, ডিমলা উপজেলা পরিষদের কম্পিউটার প্রশিক্ষক ও জামিয়ার রহমানের কন্যা জয়নব বানুকে হত্যা প্ররোচনার কারনে গত ১৭ সেপ্টেম্বর পিত্রালয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনার আগের দিন বিকালে জয়নবের স্বামী মোস্তাফিজার রহমান মানিক, শ্বশুর ছাদের হোসেনসহ পরিবারের লোকজনের সামনে তাকে নষ্টা ও চরিত্রহীন মেয়ে বলার কারনে সে ঘটনার দিন রাতে আত্মহত্যা করেন।

২০১৫ইং সালের ২ জানুয়ারী ডিমলা সদর ইউনিয়নের বাবুরহাট গ্রামের জামিয়ার রহমানের একমাত্র কন্যা জয়নব বানু সাথে ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ঝুনাগাছ চাপানি গ্রামের ছাদের হোসেনের পুত্র মোস্তাফিজার রহমান মানিকের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়ের পরিবারের নিকট ১০ লক্ষ টাকা দাবী করে ছেলের পরিবার।

কিন্তু বিয়ের পর মেয়েটির পরিবার মানিকের পরিবারকে ৬ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। অবশিষ্ট ৪ লক্ষ টাকার জন্য জয়নবের উপর বিভিন্নভাবে পারিবারিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর যৌতুকের বাকি ৪ লক্ষ টাকার জন্য জয়নবের পিত্রালয়ে মানিক, তার পিতাসহ ৬/৭ বার বৈঠকে বসেন। কিন্তু মেয়ের পিতা জামিয়ার রহমান টাকা দিতে না পারায় জামাতা মানিকসহ পরিবারের লোকজনের সামনে সকলে উপস্থিতিতে জয়নবকে নষ্টা ও চরিত্রাহীনা,পতিতা, পাশ্ববর্তী এক ছেলের সাথে দৈহিক সম্পর্ক আছে মর্মে মিথ্যে অপবাদ দেন। পরিবারের লোকজনের সামনে অপমান সহ্য করতে না পেরে রাতে মেয়েটি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

মেয়েটির পিতা জামিয়ার রহমান বাদী হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আদালত নীলফামারী পি নং-৩০১/২০১৬ (০৯/১০/১৬) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৭ (১ক) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

আদালত মামলাটি তদন্ত করে ডিমলা থানার ওসিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন। ঘটনার ২ দিন পর ডিমলা থানায় মামলা নং-১৩ দায়ের করা হয়েছে। হত্যা প্ররোচনা মামলার আসামীরা হলেন মেয়েটির স্বামী মোস্তাফিজার রহমান মানিক, শ্বশুড় ছাদের হোসেন, শ্বাশুড়ী মোকছুদা বেগমসহ ৭ জন। মোস্তাফিজার রহমান মানিক পাটগ্রাম পপি অফিসে চাকুরী করলেও মামলার পর চাকুরী থেকে অন্যত্র আত্মগোপন করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফিরোজ জানায়, মামলার সকল আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত সাদের হোসেনকে আজ সোমবার আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft