1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

আবার বড় ধরনের জঙ্গি হামলার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ?

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৭
  • ১৭ Time View

এশিয়ানবার্তা : বাংলাদেশ আগামী ১২ মাস বড় ধরনের জঙ্গি হামলার ঝুঁকির মধ্যে আছে বলে জানিয়েছে জেন’স৩৬০ ডিফেন্স এ্যান্ড সিকিউরটি জার্নাল৷ তবে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলামের কথায়, “জঙ্গিদের এখন আর সেই শক্তি নেই৷’”

জেনস৩৬০তাদের এক অনলাইন প্রতিবেদনে বলেছে যে, ২০১৬ সনের পর দুর্বল হয়ে পড়লেও জঙ্গিরা আবারো ব্যাপক হামলা এবং আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে বাংলাদেশে৷ ভবিষ্যতে তারা ছোট ছোট হামলার ঝুঁকিতে না গিয়ে পরিবর্তে বড় আকারের হামলা চালাতে পারে৷ আর তাদের এই হামলায় সিকিউরিটি ফোর্স এবং বিদেশিরা টার্গেট হতে পারে৷ শুধু তাই নয়, তারা আত্মঘাতী হামলার পাশাপাশি ইমপ্রোভাইস্ড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ব্যবহার করতে পারে৷ আগামী একবছর বাংলাদেশ তাই জঙ্গি হামলার ঝুঁকির মধ্যে আছে৷

হোলি আর্টিজান হামলার পর বাংলাদেশে জঙ্গি বিরোধী অভিযান নতুন মাত্রা পায়৷ নব্য জেএমবি-র তামিম চৌধুরী, সরোয়ার জাহান মানিক, মারজানসহ ৬৮ শীর্ষ জঙ্গি নিহতও হয়৷ কম-বেশি ২২টি বড় আকারের জঙ্গিবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে দেশে৷ এ সব অভিযানে জঙ্গি নেতা মাওলানা আবুল কাসেম, জাহাঙ্গির আলম গান্ধি এবং সোহেল মাহফুজ ধরা পড়ে৷

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম মিডিয়া’কে বলেন, “নব্য জেএমবি’র মজলিসে শুরার অধিকাংশ সদস্য হয় ধরা পড়েছে, নয় নিহত হয়েছে৷ তাদের চেইন অফ কমান্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে৷ আমরা মনে করি না যে, তারা সংগঠিত হয়ে নতুন করে বড় ধরনের কোনো হামলা চালাতে পারবে৷’”

তিনি বলেন, “আমরা থ্রেট এ্যাসেসমেন্ট করে দেখছি এবং তাতে আমাদের সামনে বড় ধরনের কোনো থ্রেট এখনো নেই৷ সে কারণে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা এবং কোনো বড় রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় আলাদা করে বাড়তি নিরাপত্তার প্রশ্ন দেখা যায়নি৷”

সাইফুল্লাহ ওজাকির মাধ্যমে দেশের বাইরে বাংলাদেশি জঙ্গিরা সংগঠিত হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “২০১৫ সনের পর তার আর কোনো খোঁজ আমাদের কাছে নাই৷ এর আগে তার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কিছু লোক ইরাক ও সিরিয়া গেছে৷”

সাইফুল্লাহ ওজাকির ব্যাপারে জঙ্গি বিষয়ক সাংবাদিক নুরুজ্জামান লাবু বলেন, “সাইফুল্লাহ ওজাকি একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম৷ তার আসল নাম সুজিত দেবনাথ৷ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তার বাড়ি৷ ২০১৪-১৫ সন সেজাপানে বসে বাংলাদেশ থেকে যারা আইএস-এ যোগ দিতে ইরাক এবং সিরিয়া গেছে, তাদের ওই দুই দেশে যেতে সহায়তা করেছিল৷”

ওজাকি এখন কোথায় আছে তা এই দু’জনের কেউ জানাতে না পারলেও নুরুজ্জামান লাবু বলেন, “এই সময়ে আটক হওয়া জঙ্গিদের সাথে আইএস-এর ভার্চুয়াল যোগাযোগ এখনো স্পষ্ট৷ তারা বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে সিক্রেট আইডি-র মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে৷ তারা নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টায় আছে৷”

হোলি আর্টিজান হামলার পর ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত জঙ্গিদের কোনা তৎপরতা চোখে পড়েনি৷ তারা গ্রেপ্তারও হয়নি৷ নুরুজ্জামান লাবু বলেন, “এরপর যারা ধরা পড়েছে, তারা স্বীকার করেছে যে ওই সময়ে তারা নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল৷ নতুন করে তাদের রসদ সংগ্রহ করছিল৷”

তিনি আরো বলেন, “গোয়েন্দারা সরাসরি স্বীকার না করলেও নানা সূত্রের সাথে কথা বলে আমি জানতে পেরেছি যে আগামি নির্বাচনের আগে জঙ্গিরা আবারো একটা সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করতে পারে৷ তারা হামলা চালাতে পারে৷ আর সে কারণে আগামী এক বছর জঙ্গি হামলার ঝুঁকি থাকছে বাংলাদেশে৷”

হোলি আর্টিজান হামলার পর জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় জঙ্গিদের আত্মঘাতী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে৷ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে আত্মঘাতী হামলার চেষ্টাও হয়েছে৷ তাই নতুন হামলা হলে তার মধ্যে যে এই প্রবণতা থাকবে না, তা বলা যায় না৷

জঙ্গি নেতা মেজর জিয়াসহ আরো কিছু শীর্ষ জঙ্গি এখনো ধরা পড়েনি৷ তাছাড়া জঙ্গিরা নিজস্ব উৎস থেকে বোমা বিস্ফোরক সংগ্রহেরও চেষ্টা করছে বলে জানা যায়৷ যদিও বলা হচ্ছে তাদের অর্থ এবং অস্ত্রের সাপ্লাই লাইন বন্ধ হয়ে গেছে৷ মনিরুল ইসলাম অবশ্য বলেন, “মেজর জিয়া জেএমবি-র কেউ নয়৷ সে আনসার আল-ইসলামের সদস্য৷ নব্য জেএমবিকে সংগঠিত করার মতো কেউ আছে বলে আমরা মনে করি না৷”- ডিডব্লিউ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews