1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ০২:২৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন: এন,আই খান রচিত বিধি এবং বাস্তবতা

  • Update Time : সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০১৭
  • ৬৫ Time View
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাহিদ হাসানঃ সারাদেশের বেসরকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের জন্য যে ঘুষের মহোৎসব চলছিল তার থেকে জাতিকে পরিত্রাণ দিতে গিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষের। এই কর্তৃপক্ষ সর্বপ্রথম যে নিবন্ধন পরীক্ষাগুলো নিয়েছিল তাতে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রাথীদের একটি করে সার্টিফিকেট প্রদান করা হতো। সেখানে সার্টিফিকেটের মেয়াদ, পরীক্ষার পদ্ধতি,উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা নিরুপণ, নিয়োগ প্রক্রিয়া সবকিছুর একটা সঠিক পরিকল্পনার অভাব পরিলক্ষিত হয়। এবং এনটিআরসিএ অফিসের কতিপয় অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশে বছরের পর বছর বিক্রি করা হয়েছে জাল সার্টিফিকেট। যাতে করে সবকিছু হয়েও কিসের যেন অভাব থেকে যায় যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দানের প্রক্রিয়ায়। পরবর্তীতে ২২ অক্টোবর ২০১৫ সালে যে গেজেট প্রকাশিত হয় সেখানে উপরোক্ত যে সকল সমস্যা ছিল তার সঠিক জবাব সহ সকল কিছুর বিস্তর বিধি যোগ করা হয় এই গেজেটে। আর এই গেজেটের রচয়িতা হলেন সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান (এনআই খান) স্যার।
ছোটবেলা থেকেই আমার লেখালেখির অভ্যাস ছিল। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর এ অভ্যাস আরো বেড়ে যায়। যার ফলশ্রুতিতে যোগদান করি সাংবাদিকতায়। আশেপাশের যে সকল অনিয়ম বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে দেখেছি তাতেই চেষ্টা করেছি এক আধটু লেখার। তেমনি একটি বিষয় হলো দেশের শিক্ষিত বেকারদের নিয়ে ছিনিমিনি খেলার একটি প্রতিষ্ঠান এনটিআরসিএ। তারা বছরের পর বছর অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। তখন থেকেই মাথায় ঘুরপাক খেত কিভাবে এ ছিনিমিনির হাত থেকে রেহাই পাবে এ দেশের শিক্ষিত বেকার যুব সমাজ? এর সদুত্তর মিলেছে ২২ অক্টোবর ২০১৫ সালে প্রকাশিত সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান (এনআই খান) স্যারের রচিত বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গেজেটে। গেজেটটির আদ্যোপান্ত পড়ে মনে হয়েছে এটি বাস্তবায়িত হলেই সারাদেশের বেসরকারী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে আর কোন জটিলতা থাকবেনা।
আর ২০১৫ সালের এ গেজেট দেখেই আমিও ২০১৬ সালের ১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে লেকচারার পদে চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই। আর এই উত্তীর্ণের তালিকায় ছিল ১৭২৫৪ জন পরীক্ষার্থী। পরবর্তীতে দেখা যায়, ভালো পরীক্ষা দিয়েও অনেকে বাদ পড়েছে এ পরীক্ষায়, কারণ গেজেটে (বিধি ৯ এর উপবিধি (২) এর খ-তে বলা ছিল কর্তৃপক্ষ, এলাকা বিষয় ও পদ-ভিত্তিক নিরুপিত শিক্ষকের শূণ্যপদের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী ঐচ্ছিক বিষয়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা  নির্ধারণ করিবে) অর্থাৎ অকৃতকার্যদের এলাকায় শূণ্য পদ ছিলনা বলে আমরা ধরে নিতে পারি।
পরকথা, এরই মাঝে কেউ একজন আমাকে ১৩ ঘঞজঈঅ(১৩ তম নিবন্ধন পাশ) নামক ফেসবুক পেজে এ্যাড দেয়। পেজটিতে দেখা যায় ১৩-তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় সকলেই নিয়মিত লিখে থাকে। পরবর্তীতে দেশের আনাচে-কানাচে থাকা নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের অনুরোধে আমিসহ ঢাকায় থাকা কয়েকজন শিক্ষামন্ত্রী এবং এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান বরাবর  গত ১৩ জুলাই স্মারকলিপি দিতে যাই।
আলোচনার এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান স্যার বলেন ১-১৩ তম ই-রিকুইজিশন দেয়া হবে। যদিও বিষয়টি এখনো অফিসিয়ালি ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে উক্ত গ্রুপে পোষ্ট দেওয়ার পরপরই আসতে থাকে নানা ধরনের মন্তব্য এবং যুক্তি।এর মাঝে যে প্রশ্নগুলো প্রাসঙ্গিক ছিল সে প্রশ্নগুলো হলো:
 ১৩ তমদের শুন্য পদের বিপরীতে টেকানো হয়েছে, যা ২০১৫ সালের গেজেটে বর্ণিত আছে। সুতরাং আমরা কেন ১-১২ দের সাথে প্রতিযোগিতা করব?
 যদি সবার সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয় তাহলে শূন্যপদ না থাকায় লিখিত পরীক্ষায় অনেক প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হল কেন?
 আমাদের যদি শুণ্যপদের বিপরীতে পাশ করানো হয়ে থাকে তাহলে আমাদের পদের জন্য ১-১২ তমরা আসবে কেন?
 ১-১২ দের মামলা আমাদের নিয়োগের জন্য বাঁধা হয়ে দাঁড়াবেনা কারণ, তারা ভিন্ন পরিপত্র ও গেজেটের আর ১৩ তমরা আলাদা পরিপত্র ও গেজেটের আওতাভূক্ত। তাই ১৩তম নিয়োগে কোনো প্রভাব পড়বে না ।
 অনেকের সার্টিফিকেটের মেয়াদ শেষ, এদেরেক কি আর রাখা হবে? কেননা, ২০১৫ সালের গেজেটে বলা ছিল সার্টিফিকেটের মেয়াদ হবে তিন বৎসর।
 বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে রিটেন ও ভাইভা নম্বরের ভিত্তিতে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় মেধা তালিকা প্রণীত হবে। কিন্তু আমাদের সার্টিফিকেট এ রিটেন ও ভাইভার মার্কস আলাদা। কোন পার্সেনটেজ করা হয়নি।
    উপরোক্ত বিষয়গুলো সবই যৌক্তিক অথচ ২২ অক্টোবর ২০১৫ সালে প্রকাশিত সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান (এনআই খান) স্যারের রচিত বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার গেজেট পরিপন্থী। পরবর্তীতে আমরা ঠিক করলাম সাবেক শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান (এনআই খান) স্যারের সাথে সাক্ষাত করে এ ব্যাপারে তার মতামত জানতে চাইব। গত ২৭ জুলাই স্যারের সঙ্গে দেখা করার সিরিয়াল পাই। যদিও তিনি আমাদের জন্য প্রথমে ১০ মিনিট সময় বরাদ্দ করেছিলেন পরবর্তীতে দেখলাম শিক্ষাবিষয়ক আলোচনা বলে আমাদের সাথে স্যার কথা বলেই যাচ্ছেন। এভাবে আমাদের আলোচনা চলে ঘন্টাব্যাপী। স্যারের ভাষ্যমতে, এনটিআরসিএর বর্তমান চেয়ারম্যান একজন সৎ মানুষ। কিন্তু ওখানকার অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থা শোচনীয়। শিক্ষাক্ষেত্রে এমন দূরাবস্থা দেখেই এবং এসব লোকদের সায়েস্থা করে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে কলঙ্কমুক্ত করতেই কয়েক মাস দিনের সকল দায়িত্ব পালন করে নির্ঘুম রাত কাটিয়ে এই গেজেট লিখেছিলাম। আর এ পদ্ধতিতে চললে যেমন যোগ্য শিক্ষক পাবে দেশ, তেমনি শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা আরো এগিয়ে যাব। তাছাড়া এনটিআরসিএ কর্তৃক নেওয়া আগের পরীক্ষাগুলোতে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে টিকানো হতো যেনতেন ভাবে। এর ফলে চলেছে নিয়োগ বাণিজ্য এ ব্যবস্থার মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিতেই পিএসসির আদলে তিন ক্যাটাগরী প্রিলি. রিটেন, ভাইভার ব্যবস্থা করে যোগ্যদের টিকানো হয়েছে ১৩ তম নিবন্ধনে। আর এর সংখ্যাও আগের মত অত্যধিক নয়। তাছাড়া সার্টিফিকেটের মেয়াদ যেহেতু তিন বছর সেহেতু ১৩ তমতে উত্তীর্ণ ১৭২৫৪ জন সবাইকে নিয়োগ দেওয়া দুই বছরের মধ্যেই সম্ভব। পরবর্তী ধাপ এভাবেই চলবে। তাহলে থাকবেনা নিবন্ধন পাশ করে বেকার বসে থাকার সুযোগ, অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের সুযোগ।
এখন ১৩ তম নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের প্রশ্ন হলো, যেখানে সাবেক শিক্ষা সচিব এমন কথা বলছেন এবং তারই প্রনীত সর্বশেষ গেজেটের আদলেই এনটিআরসিএর কার্যক্রম চলছে তাহলে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান প্রদত্ত ১-১৩ তম ই-রিকুইজিশনের বক্তব্য কতটা বাস্তব সম্মত বর্তমান গেজেটের সাথে? প্রশ্ন থাকল এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এবং শিক্ষাবিভাগ সংশ্লিষ্ট সকল বোদ্ধাদের পাশাপাশি দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদদের কাছে।
লেখক: জাহিদ হাসান, শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews