1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

কর্মকর্তারা দিতে বলেছিলেন ২ লক্ষ টাকা, প্রধানমন্ত্রী দিলেন চাকরি

  • Update Time : রবিবার, ৩০ জুলাই, ২০১৭
  • ১৫ Time View

এশিয়ানবার্তা :একটি সাহায্যের আবেদন পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা নোট লিখে দিয়েছিলেন, ‘২ লক্ষ টাকা দেওয়া যেতে পারে।’ এই পর্যালোচনা ও আবেদনপত্র পড়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোট ফেরত দিয়ে বলেন, মাত্র দুই লক্ষ টাকা কেন? একটি চাকরি নয় কেন?’

পরবর্তীতে ওই আবেদনকারীকে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়।

এই ঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদের দিন জঙ্গিদের গুলিতে মারা যাওয়া ঝর্ণা রানী ভৌমিকের ছেলে বাসুদেব ভৌমিককে নিয়ে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকনের এক ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে রোববার বিকেলে এই তথ্য জানানো হয়।

খোকন লিখেছেন, “নিশ্চয় সবার মনে আছে। গত বছরের ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় ঈদের দিনে জঙ্গিদের গুলিতে গৃহিণী ঝর্ণা রানী ভৌমিক মারা গিয়েছিলেন। এসময় তিনি নিজ বাসায় ছেলেদের জন্য রান্না করছিলেন। তাঁর দুই ছেলে, বাসুদেব ভৌমিক ও শুভদেব ভৌমিক। ছোট ছেলে ক্লাস সিক্সে পড়াশোনা করলেও বড় ছেলে হিসাব বিজ্ঞানে মাস্টার্স শেষ করে এমবিএ’তে অধ্যয়নরত ছিলেন। পারিবারিক অবস্থাও সচ্ছল না। তাদের বাবাও ছিলেন বেকার। চর শোলাকিয়া এলাকায় এক শতাংশ জমিতে ছোট্ট একটি ছাপড়া ঘর তুলে তারা বসবাস করতেন।”

মাতৃহীন পরিবারটির অসহায়ত্ব এবং দুরাবস্থার কথা বর্ণনা করে নিহত ঝর্ণা রানীর বয়োবৃদ্ধ স্বামী গৌরঙ্গ ভৌমিক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পরিবারটির জন্য সহায়তা ও বড় ছেলের চাকরির জন্য একটি আবেদন করেন। যথাযত নিয়মে চিঠিটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হয়।

খোকন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিদিন এই রকম শত শত আবেদনপত্র প্রক্রিয়া করা হয় এবং সম্মতির জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপনের আগে, আবেদনগুলোর মূল্যায়ন করে কাকে কী সহায়তা করা যায় সেই পরিমাণটি আবেদনপত্রের উপরে উল্লেখ করে দেয়া হয়। ঝর্ণা রানীর পরিবারের আবেদনের উপরেও উল্লেখ ছিল ২ লক্ষ টাকার।”

“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চূড়ান্ত সম্মতির পর আবেদনপত্রগুলো কার্যালয়ের এসাইনমেন্ট অফিসারের কাছে ফেরত আসে। এর মধ্যে একটি আবেদনপত্রের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নিজ লেখা, “দুই লক্ষ টাকা মাত্র, মানে একটি চাকরি দেয়া নয়। ”

২০ লাইনের আবেদনপত্রটির ১৮ নম্বর লাইনটি কালো কালির কলম দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজের হাতে আন্ডারলাইন করা, যেখানে চাকরি চাওয়ার কথাটি উল্লেখ আছে। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু কন্যা আবেদনপত্রটির প্রতিটি শব্দ পড়েছেন। যে কাজটি তিনি সবকিছুর ক্ষেত্রেই করে থাকেন। মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি শব্দ দেখেন এবং পড়েন।

খোকন বলেন, “যারা কথায় অন্যদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যার তুলনা করেন, কথায় কথায় সমালোচনা করেন তাদেরকে বলি, এতটা নির্দয় হবেন না, করলে গঠনমূলক সমালোচনা করুন। নয়তো এক সময় জাতির কাছে আপনাদের গ্রহণযোগ্যতাই প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এমন মহানুভব এবং বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের জন্য গর্বের। জনগণের জন্য দিনরাত কাজ করতে বয়স কিংবা ক্লান্তি কোনোটাই তাঁকে ক্ষান্ত করতে পারেনি।”

রোববার সকালে বাসুদেব ভৌমিক বঙ্গবন্ধু কন্যার কাছ থেকে চাকরির নিয়োগপত্রটি গ্রহণ করেছেন। এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সহকারী অফিসার পদে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। এই সময় হাস্যোজ্জ্বল বাবা গৌরঙ্গ ভৌমিক এবং ছোট ভাই শুভদেব ভৌমিক তার সঙ্গে ছিলেন।

প্রসঙ্গত, স্বামী ও দুই ছেলে নিয়ে ছিল ঝর্ণা রানী ভৌমিকের সুখের সংসার। স্বামী গৌরাঙ্গ নাথ ভৌমিক স্থানীয় একটি কারখানার কর্মচারী। বড় ছেলে বাসুদেব একটি কলেজে খণ্ডকালীন প্রভাষক। আর ছোট ছেলে শুভদেব স্থানীয় আজিম উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র। গত বছর ঈদুল ফিতরের দিন জঙ্গিদের বুলেট ঝর্ণা রানীর প্রাণ কেড়ে নেয়। শোয়ার ঘরের ভেতরেই মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ঝর্ণা। এ মৃত্যু স্তব্ধ করে দিয়েছে পুরো পরিবারকেই।

বাসুদেব তেজগাঁও মহিলা কলেজের খণ্ডকালীন প্রভাষক ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews