1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৫:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

ফরিদপুরে বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০১৭
  • ৪৭ Time View

 

শওকত আলী শরীফ,ফরিদপুর থেকে: ফরিদপুরের জেলা সদর সহ ৯ টি উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারগুলোতে নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ এখন বিলুপ্তের পথে । নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ অনেকটা দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে জেলায়। এখানকার গ্রামাঞ্চলের নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, জলাশয়, ডোবা ও বিল-ঝিল দীর্ঘ দিন যাবত খনন না করায় এবং নির্বিঘেœ ছোট-বড় মাছ ধরার মহোৎসব চলায় এ দুর্দশার সৃষ্টি হয়েছে।

বর্ষা মৌসুমে ডিমওয়ালা মাছ ডিম ছাড়ার আগেই জেলেদের জালে ধরা পড়ছে। ফলে মাছের বংশ বিস্তার হচ্ছে না। এক শ্রেণির অসাধু জেলেরা মাছ ধরার জন্য বিভিন্ন ধরনের জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকার করছে। যার কারণে জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দেশীয় প্রজাতির মাছ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন বিলের মাছের ক্ষেত্রগুলো এখন শূন্য প্রায় হয়ে গেছে। আগের মতো এখন আর বোয়াল, মাগুর, শিং, কৈ, টেংরা, শোল, টাকি, রয়না,পুঁটি, গজার, চাপিলা, খৈইলশা, পাদবা, আইড়, চিংড়ি, মলা, বাইন, বেলেসহ অর্ধশতাধিক প্রজাতির মাছের দেখা মেলে না। এসব মাছ বিলুপ্ত হওয়ার পথে রয়েছে।

বিশেষ করে নদীর মাছ হিসেবে পরিচিত পোয়া, ইলিশ, আইড়, রিটা দেখা মেলা এখন অনেকটা ভাগ্যের ব্যাপার। অত্র অঞ্চলের টেপা মাছ এখন সোনার হরিণ হয়ে গেছে। এলাকার সচেতন ব্যক্তিরা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত জালের অবাধ ব্যবহার কৃষি জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যাপক ব্যবহার, বর্ষাকালে প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা মা মাছের পোনা নিধন, শুষ্ক মৌসুমে মাছ ধরার প্রবণতা এবং মাছের বিচরণ ক্ষেত্র কমে যাওয়াসহ প্রভৃতি কারণে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ফসল হিসেবে পরিচিত মৎস্যসম্পদ আজ বিলুপ্ত হতে চলছে।এ ছাড়া মাছের প্রজনন মৌসুম ও পোনা মাছের বৃদ্ধিকালীন সময় অবাধে ছোট বড় মাছ ধরা এবং মৎস্য আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় দেশীয় প্রজাতির মৎস্যসম্পদ দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।

১৫ বছর আগে গ্রামাঞ্চলে সর্বত্র দেশি প্রজাতির মাছ পাওয়া গেলেও এখন আর সেই অবস্থা নেই। জেলার হাটবাজারগুলোতে চাষকৃত কার্প জাতীয় রুই, কাতলা, পাঙ্গাশ, আফ্রিকান মাগুর, হাইব্রিড শিং, মাগুর এবং থাই পঁটি, কৈ, ও তেলাপিয়াসহ নানা ধরনের মাছ বিক্রি হচ্ছে। চাষকৃত মাছের কাছে দেশি প্রজাতির মাছ টিকতে না পেরে হারিয়ে গেছে। যদিও মাঝে মধ্যে কিছু মাছ বাজারে পাওয়া যায় তাও দাম চড়া। প্রতি কেজি টেংরা, পুঁটিসহ অন্যান্য মাছ ৪০০ থেকে ১০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।জেলেরা জানান, দারিদ্র্যতার কারণে তারা মাছ শিকার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এই বিষয়ে মৎস্য অধিদফতর কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

নদী-নালা, খাল-বিল পুনঃখনন এবং সমন্বিত মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ গ্রহণ, কৃষি জমিতে স্বল্পমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ করা হলে জাতীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন সচেতন লোকজন।দেশি মাছ বিলুপ্তি হলে জেলার প্রায় পাঁচ সহশ্রাধিক জেলে পরিবারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে। কাজেই এ ব্যাপারে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন জেলাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews