1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দিতে ভারতীয় সেনার সাহায্য চেয়েছে আসাম

  • Update Time : শনিবার, ২২ জুলাই, ২০১৭
  • ১৭ Time View

এশিয়ানবার্তা :বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছে আসাম সরকার। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সেনাবাহিনীর কর অব ইঞ্জিনির্য়াসদের সাহায্য চেয়েছে রাজ্য সরকার।

আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কয়েক কিলোমিটার জল ও স্থল সীমান্ত এখনও উন্মুক্ত। তাই বাংলাদেশি ‘অনুপ্রবেশ’ রোধ করতে অচিরেই আসাম সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার ঘোষণা দিয়েছে রাজ্যটির ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার।

উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খের এক খবরে বলা হয়েছে, রাজ্যের ক্ষমতায় আসার আগে ‘বাংলাদেশিদের’ অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিয়েছিল বিজেপি সরকার। কিন্তু গত এক বছরে সেই কাজে বিশেষ অগ্রগতি হয়নি। দু’দেশের সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সঙ্গে আসামের সীমান্ত সমস্যা মিটে গেছে। বিবাদমান জমির হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ হয়েছে ইতোমধ্যেই। কিন্তু তারপরও কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সীমান্ত সিল করতে সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়ে পাঠানোর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আসামের স্বরাষ্ট্র দপ্তর সূত্রের বরাত দিয়ে যুগশঙ্খ লিখেছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতাকে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজে লাগাতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই শুধু বাংলাদেশ সীমান্তের এখনও যে অংশ উন্মুক্ত রয়েছে, সেই অংশে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজেই শুধু নয়, বন্যা-ভাঙ্গনের ফলে যে স্থানে কাঁটাতারের বেড়া ধংস হয়েছে, সেই সব স্থানেও বেড়া বসানোর কাজে ব্যবহার করা হবে সেনাবাহিনীকে।

আসামের পূর্ত বিভাগ ছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা এনবিসিসি এবং এনপিসি সীমান্তে বেড়া বসানোর কাজের দায়িত্বে রয়েছে। কিন্তু কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজে দুটি কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজের গতি অত্যন্ত রথ।

রাজ্য সরকারের একটি সূত্রের বরাতে পত্রিকাটি লিখেছে, আসামের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ২৮০ কিমি সীমান্ত রয়েছে। এরমধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া হযেছে ২০৮.৬৫ কিমি সীমান্ত। কিন্তু বাকিটা এখনও উন্মুক্ত। যে ৭১.৪১ কিমি এখনও উন্মুক্ত রয়েছে, এরমধ্যে ৬.৫ কিমি স্থল সীমান্ত। বাকিটা জল সীমান্ত-নদী,চর,সেতু ইত্যাদি রয়েছে। সেই উন্মক্ত সীমান্ত দিয়েই বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের অভিযোগ রয়েছে।

কাঁটাতারের বেড়া বসেনি যে ৬.৫ কিমি স্থল সীমান্তে এরমধ্যে করিমগঞ্জ শহর সংলগ্ন রয়েছে ৩.৫ কিমি। সেখানে কাঁটাতারের বেড়া বসানো নিয়ে সমস্যা মেটাতে বিএসএফ ও বিজিবি’র মধ্যে আলোচনা চলছে। করিমগঞ্জ জেলার অধীন বাকি ৩ কিমি অংশে আগে বাংলাদেশের সঙ্গে সীমা বিবাদ ছিল, যার এখন নিষ্পত্তি ঘটেছে। সেখানে এখন বেড়া বসানোর জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। কিন্তু জল সীমান্ত এখনও উন্মুক্ত রয়েছে। তবে জল সীমান্ত, নদী ,চর ইত্যাদিকে হাইটেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সীমান্ত সিল করার জন্য সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রী সরকারের অধীনে সেই সমীক্ষার কাজ চলছে বলে রাজ্য সরকারের সূত্রের খবর।

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছে আসাম সরকার। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সেনাবাহিনীর কর অব ইঞ্জিনির্য়াসদের সাহায্য চেয়েছে রাজ্য সরকার।

আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কয়েক কিলোমিটার জল ও স্থল সীমান্ত এখনও উন্মুক্ত। তাই বাংলাদেশি ‘অনুপ্রবেশ’ রোধ করতে অচিরেই আসাম সংলগ্ন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার ঘোষণা দিয়েছে রাজ্যটির ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার।

উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক যুগশঙ্খের এক খবরে বলা হয়েছে, রাজ্যের ক্ষমতায় আসার আগে ‘বাংলাদেশিদের’ অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সিল করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিয়েছিল বিজেপি সরকার। কিন্তু গত এক বছরে সেই কাজে বিশেষ অগ্রগতি হয়নি। দু’দেশের সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সঙ্গে আসামের সীমান্ত সমস্যা মিটে গেছে। বিবাদমান জমির হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ হয়েছে ইতোমধ্যেই। কিন্তু তারপরও কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে সীমান্ত সিল করতে সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়ে পাঠানোর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আসামের স্বরাষ্ট্র দপ্তর সূত্রের বরাত দিয়ে যুগশঙ্খ লিখেছে, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতাকে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজে লাগাতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই শুধু বাংলাদেশ সীমান্তের এখনও যে অংশ উন্মুক্ত রয়েছে, সেই অংশে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজেই শুধু নয়, বন্যা-ভাঙ্গনের ফলে যে স্থানে কাঁটাতারের বেড়া ধংস হয়েছে, সেই সব স্থানেও বেড়া বসানোর কাজে ব্যবহার করা হবে সেনাবাহিনীকে।

আসামের পূর্ত বিভাগ ছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা এনবিসিসি এবং এনপিসি সীমান্তে বেড়া বসানোর কাজের দায়িত্বে রয়েছে। কিন্তু কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজে দুটি কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজের গতি অত্যন্ত রথ।

রাজ্য সরকারের একটি সূত্রের বরাতে পত্রিকাটি লিখেছে, আসামের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট ২৮০ কিমি সীমান্ত রয়েছে। এরমধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া হযেছে ২০৮.৬৫ কিমি সীমান্ত। কিন্তু বাকিটা এখনও উন্মুক্ত। যে ৭১.৪১ কিমি এখনও উন্মুক্ত রয়েছে, এরমধ্যে ৬.৫ কিমি স্থল সীমান্ত। বাকিটা জল সীমান্ত-নদী,চর,সেতু ইত্যাদি রয়েছে। সেই উন্মক্ত সীমান্ত দিয়েই বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের অভিযোগ রয়েছে।

কাঁটাতারের বেড়া বসেনি যে ৬.৫ কিমি স্থল সীমান্তে এরমধ্যে করিমগঞ্জ শহর সংলগ্ন রয়েছে ৩.৫ কিমি। সেখানে কাঁটাতারের বেড়া বসানো নিয়ে সমস্যা মেটাতে বিএসএফ ও বিজিবি’র মধ্যে আলোচনা চলছে। করিমগঞ্জ জেলার অধীন বাকি ৩ কিমি অংশে আগে বাংলাদেশের সঙ্গে সীমা বিবাদ ছিল, যার এখন নিষ্পত্তি ঘটেছে। সেখানে এখন বেড়া বসানোর জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। কিন্তু জল সীমান্ত এখনও উন্মুক্ত রয়েছে। তবে জল সীমান্ত, নদী ,চর ইত্যাদিকে হাইটেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সীমান্ত সিল করার জন্য সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রী সরকারের অধীনে সেই সমীক্ষার কাজ চলছে বলে রাজ্য সরকারের সূত্রের খবর।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews