1. aknannu1964@gmail.com : AK Nannu : AK Nannu
  2. ariful.bpi2012@gmail.com : arifulweb :
  3. fshahjahan72@gmail.com : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. angelhomefoundation@gmail.com : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. nchost_transfers@namecheap.com : namecheap :
  6. prodhan.it77@gmail.com : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. support@itnuthosting.com : RM Rey : RM Rey
  8. farjanasraboni46@gmail.com : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত শিবগঞ্জে মহাস্থান যুবসংঘের উদ্যোগে মাদক বিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের উদ্বোধন রাণীশংকৈলে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি নিহত গোদাগাড়ীতে বাটিক ও হ্যান্ড এমব্রয়ডারি প্রশিক্ষণ সমাপ্ত বিশিষ্ট অভিনেতা আলী যাকের আর নেই অর্থনৈতিক মুক্তি নারীর টেকসই উন্নয়ন শ্লোগানে সৈয়দপুরে দুইদিন ব্যাপী পণ্য প্রদর্শণী সাভারে চাকরির প্রলোভন দিয়ে ৫০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চার প্রতারক চক্র আটক দিনাজপুরে শিশুপুত্রকে কুপিয়ে হত্যা করলো নেশাগ্রস্থ পিতা ম্যারাডোনার মৃত্যুতে কমিউনিস্ট পার্টি’র শোক ধামইরহাটে মোটর সাইকেল-ভটভটি মুখোমুখি সংঘর্ষে যুবক নিহত

নাটোরের সিংড়ায় গাছে গাছে ফেস্টুন, ব্যানারে ছেয়ে গেছে

  • Update Time : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
  • ১২ Time View

সিংড়া(নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের সিংড়ায় গাছে গাছে ঝুলছে ক্লিনিক, চিকিৎসক, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং সেন্টার, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ও নেতাদের শুভেচ্ছা বাণী এবং আসন্ন পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন। বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ হাট বাজারের মোড়ে গাছে পেরেক ঠুকিয়ে টানানো হয়েছে ছোট বড় হরেক মাপের ব্যানার ও ফেস্টুন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতা, নিষিদ্ধ কোচিং সেন্টার, বেসরকারি স্কুল-কলেজের বিজ্ঞাপন প্রচারে সড়কের গাছে টানানো হয়েছে ব্যানার ও ফেস্টুন। দীর্ঘদিন ধরেই এ তৎপরতা চলছে। নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক ও পৌর এলাকার গাছে গাছে এভাবে পেরেক মেরে ব্যানার টাঙানো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকার সতেচন মহল ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। সচেতন মহলের অনেকে জানান, গাছ মানুষের জন্য খুবই উপকারি। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি গাছে পেরেক দিয়ে বিলবোর্ড ব্যানার টাঙাচ্ছে। এর ফলে অনেক গাছ মারা যাচ্ছে।

পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশ উন্নয়ন ও প্রকৃতি সংরক্ষণ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রাজু আহমেদ বলেন, জীবনধারণের উপকারী বন্ধু গাছ রক্ষায় সবার এগিয়ে আসা উচিত। গাছে পেরেক ঠুকিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো হলে গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। তিনি পেরেক ঠুকিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী নাসরিন বানু জানান, গাছে পেরেক মেরে ব্যানার-ফেস্টুন বা বিজ্ঞাপন জাতীয় কোনোকিছুই টাঙানো ঠিক নয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ থেকে বিলবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

তদারকির অভাব
সিংড়া আত্রাই নদীর মৎস্য অভয়াশ্রমে নির্বিচারে মা মাছ নিধন চলছে

সিংড়া(নাটোর) প্রতিনিধি:
নাটোরের সিংড়ায় আত্রাই নদীর মোহনা গুড়নই নদীর সিংড়া দহ মৎস্য অভয়াশ্রমে নির্বিচারে মা মাছ নিধন চলছে। একটি অসাধু চক্র প্রতিনিয়ত মাছ শিকার করছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এবিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে মা মাছ কমে যাবে এতে করে মাছের প্রজনন ক্ষমতা অনেকাংশে লোপ পাবে। এদিকে সচেতন মহল তদারকির না করার জন্য মৎস্য বিভাগকে দায়ী করছেন। জানা যায়, নাটোরের সিংড়া উপজেলার পৌর এলাকার মধ্য ভাগ দিয়ে প্রবাহিত আত্রাই নদী। সিংড়া দহ নদীর মোহনায় নাগর নদী ও গুরনই নদী প্রবাহিত। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপির পরামর্শে মা মাছ রক্ষা এবং মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষে মৎস্য বিভাগ এটি অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষনা করে। কিন্তু সম্প্রতি জ নামে কতিপয় এক ব্যক্তির মদদে সেখানে একটি অসাধু চক্র প্রতিদিন মাছ নিধন করছে। দিনরাত ২৪ ঘন্টা জাল ফেলে মাছ শিকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক ইচ্ছুক মৎস্য শিকারী বরশি দিয়ে ও মাছ শিকার করছে। কিন্তু দেখার যেনো কেউ নাই। একটি সুত্র জানায়, জয়নাল আবেদীন নামে ঐ ব্যক্তি মৎস্য অফিসে নিজেকে মৎস্য রক্ষনাবেক্ষণ কমিটির নেতা পরিচয় দিয়ে সুযোগ সুবিধা নেয়ার পায়তারা করছে। স্থানীয়রা বলেছে রক্ষক যেনো ভক্ষকের ভুমিকায় রয়েছে। পরিবেশ উন্নয়ন ও প্রকৃতি সংরক্ষন কমিটির সভাপতি সাংবাদিক রাজু আহমেদ বলেন, প্রতি বছর মাছের প্রজাতি কমছে। বিলুপ্তি ঘটেছে অনেক প্রজাতি। মাছের প্রজনন রক্ষায় অভয়াশ্রম রক্ষা করা জরুরী। গুটি কয়েকজনের স্বার্থের জন্য মা মাছ নিধন বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন তিনি। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লাহ জানান, সিংড়া দহ মৎস্য অভয়াশ্রম এলাকা হিসেবে পরিচিত। নদীর পানি পুরোপুরি ভাবে শুকিয়ে গেলেও দহে পানি থাকেই। এজন্য এটি অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত। সংরক্ষন এবং রক্ষনাবেক্ষণের জন্য একটি কমিটি রয়েছে। তাদের সঠিক তদারকি জোড়দারের পাশাপাশি পাহারাদার নিযুক্ত করা দরকার। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে বলে তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews