অনলাইনে পশু বিক্রিতে মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

এশিয়ানবার্তা ডেস্ক: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ি গত বছরের চেয়ে এবার অন্তত ১৫ শতাংশ কোরবানি কম হবে। যদি তাই হয় তাহলে খামারিদের সারাবছরের বিনিয়োগ আর শ্রম লোকসানে পড়বে। খামারিদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে প্রান্তিক পর্যায়ে সংযোগ ঘটাতে পারলে খামারিরা এ সঙ্কট থেকে মুক্তি পাবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (খামার) ড. এ বি এম খালেদুজ্জামান বলেন, গত বছর কোরবানিযোগ্য পশু অবিক্রীত থেকেছিল ১০ থেকে ১১ লাখের মতো। এবার ১ কোটি ১০ লাখ গবাদিপশুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে অর্থসংকট ও স্বাস্থ্যগত শঙ্কায় কোরবানির পশুর চাহিদা অত হবে না।

তিনি বলেন, যারা অনলাইন প্লাটফর্মে পশু বিক্রি করবে, ডেইরি ফার্ম আছে, ই-ক্যাব আছে, তাদের সঙ্গে খামারিদের সংযোগ ঘটিয়ে দেবেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের রিজনাল অফিসার। অনলাইন প্লাটফর্মে যাতে বিক্রি বেশি হয় সে বিষয়ে আমরা উৎসাহিত করব।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্রের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চার ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, কোরবানির পশু নিয়ে খামারিরা যেন বিপাকে না পড়ে সেদিকে সরকারের নজর দিতে হবে। আবার কোরবানির পশু ঘিরে করোনার সংক্রমণ যেন না ছড়ায় সে বিষয়টিও লক্ষ রাখতে হবে। প্রয়োজনে খামারিদের সঙ্গে উপজেলাভিত্তিক যোগাযোগ করতে হবে। প্রতি উপজেলায় তিন থেকে চারটার বেশি পশুর হাট যেন না বসে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। গরু কিনতে এক উপজেলার লোক অন্য উপজেলায় যেতে পারবে না এমন নিয়ম করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, গ্রাম থেকে শহরে কত গরু ঢুকছে তার হিসাব যেন সরকার সঙ্গে সঙ্গেই পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। ঢাকা শহরে কোন এলাকার হাটে কোন এলাকার লোক যাবে এটা ঠিক করে দিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.