রাজশাহী অঞ্চলে সীমান্ত দিয়ে আসছে পশু, বাড়ছে ঝুঁকি (রাজশাহীর সংবাদ)


রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিদিনই প্রবেশ করছে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গবাদিপশু। কোনো ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই প্রবেশে বাড়ছে মহামারির ঝুঁকি। তাই সীমান্ত পেরিয়ে আসা গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও রহনপুর রেলবন্দর এলাকায় দুটি এনিমেল কোয়ারেন্টাইন স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু লোকবল না থাকায় বন্ধ পড়ে রয়েছে প্রতিষ্ঠান দুটি।
গবাদিপশু প্রবেশের অন্যতম ট্রানজিট রাজশাহীতেও নেই কোয়ারেন্টাইন স্টেশন। কার্যক্রম নেই রাজশাহী প্রাণীসম্পদ দফতরেরও। বার বার তাগিদ দিয়েও প্রাণীসম্পদ দফতরের সাড়া পায়নি বিজিবি।
রাজশাহীর অতিরিক্ত প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ড. জুলফিকার মো. আখতার হোসেন বলেন, সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক গবাদিপশু আসছে এটি তারা জানেন। কিন্তু পশুগুলো কিভাবে প্রবেশ করছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সেগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষার ছাড়পত্র দিচ্ছে কিনা তা তারা জানেন না। এনিয়ে প্রাণীসম্পদ দফতরকে বিজিবিও জানায়নি।
তবে প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তার এ দাবি দায় সারা বলে জানিয়েছেন রাজশাহী-১ বিজির অধিনায়ক লে. কর্নেল শামীম মাসুদ আল ইফতেখার। তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে প্রাণীসম্পদ দফতরের কোনো কার্যক্রম নেই এখানে। বিষয়টি উদ্বেগজনক হওয়ায় বরাবরই বিজিবি বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তাগিদ দিয়ে আসছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া দেশে গবাদিপশুর প্রবেশে উদ্বেগ জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৯ বিজিবিও। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর জেলা প্রাণী সম্পদ দফতরকে পত্র দিয়েছে বিজিবি।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনন্দ কুমার অধিকারী বলেন, বিজিবির পত্রের প্রেক্ষিতে গত বছরের ৩ অক্টোবর তারা মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠিয়ে নির্দেশনা চেয়েছেন। কিন্তু এখনো এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা আসেনি। নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে প্রাণীসম্পদ দফতর।
তিনি আরো বলেন, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য সনদ ছাড়ায় সীমান্তে বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিনই বিপুল পরিমাণ গবাদিপশু প্রবেশ করছে। স্বাস্থ্য সনদ ছাড়ায় সেগুলো নির্ধারিত শুল্ক পরিশোধ করে দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ন্যূনতম দুই সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। সীমান্তের বিট/খাটালগুলোতে সেই পরিস্থিতিও নেই। তারপরও মন্ত্রাণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় তারা।
বন্ধ পড়ে থাকা জেলার দুই কোয়ারেন্টাইন স্টেশন চালুর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্টেশন দুটি নির্মাণ করা হয়েছে একটি প্রকল্পের আওতায়। অবকাঠামো নির্মাণের পর শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তাকে স্টেশন দুটির অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু প্রকল্প শেষ হয়ে যাওয়ায় সেগুলো আর চালু করা যায়নি। জরুরি জনবল নিয়োগে ২০১৬ সালের ২১ জুলাই জেলা প্রশাসক বরাবর পত্র লিখেন তৎকালীন প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা। কিন্তু এখনো জনবল নিয়োগ দেয়া হয়নি। বন্দর এলাকায় হওয়ায় এ দুটি কোয়ারেন্টাইন স্টেশনে ভারতীয় গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা কঠিন হয়ে পড়বে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, প্রাণীরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুটি কোয়ারেন্টাইন স্টেশন নির্মাণ করা হয়। দেশের বাইরে থেকে ভেতরে পশু ও পশুজাত পণ্যের মাধ্যমে রোগ প্রবেশ রোধ, রোগ দমন ও নিয়ন্ত্রণ করে গবাদিপশু পালন লাভজনক করার মাধ্যমে খামারিদের উৎসাহ দেয়া ছিলো এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য। ২০১২ সালের ১ জুলাই থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান ছিল এ প্রকল্প।
প্রাণীসম্পদ দফতর জানিয়েছে, প্রতিটি স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে দশমিক ২০০ একর জমির উপর। অফিস ভবন, আইসোলেশন সেড, সিমানা প্রাচীর ও অভ্যন্তরীণ রাস্তা রয়েছে প্রতিটিতেই। ইপিডিমিওলজি ইউনিটের মাধ্যমে ডিজিস ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার তৈরি ও ব্যবস্থাপনা এবং রাজস্ব খাতে কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এরপর আর কার্যক্রম এগুয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভারত থেকে যে গরু বাংলাদেশে পাচার হয়, সেগুলি প্রায় সবই আসে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যগুলো থেকে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে আসতে হলে তাদের অন্তত তিন-চারটি রাজ্যের অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হয়। ক্লান্তিকর দীর্ঘ যাত্রার ধকল দুর্বল করে ফেলে গরুগুলোকে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এনিমেল হাজবেন্ড্রী অ্যান্ড ভেটেরিনারি সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. খন্দকার মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, ক্ষুরা রোগের ভাইরাসটি অতি-সংক্রামক বলে রোগটি দ্রুত ছড়ায়। ভাইরাস (ক্ষুরা রোগ) সংক্রমিত এলাকা থেকে বহির্দেশে পশুজাত পণ্য রফতানি করা যায় না। এনিয়ে ওআইই (ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন ফর এনিমেল হেলথ) এবং ফাও (খাদ্য ও কৃষি সংস্থা) এর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
বাংলাদেশের পশুখাতে অন্যতম সীমাবদ্ধতা হলো গরুর ক্ষুরা রোগ। পার্শ্ববর্তী দেশ বিশেষ করে ভারত, মায়ানমার, নেপাল ও ভূটান থেকে ক্ষুরা-রোগের বিভিন্ন ভাইরাস বাংলাদেশে এসে ঢুকছে। দীর্ঘ যাত্রায় দুর্বল গবাদিপশুগুলো সহজেই ক্ষুরারোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ কারণে বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের ক্ষুরা-রোগের ভাইরাসের একটি সংমিশ্রণ আধার হিসেবে কাজ করছে। ফলে সার্বিকভাবে ক্ষুরা রোগ নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া তড়কার মত জুওনোটিক রোগ ছড়াচ্ছে। যা পরবর্তীতে বিভিন্ন মাধ্যমে মানুষের দেহে সংক্রমিত হচ্ছে।

রাজশাহীতে পুলিশের বিশেষ অভিযাানে গ্রেফতার ৪৬

রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহী নগরীতে আলাদা অভিযানে ৪৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার রাতভর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে নগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট। সোমবার দুপুরের পর তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
পুলিশ বলছে, অভিযানে ১৭ জন ওয়ারেন্টভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যান্য অপরাধে গ্রেফতার করা হয় আরো ১৮ জনকে। এছাড়া ১৪৯ পিস ইয়াবা, আধা গ্রাম হেরোইন এবং ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয় ১১ জনকে। অভিযানে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা ১১জন, রাজপাড়া থানা ১৩জন, মতিহার থানা ৮জন, শাহমখদুম থানা ২ জন এবং নগর ডিবি ১২ জনকে গ্রেফতার করে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আলাদা অভিযানে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। পরে এনিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

চারঘাটে আ.লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ আহত ৪

রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহীর চারঘাটে মাদ্রাসার সভাপতি হওয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ চারজন আহত। আহতরা হলেন, ইউসুফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিউল আলম রতন, ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার, ইউপি সদস্য মালেকের ছোট ভাই মকলেছুর রহমান। আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দপুর দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান ইউসুফপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিউল আলম রতন। আর এতে বাধ সাধেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরেই উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল।
সোমবার সকালে ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম রতন পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে যান। এ সংবাদ জানতে পেরে সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার তার সমর্থক ১০/১৫ জনের একটি দল নিয়ে অতর্কিত ভাবে ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম রতনের উপর হামলা চালায়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম রতন, রতনের সমর্থক ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, দুলাল সরকার ও দুলাল সরকারের সমর্থক মকলেছুর রহমান আহত হন। তাৎক্ষনিক ভাবে আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাতপাতালে ভর্তি করা হয়। এ দিকে এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদে চরম আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান রতনের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,গোবিন্দপুর দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার সে জোর করে ওই মাদ্রাসার সভাপতি হতে চাই। তাকে সভাপতি না করায় বেশ কিছু দিন ধরেই মাদ্রাসা সুপারকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল। সোমবার সকালে পরিষদে আসার আধা ঘন্টার মাথায় অতর্কিত ভাবে দুলাল তার দলবল নিয়ে এসে আমার উপর আক্রমন করেন।
এদিকে গোবিন্দপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল কুদ্দুস বলেন, শিক্ষা কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে অত্র এলাকার সাবেক ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকার নেতৃত্বে ৬নং ইউপি সদস্য আসবুল আলমসহ ১৫-২০ জন লোক এসে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দেয়। পরে তালা ঝুলিয়ে দেয়ার বিষয়টি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম ও মাধ্যমিক কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীনকে জানান। এব্যাপারে নাম না ইচ্ছুক প্রকাশ করে এক শিক্ষক বলেন, চেয়ারম্যান রতন ও ইউপি সদস্য মালেক সঙ্গে দীর্ঘদিন পূর্বের জের ধরে
এ ঘটনা ঘটে। অপর দিকে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক দুলাল সরকারের মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি সম্পর্কে মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিবারন চন্দ্র বর্মন বলেন, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পরিষদ এলাকা ফাকা হয়ে যায়। তবে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।

আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে রাবিতে মানববন্ধন

রাবি প্রতিনিধি : রাষ্ট্রায়াত্ব আট ব্যাংকের সমন্বিত নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। একই দাবিতে রাজধানী ঢাকায় চলমান পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার দুপুুর একটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ‘সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ ব্যানারে এই মানববন্ধন পালন করা হয়। মানববন্ধনে সমন্বিত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষা কেন্দ্রে অদক্ষ আসন বিন্যাস, ডিভাইস ব্যবহার, কেন্দ্র দখলসহ নানা অনিয়ম ও অদক্ষতার অভিযোগ তুলে তা বাতিল করে পুনারায় পরীক্ষা নেবার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্র গুলোতে সীমিত সংখ্যক আসনের বিপরীতে অতিরিক্ত পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেল। একই সিটে চারজন পরীক্ষা দিচ্ছে। এটা চরম অদক্ষতা। অনেক পরীক্ষার্থী পরীক্ষাই দিতে পারেন নি। এটা বিএসসির চরম অদক্ষতা। শিক্ষার্থীরা অনেক টাকা খরচ করে ঢাকায় পরীক্ষা দিতে গিয়ে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা দিতে পারছে না। এতে তাদের যেমন অর্থ অপচয় হচ্ছে, সময়ও নষ্ট হচ্ছে। যেখানে অন্য সরকারী চাকরীর নিয়োগ পরীক্ষাগুলো এক যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিতে পারছে, তাহলে বিএসসি সেভাবে পরীক্ষা নিতে পারবে না কেন?
ফিনান্স বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান হাবিব বলেন, কিছু টাকা বাঁচানোর জন্য ব্যাংক সার্ভিস কমিশন (বিএসসি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। নিয়োগ পরীক্ষাটি পরিচালনায় তারা চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, যা দেশের লাখ লাখ বেকারদের সঙ্গে প্রহসন করা ছাড়া কিছুই নয়। নিয়োগ পরীক্ষাটি অবিলম্বে বাতিল করে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নিয়ে যোগ্যদের চাকরী পাবার সুযোগ করা হোক। যতদিন না পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী মোকসেদ আল হৃদয়ের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সেলিহান আলিম, পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের সুলতানা রাজিয়া, আইন বিভাগের শফিকুল ইসলাম। এসময় বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনে অব্যাহত আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান কর্মসূচী পালন করবেন তারা।
প্রসঙ্গত, গত ১২ জানুয়ারি শুক্রবার আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রশ্নপত্র ও বসার জায়গা না পেয়ে শাহ আলী মহিলা কলেজ কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীরা ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধও করেছেন। ওই কেন্দ্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০ জানুয়ারি। শুক্রবার সারা দেশে ৬১টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের (আইবিএ) ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মহিউদ্দীন এই নিয়োগ পরীক্ষার সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন।

চারঘাটে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষককারী আরিফকে গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন

চারঘাট প্রতিনিধি : রাজশাহীর চারঘাটে ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম হুজারপাড়া গ্রামের আব্দুস সালামের মেয়ে মঙ্গলবার সন্ধায় পাশের বাড়ি আরিফের দোকানে জিনিস কিনতে যায়। আরিফ এ সময় তাকে একা পেয়ে ফুঁসলিয়ে দোকানের অদূরে আমতলা নিয়ে ধর্ষন করে।
এব্যাপারে মেয়েটির বাবা বুধবার চারঘাট মডেল থানায় শিশু ধর্ষন মামলা করেন। পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ার পরে রোববার দুপুরে এসিডি টিম ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ভিকটিমের বাড়ি গিয়ে খোজখবর ও বিনামূল্যে আইনী সহায়তা এবং সেল্টার হোমে থাকার পরার্মশ দেন।
এদিকে গতকাল সোমবার চারঘাট প্রেসক্লবের সামনে চৌরাস্তা মোড়ে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও মোকাবেলা প্রকল্প, এসিডি উদ্যোগে ধর্ষককারী আরিফের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার চাই দাবি এবং অতিবিলম্বে আসামীকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্র/ছাত্রী ও জনসাধারন মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিমুল বিল্লাহ সুলতানা, এসিডি উপজেলা প্রোগ্রাম অফিসার নাহিদ সুলতানা বর্ষা, শিক্ষক ইমরান আলী, হুজারপাড়া স্কুল প্রধান শিক্ষক নাসিমা বেগম, এমএ হাদী কলেজ প্রভাষক সুজন সরকার, চারঘাট প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাচ্চু, কলেজ চাত্রী জোনাকি রায়, এসিডি টিম শারমিন আক্তার, মিজানুর রহমান প্রমুখ।

চারঘাট প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন

চারঘাট প্রতিনিধি : রাজশাহীর চারঘাট প্রেসক্লাব শাখার পূনঃ কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫টায় চারঘাট প্রেসক্লাব কার্য্যালয়ে প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাচ্চুর সঞ্চালনায় সভাপতি অধ্যাপক এস এম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এক সাধারন সভায় উক্ত কমিটি পূনঃ গঠন করা হয়। সবার সম্মতিক্রমে কমিটির সভাপতি হিসাবে দৈনিক ইত্তেফাক চারঘাট প্রতিনিধি ও চারঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মোজাম্মেল হক পূনঃ নির্বাচিত হন। উক্ত কমিটিতে সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হন দৈনিক সোনার দেশ,যায়যায়দিন চারঘাট প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাচ্চুকে সাধারন সম্পাদক করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা ।
অন্যাদের মধ্যে হলেন ইসরাইল হোসেন সহ-সভাপতি দৈনিক রাজবার্তা, ওবাইদুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক দৈনিক, ভোরের কাগজ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান,দৈনিক নবচেতনা, অর্থ সম্পাদক মিঠু রানা আমাদের সময়, দপ্তর সম্পাদক ময়েন উদ্দিন পিন্টু, ভোরের দর্পন, প্রচার সম্পাদক আতিকুর রহমান আশা ভোরের ডাক, সিনিয়র সদস্য শহিদুল ইসলাম, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদ, খোরসেদ আলম লালগোলাপ, সদস্য আব্দুল মতিন আলোকিত সময় ও ফটোসাংবাদিক দোয়েল হোসেন, দৈনিক সোনার দেশ।

রাজশাহীতে ফায়ার সার্ভিস মহাপরিচালকের শীতবস্ত্র বিতরণ

রাজশাহী ব্যূরো: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আলী আহম্মেদ খান পিএসসির উদ্যোগে উত্তারঞ্চলে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়। তার পক্ষে গতকাল মঙ্গলবার রাতে নগরীর ভদ্রা এলাকার বস্তি, রেলস্টেশন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, নগরীর দরগার সামনে অসহায় গরীব দুঃস্থদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়।
শীত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রাজশাহী সদর দফতরের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম, সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফরহাদ হোসেন, ওয়ার হাউজ ইন্সপেক্টর আব্দুর রউফ, ফারুখ, সোহেল রানা প্রমুখ।

রাজশাহী জাপার ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন

রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহী মহানগর জাতীয় পার্টির ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন। কমিটিতে শাহাবুদ্দিন বাচ্চুকে সভাপতি ও খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান ডালিমকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি হিসেবে অনুমোদন দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
জানা যায়, পাটির্র মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি সুপারিশে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। গত ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ ইং জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১/ক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সহ-সভাপতি পদে লুৎফর রহমান, এ্যাড: মমতাজ উদ্দিন বাবু, মাইনুল ইসলাম, সপুরা সরকার, মোসাঃ ফেরদৌসী জোহা, এ বি সিদ্দিক পল্টু, ওয়াসিউর রহমান দোলন, এ্যাড: এনামুল হক, নজরুল ইসলাম, মাসুদুল ইসলাম বাবু। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে সালাউদ্দিন মিন্টু, শাহিনুল ইসলাম শাহিন, জিল্লুর রহমান, সাইফুল ইসলাম খোকন, শামীম সরকার, সহ সম্পাদক সানজিদা রওশান ইসান, তরিকুল আলম, সান্নান সরদার, তসিকুল ইসলাম। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নজরুল ইসলাম, এ কে এম রুহুল আমিন রিপন, সরদার জুয়েল, রাজু আহাম্মেদ, কাফি শাহ, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন দীপক, মোকলেছুর রহমান, আব্দুর রহিম খান লাবলু, আশিকুজ্জামান আশিক, রেজাউল করিম। অর্থ সম্পাদক ফাহিম হোসেন স্বপন, যুগ্ম অর্থ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, প্রচার সম্পাদক আক্তার হোসেন, যুগ্ম-প্রচার সম্পাদক তালেবুর রহমান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক খাইরুল আলম, যুগ্ম-দপ্তর সম্পাদক আক্তার হোসেন (মহরী), কৃষি সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, যুগ্ম-কৃষি সম্পাদক সাইদ আহাম্মেদ মিন্টু, শ্রম সম্পাদক মুক্তার হোসেন, যুগ্ম-শ্রম সম্পাদক ফারুক হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আসাদুল হক দুখু, যুগ্ম-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ইঞ্জি: গোলাম সারোয়ার লাজু, সাহিত্য সাংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক এ কে তুষার, যুগ্ম- সাহিত্য সাংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক সোহরাবুল হাসান মিশুক। শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম তনু, যুগ্ম- শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর সালাম খান, যুগ্ম-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক খুদু মাস্টার, এনজিও বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ আলী সরকার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ মইদুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নাসিমা খাতুন, যুগ্ম-মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সিমিত নাহার হিমেল, যুব বিষয়ক সম্পাদক: মোঃআসাদুজ্জামান নুর আসাদ, যুগ্ম- যুব বিষয়ক সম্পাদক এশারুল ইসলাম, সমাজ বিয়য়ক সম্পাদক আশরাফ আলী, স্বাস্থ্য-যুগ্ম পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রক বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ একরামুল হক, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রসুল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রামিল হাসান সুইট, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. ইফতেখার হামিদ শ্যামল, যুগ্ম-আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. পলাশ হোসেন রানা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, যুগ্ম- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মহসিন আলী।
সদস্যরা হলেন- দুরুল হুদা (সাবেক এমপি), সাইফুল ইসলাম স্বপন, সোলাইমান বিপ্লব, এ্যাড. আশরাফুল ইসলাম কচি আশরাফী, সাইফুল ইসলাম রাজা,বাশারুজ্জামান হিরা,আবু ইউসুফ সেলিম, সোহেল রানা, নজরুল ইসলাম, সাইদুর রহমান রুনু, মোজাম্মেল আলী সাবু, সেলিম রেজা, মাইনুল ইসলাম, শওকত আলী, আনিসুর রহমান, সাইফুল ইসলাম আমিন, চাঁদ মিয়া, সাহেব আলী,কায়সার হামিদ শাহীন, মফিজুর রহমান স্বপন,আলমগীর হোসেন জুয়েল, শুক্কুর আলী, জামিরুল ইসলাম বিটু, সালাউদ্দিন পরশ, আব্দুল হাকিম, রেজাউল করিম বাদশা, হোসনে আরা বেগম রিনা, সুলতানা নুপুর, মুরাদ শেখ স¤্রাট, আবু তাহের সিদ্দিক, সাজ্জাদ হোসেন বাদশা, জহিরুল ইসলাম জহির, কুদ্দুস আলী, আবু তাহের সিদ্দিক, শরিফুল ইসলাম পলাশ, আবুল কালাম আজাদ, বাবর আলী, আব্দুল আলিম, মহির, মেরাজ উদ্দিন,জারমান আলী, মাওলানা ইয়াকুব আলী, সাজ্জাদ হোসেন, শহিদুল ইসলাম টিটোন, মুসাউল উজির, সেলিমুজ্জামান সেলিম, মনিরুল ইসলাম মনির, আরিফুল ইসলাম আরিফ, আওয়াল, শরিফুল ইসলাম শরিফ, মতিউর রহমান মতি,মাশদার আলী, আফতাব হোসেন, শাওন হোসেন বাবু, শফিকুর রহমান শফিক, আল আমীন, মেহেদী হাসান মুন্না, মেহেদী হাসান বাপ্পী, জুলমাত শেখ, আশরাফুল ইসলাম (সাদ্দাম), নুরুন নাহার পারভনি আঙ্গুরা, সোহেলী খাতুন, ইসরাত জাহান সিমা, এস এম ইমরান হাফিজ জনি, মোকশেদ আলী, রেজাউল করিম বাদশা, রজব আলী, ফারুক আলী, তাহসীন আলী, রতœা বেগম রানী, হোসেন আলী, জামাল উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম আমিন, মিজানুর রহমান মিজান, মইনুদ্দিন, মজিবর রহমান, সাদেক আলী, গোলজার হোসেন লালন, নাসির উদ্দিন, আলহাজ¦ মোসলেম উদ্দিন মুসা, আলী হোসেন, আমজাদ হোসেন, মোস্তফা, ফয়সাল নোমানী, তারিকুল ইসলাম বাপ্পী।

গোদাগাড়ী পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি : একদফা একদাবি আদায়ের লক্ষে সারা বাংলাদেশের ন্যায় গোদাগাড়ী পৌরসভাতেও সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর দুইদিনে কর্মবিরতির প্রথমদিন চলছে। সোমবার সকাল ৯ টা হতে গোদাগাড়ী পৌরসভায় প্রধান ফটকের সামনে নিচে বসে কর্মবিরতি শুরু করে। চলবে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত। গোদাগাড়ী পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশমের সভাপতি মোঃ খাইরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এই বিরতি শুরু হয়।
তিনি জানান সকল কর্মকর্তারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে সকল সরকারী সুবিধা ভোগ করে কিন্তু আমরা একই রকম পরিশ্রম করে সেই সুবিধা ভোগ করতে পারি না। অবিলম্বে আমাদের সরকারী কোষাগার হতে বেতন ভাতা বেতন প্রদান করতে হবে। না হলপ আজ থেকে দুইদিনের যে কর্মবিরতি ঘোষনা করা হয়েছে এর চাইতেও বেশী দিনের ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়ে। সকাল থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হলে সেবা পেতে আসা অনেক পৌর নাগরিক ফিরে যায়। ফলে নাগরিগ দূর্ভোগ বেড়ে যায়। সেবাপেতে আসা এক নাগরিক বলেন এর আগেও এসে দেখি যে এমন কর্মবিরতি চলছে আর আমরা বারবার ফিরে যাচ্ছি এটা ভাল না বরং আমাদের দূর্ভোগ বেড়েই চলেছে।
কর্মবিরতি পালনে আরও উপস্থিত ছিলে পৌরকর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ, পৌর সচিব সারওয়ার জাহান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা জহির রায়হান, হিসাব রক্ষক হেলাল উদ্দীন, পৌর কার্যসহকারী গোলাম কাউসার মাসুমসহ ৩৯ জন কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।

রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই জনের মৃত্যু

রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও পুঠিয়ায় পৃথক এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে কুয়াশায় দেখতে না পেরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভটভটি খাদে পড়ে চালক নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে।
নিহত ভটভটি ভটভটি চালক হচ্ছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামের মুনসুর আলী শেখের ছেলে কালু শেখ (২৮)।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আকবর আলী জানান, সোমবার ভোরে কালু ভটভটি বোঝাই মুরগি নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীর দিকে যাচ্ছিলেন। কিন্তু গোদাগাড়ী উপজেলার সুলতানগঞ্জ মাজারের সামনে কুয়াশার কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভটভটি নিয়ে খাদে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই কালু নিহত হন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
এ সময় নিহত কালুর পরিবারের সদস্যরাও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহত ভটিভটি চালক কালুর মমরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ব্যাপারে কোনো মামলা না হলেও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হবে বলেও জানান গোদাগাড়ী থানার এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এদিকে, রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বড় ধাদাস ঢালান নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইটের ট্রলি উল্টে খোকন (২৫) নামের হেলপারের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় এ ঘটনা ঘটে বলে হাইওয়ে পুলিশের শিবপুরহাট ফাঁড়ির ইনচার্জ হাবিবুর রহমান নিশ্চিত করেন। নিহত, রাজশাহীর হরিয়ান পূর্বপাড়া এলাকার আরমানের ছেলে।
দুপুরে রাজশাহীর হরিয়ান এলাকার একটি ভাটা থেকে ট্রলি লোড ইট নিয়ে পুঠিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বড় ধাদাস ঢালান নামক স্থানে পৌছানোর পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খাদে ইটের ট্রলি উল্টে যায়। এসময় ওই ট্রলিতে থাকা খোকন নামের হেলপার চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.