1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন

রাজশাহীতে আলু নিয়ে লোকসানের মুখে কৃষক ও হিমাগার মালিক(ছবিসহ রাজশাহীর আরও ৬টি খবর)

  • Update Time : বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৪৪ Time View


রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহীতে স্টোরজাত আলু নিয়ে কৃষক, ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকরা পড়েছেন বিপাকে। লাভ তো দূরের কথা লোকসান গুনতে হচ্ছে লাখ লাখ টাকার। মুলত আলুর দাম পড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়িরা লোকসানের ভয়ে হিমাগার থেকে আলু তোলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। ফলে এবারে কৃষক ও ব্যবসায়িদের নিয়ে এক প্রকার বিপাকে পড়েছেন হিমাগার মালিকরা। হিমাগারে রক্ষিত আলু বিক্রির বিষয়ে এখনই সরকারি পর্যায়ে কোন বিশেষ উদ্যোগ না নিলে বছর শেষে হিমাগার মালিকদের এই আলু ফেলে দিয়ে মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকতে হবে। নতুন আলু বাজারে আসবে আর মাত্র এক থেকে দেড় মাস পরেই। অথচ গত মৌসুমের আলু অবিক্রিত আবস্থায় পড়ে আছে দুর্গাপুর উপজেলার হিমাগার গুলোতে। ব্যাংক ও হিমাগার থেকে ঋণ নিয়ে এ বছর আলু চাষ ও ক্রয় করেছেন অনেক কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
জানাগেছে, হিমাগারের এক বস্তা আলু সংরক্ষর করতে খচর হয় খালি বস্তা ১০০টাকা বুকিং খরচ ৩৬৫ টাকা ও অন্যান্য ৪০ টাকা ও আলুর মূল্য ৯৫০ টাকা সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ১হাজার ৪৫৫টাকা। অথচ বর্তমানে এখন বাজারে আলু বস্তা প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা বস্তা। ফলে ফলে আলু সংরক্ষরণ করী কৃষক ও ব্যবসায়িদের বস্তা প্রতি লোকসান গুনতে হচ্ছে ৪ থেকে ৫শ টাকা। এরপরও ক্রেতা খুঁজে পাচ্ছেন না ব্যবসায়িরা। এখানকার খুরচা বাজারে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকার মানভেদে ১০ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে আলু। বাজারে দর কম থাকায় লোকসানের আশঙ্কায় হিমাগার থেকে আলু বের করছেন না ব্যবসায়িরা।
ব্যবসায়ী আজগর আলী জানান, নতুন আলু বাজারে আসতে আর বেশি সময় নেই। আলুর দাম বৃদ্ধি না হলে সম্পুর্ন আলু হিমাগারেই থেকে যাবে। তাদের মতে, হিমাগারে রক্ষিত আলু বিক্রির বিষয়ে এখনই সরকারি পর্যায়ে কোন বিশেষ উদ্যোগ না নিলে বছর শেষে হিমাগার মালিকদের এই আলু ফেলে দেওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। উপজেলার কানপাড়া বাজুখলসি গ্রামের কৃষক আসরাফ আলী জানান, বেশি লাভের আশায় মৌসুমে ১ হাজার থেকে এক হাজার ৫শ’ টাকায় আলুর বস্তা বিক্রি না করে স্টোরে রেখেছিলাম। বর্তমানে আলুর দামসহ স্টোর ভাড়া দিয়ে বস্তায় ৫-৭ শ’ টাকা লোকশান গুণতে হচ্ছে। উপজেলার গোড়খাই গ্রামের কৃষক সৈয়দ হোসেন, মাড়িয়া গ্রামের লিটন আলী, দুর্গাদহ গ্রামের বাদল আব্দুলসহ একাধীক আলু সংরক্ষনকারীরা জানান, এ বছর হিমাগার ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে হিমাগারে প্রায় ১০ হাজার বস্তা আলু মজুদ রেখেছিলাম। বর্তমানে বাজারে যে অবস্থা তাতে লাখ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে। এদিকে উপজেলার শালঘরিয়া গ্রামে অবস্থিত নিগার কোল্ডস্টোরের ম্যানেজার লিয়াকত আলী সরকার জানান, আলু চাষ ও ক্রয় করার জন্য তাদের সুবিদার্থে অনেক চাষী ও ব্যবসায়ীদের স্টোর কর্তৃপক্ষ একবছরের জন্য বস্তা প্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা হারে মোটা অংকের ঋন দিয়েছেন। বর্তমানে বাজারে আলুর দামের যে দুর অবস্থা এতে চাষী ও ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি কোল্ডস্টোরের মালীকদের পথে বসতে হবে। তিনি সরকারের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। তিনি আরো জানান বর্তমানে তাদের স্টোরে এখনো ৩০ হাজার বস্তা আলু স্টোর জাত রয়েছে। ওইসকল আলু স্টোর জাতের সময় আর মাত্র ৯দিন সময় বাকি অর্থাৎ আগামি ৩০ নভেম্ববর পর্যন্ত। এর মধ্যে চাষী ও ব্যবসায়ীরা যদি আলু নিতে না আসে তাহলে তাদের বিশাল অংকের লোকসান গুনতে হবে। এছাড়াও বাকী এ সময়ের মধ্যে আলু বের করা অসম্ভব। কারন তাদের স্টোরে এক লটে ১০ হাজার বস্তা আলু স্টোর থেকে বের করে প্রক্রিয়াকরনের কাজ সম্পুর্ন্ন করতে সময় লাগে যায় প্রায় ১৫ দিন। এদিকে অনেক চাষীরা এ লোকসান পুশিয়ে নিতে চলতি মৌসুমে আলু চাষের কাজ সুরু করেছে। তবে অনেক আলু চাষ উপযোগী জমিতে পানি থাকায় আলু চাষে নামতে পারছেনা চাষীরা।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. বিমল কুমার প্রামানিক জানান, বর্তমানে আলু নিয়ে অনেকটাই সম্যায় পড়েছেন কৃষক ও হিমাগার মালিকরা। তবে কমবেশি সব এলাকাতেই আলু নিয়ে একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। আলু চাষের জন্য ইতোমধ্যে কৃষকদের ২৫ টাকা কেজি দরে বিএডিসি’র আলু বীজ দেওয়া হচ্ছে। রাজশাহীতে প্রায় ১হাজার বিএডিসি’র বীজ আলু মজুর রয়েছে। লোকসানের কারনে কৃষকদের আলু চাষে এবছর তেমন সাঁড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তবে আগামিতে আলুর দাম বৃদ্ধি হতে পারে বলে কৃষকদের আলু চাষে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

রাজশাহীতে সংবাদ সম্মেলনে বাকশিবো শিক্ষার্থীরা

অনিয়ম ও দূর্নীতির বেড়াজালে আটকে গেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
রাজশাহী ব্যূরো: ‘অনিয়ম ও দূর্নীতির বেড়াজালে আটকে গেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বাকাশিবো)। একের পর এক অনিয়ম ও দূর্নীতির মুখোশ উন্মোচন হলেও কোন প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না এ বোর্ডে কর্মরত অসাধু কর্মকর্তাদের। অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতাবলে নিজ কর্মস্থলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন তারা। আর উল্টো হয়রানীতে পড়তে হচ্ছে অভিযোগকারীদের। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর’র মহাপরিচালক (ডিজি) অশোক কুমার বিশ্বাস ও বাকাশিবো’র পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক সুশীল কুমার পালসহ দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের ছত্রছায়াতেই রয়েছেন ভুয়া ডক্টরেট ডিগ্রীধারী চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান। যে কারণেই তিনি চেয়ারম্যান হয়েও পরিক্ষা তাদের কাছে জিম্মি। সজ্ঞত কারণেই সুশীল কুমার দ্বাম্ভিকতা নিয়ে দপ্তরে প্রচার করেন স্বয়ং মন্ত্রীও আমাকে সরাতে পারবে না। তাহলে সুশীল কুমারের খুঁটির জোর কোথায়?’
গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজশাহীতে মহানগরীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা উপস্থাপন করেন দুর্গাপুর উপজেলার পুরাণ তাহিরপুর বিএম টেকনিক্যাল কলেজের ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগী ১০ শিক্ষার্থী।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার পুরাণ তাহিরপুর বিএম টেকনিক্যাল কলেজের ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষের ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি (বিএম) পরিক্ষায় ১৬জন অংশগ্রহণ করেন। পরে ফলাফল প্রকাশিত হলে অনলাইনে (রিপোটেড) দেখায়। এরপর পূন:নিরিক্ষনের জন্য আবেদন করলে সরাসরি ফেল দেখায়। কিন্তু ওই ১০ পরিক্ষার্থী নিজ নিজ উত্তরকৃত প্রশ্নশীটের মার্ক নিজেরাই হিসাব নিকাশ করে দেখে তাদের ফেল করার কোন কারণ নাই। যে কারণেই বোর্ডের পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক সুশীল কুমার পালের সরনাপন্ন হলে তিনি সনদ লেখক মো. জাহিদুর রহমান ও উপ-পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক খোরশেদ আলমের সাথে দেখা করতে বলে। তখন ওই দু’জন ১০ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন লাখ টাকা (জনপ্রতি ৩০ হাজার) সালামি (ঘুষ) দাবী করে। উচ্চতর শ্রেনীতে ভর্তির লক্ষ্যে ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় তারা দুই লাখ টাকা প্রদান করে। এরপর কলেজে প্রেরিত প্রাপ্ত মার্কশীটে তাদের পাশ থাকলেও অনলাইন ফলাফলে ফেল দেখানোর কারণে উচ্চতর শ্রেনীতে ভর্তি হতে পারছেনা। পরে সমাধানের লক্ষ্যে আবারো দেখা করলে বাকি এক লাখ টাকা পরিশোধ ও বকশিষসহ মোট দুই লাখ টাকা দাবী করে। আর ওই টাকা না দেওয়াতেই অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ করছেন না।
এ ঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর ডিজি অফিসে অভিযোগ করতে গেলে সেখানকার কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের দপ্তরে ঢুকতে দেয়নি। পরে ওইদিনই বাংলাদেশ কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের সচিব আলমগীর হোসেন বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। এরা হচ্ছেন, মো. মশিউর রহমান, রোল: ৮৩৮০৫৬, রেজি: ৬৩৮০৫৫, মো. আবু সাইদ, রোল: ১৩৯২১১, রেজি: ৮৩৯২১০, মো. নান্টু ইসলাম, রোল: ৮৩৮০৩২, রেজি: ৬৩৮০৩১, শাহীন আলম, রোল: ১৩৯২২৫, রেজি: ৮৩৯২২৪, শামিম উদ্দিন, রোল: ৮৩৮০৩৫, রেজি: ৬৩৮০৩৪, সৈকত হোসেন, রোল: ১৩৯২০৪, রেজি: ৮৩৯২০৩, সুমাইয়া খাতুন, রোল: ১৩৯২১০, রেজি: ৮৩৯২০৯, মাসুদ রানা, রোল: ৮৩৮০২৬ রেজি: ৬৩৮০২৫, আবু রাসেল রাজু, রোল: ৮৩৮০৪১ রেজি: ৬৩৮০৪০, বৃষ্টি খাতুন, রোল: ১৩৯২১৩ রেজি: ৮৩৯২১২।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, একটি জাতীর মেরুদন্ড গড়ার সর্বোচ্চ কর্নধাররাই যদি অনিয়ম ও দূর্নীতির বিস্তার ঘটানোর শিক্ষা দেয় তাহলে এ দেশ কোন স্থরে গিয়ে পৌঁছবে তা কল্পনা করাও অসম্ভব। যারা অবৈধভাবে অর্থ উপার্জনের লক্ষ্যে দেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জীবন বারংবার ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এদের কাছে জাতী কি আশা করতে পারে।
সূত্র মতে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড’র চেয়ারম্যান ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের পিএইচডি ডিগ্রী (ড.) ভুয়া সেটিও সম্প্রতি ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের অপরাধ বিষয়ক তথ্যমূলক প্রচারিত অনুষ্ঠান তালাশ-এ দেখানো হয়েছে। এর আগে সুশীল কুমার পালের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ এনে গত ৯ অক্টোবর রাজশাহীতে বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচী পালনের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। এরপরই অকৃতকার্য সাড়ে তিনশ’ শিক্ষার্থীকে মূহুর্তের মধ্যেই পাশ করিয়ে দেয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও তৎকালীন অতিরিক্ত সিস্টেম এনালিষ্ট (বর্তমানে পদচ্যুত) সুশীল কুমার পাল। আর ১৬ অক্টোবর বাকাশিবো’র যুগ্ম সচিব মো. নায়েব আলী মন্ডল স্বাক্ষরিত আদেশে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সিষ্টেম এনালিষ্ট সুশীল কুমার পালকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে প্রগ্রামার মোহাম্মদ সামশুল আলম কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে এটাও বিধি বহির্ভুত বলে জানিয়েছেন বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা। বর্তমানে অনলাইন ফলাফলে পাশ, মার্কশীটে ফেল। এমন বেড়াজালে ঝুলে আছে রাজশাহীসহ সারাদেশের প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষার্থী।
অভিযোগের প্রাপ্তির বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে নিশ্চিত করে কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ড সচিব-এর পিএস ওয়াহিদ বলেন, পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক সুশীল কুমার পালের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ দাখিল হয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে বাকাশিবো’র পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক সুশীল কুমার পাল বলেন, ওই শিক্ষার্থীদের আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেন। রেজাল্ট পরিবর্তন করে দিচ্ছি। ঘুষ গ্রহনের বিষয়টি সঠিক নয়। এসব বিষয়ে আমি ভয় পাই না। আর বোর্ড’র চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের সেলফোনে অনেকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও রিসিভ না করায় সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

রাজশাহীতে বৃদ্ধি পেয়েছে সড়ক দুর্ঘটনা: পাঁচ দিনে নিহত ১২

রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহী অঞ্চলে পাঁচ দিনে বিভিন্ন জায়গায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১২১ নিহত হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় আরো অনন্ত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। এদুর্ঘটনাগুলো নগরীর উপকণ্ঠ বায়া, গোদাগাড়ী, পুঠিয়ার বেলপুকুর ও নাটোরে। আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে, ওইসব এলাকার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাজশাহীর পুঠিয়ায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছে। বিকেলে উপজেলা সদরে আল-ইনছানিয়ে স্কুল সংলগ্ন স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে তবে চালক ও সহযোগী পালিয়েছে। ঘটনার পর প্রায় ৩০ মিনিট ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুদ্ধ জনতা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বানেশ্বরের দিক থেকে একটি মোটরসাইকেল যোগে একজন যুবক ও নিহত ওই অজ্ঞাত নারী (২৫) পুঠিয়ার দিকে আসছিলেন। একই দিক থেকে একটি ট্রাক পুঠিয়ার দিকে আসছিলো। আল-ইনছানিয়া স্কুল সংলগ্ন স্থানে এলে ট্রাকের সাথে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল থেকে নারী পড়ে যায় এবং ট্রাকের পেছনের চাকার সাথে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
হাইওয়ে পুলিশ শিবপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে এবং অজ্ঞাত ওই নারীর পরিচয় সনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ব্যপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে বলে জানান তিনি।
এরআগে গত শুক্রবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে শাহ মখদুম থানার বায়া এলাকায় উল্টে খাদে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় ঘটনায় আরো সাতজন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে চারজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছ। এঘটনায় নিহতরা হলেন, দুর্গাপুরের দাউকান্দ এলাকার মৃত আমানত উল্লার ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও তার স্ত্রী শামিমা বেগম (৩০), মোহনপুরের তেবাড়ি সাধুপাড়া এলাকার আরজেদ খানের ছেলে খোরশেদ আলী (১৮)। আহতরা হলেন, নিহত শহিদুল ইসলামের মেয়ে শষি খাতুন, মোহনপুরের তেবাড়ি সাধুপাড়া এলাকার আরজেদ খান (৪০) ও বাস চালক পামেল (২৫)। এছাড়া বাকিদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে শাহ মখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার পুঠিয়া বেলপুকুর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তুহিন পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে। এতে ১০ যাত্রী আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালেসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আহতরা হলেন, নাটোর সদরের মৃত আশরাফের ছেলে শাহারুখ, সুমন শেখের মেয়ে সুমনা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ফাইন্যান্স বিভাগের আমিন উদ্দীন, নগরীর ডাশমারি এলাকার হাসানের স্ত্রী রিতা, চারঘাট উপজেলার জেলেখা, ঝিনাইদহের কুদ্দুসের ছেলে সৈকত, নন্দনগাছির মুনসুর আলীর ছেলে হাসান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কারিবুলের স্ত্রী সীমা, দুর্গাপুরের মৃত মান্নানের ছেলে গোলাম, সিংড়া উপজেলার ইমরানের মেয়ে ইমা। রাজশাহীর পবা হাইওয়ে পুলিশের শিবপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করেছন।
এর আগে গত শুক্রবার ভোরে গোদাগাড়ীতে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সামসুল হক (৪০) এর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গোদাগাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিপজুর আলম মন্সি নিশ্চিত করে বলেন, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৪ টার দিকে নাটোর হতে ছেঁড়ে আসা ফল বোঝায় একটি পিকআপ ট্রাক গোপালপুর এলাকায় পৌঁছলে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের রাস্তায় দাঁড়ানো অপর একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপটিতে থাকা যাত্রী সামসুল ঘটনাস্থলেই মারা যান। অপর এক যাত্রী আবুল হায়াতের (৩০) দুই পা ভেঙে আহত হন।
গত ১৪ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে নাটোরের দিঘাপতিয়ায় বাসের ধাক্কায় এক জেএসসি পরীক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরো একজন। সদর উপজেলার নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের দিঘাপতিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার ইসলাবাড়ী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ও বাকশোর ইসলাবাড়ী দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র জহুরুল ইসলাম (১৮) এবং একই এলাকার ঈদ্রিস আলীর ছেলে ও দিঘাপতিয়া পিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নূর মোহম্মদ মিম (১৪)। পুঠিয়ার ঝলমলিয়া হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চত করেছন।
গত ১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নাটোরে ট্রাক্টর ও অটো রিক্সার সংঘর্ষে এক জন নারীসহ তিন জন নিহত হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে আরো চার জন। সদর উপজেলার নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের রাইচান ব্রিজের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার ভুবনতারা গ্রামের মোহম্মদ কালুর ছেলে মোহম্মদ শরিফ, তার স্ত্রী রেশমা বেগম ও নাটোর শহরের বড়গাছা এলাকার তোফাজ্জল হোসেন নামের অটোর অপর এক যাত্রী মারা যায়। ঝলমলিয়া হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চত করেন।
গত ১৫ নভেম্বও বুধবার দুপুরে গোদাগাড়ীতে ভটভটির সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এতে ভটভটির যাত্রী স্বামী স্ত্রী নিহত হয়। নিহতরা হলেন, নারায়পুর গ্রামের আব্দুল করিম (৩২) ও তার স্ত্রী। এঘটনায় আরো একজন আহত হন। গোদাগাড়ী মডেল থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) আকবর আলী সড়ক দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতদের লাশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক চাই রাজশাহীর জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট তৌফিক আহসান টিটি বলেন, সড়কের বেহাল দশার কারণেই এ দুর্ঘটনাগুলো ঘটছে। সড়কগুলো খুদ দ্রুত সংস্কার করতে হবে। চালকদের আরো সচেতন হতে হবে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (ট্রাফিক) সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম বলেন, চালকদের আরো সচেতন হতে হবে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে।

বরেন্দ্রঞ্চলে ধানের ফলন কম: হতাশায় কৃষকরা

রাজশাহী ব্যূরো: বরেন্দ্র অঞ্চল জুড়ে পুরোদমে চলছে আমন কাটা-মাড়াই। মাঠের ধান উঠেছে উঠানে। তবে, ফলন কম হওয়াই হতাশায় ভুগছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকেরা। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পোকার আক্রমনকে দায়ী করছেন কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা। ফলন কম হলেও ধানের দাম ভাল থাকায় অল্প হলেও স্বস্তিতে রয়েছে এ অঞ্চলের কৃষকেরা।
কৃষকেরা জানান, প্রতি বিঘায় গড়ে ধান হচ্ছে ১০ থেকে ১৩ মণ করে। গত বছর হয়েছিল ১৮ থেকে ২০ মণ। বর্তমানে বাজারে ধানের দাম রয়েছে প্রতিমণ ৮৪০ থেকে ৮৭০ টাকা পর্যন্ত। গত বছর এ সময় ধানের দাম ছিল প্রতিমণ ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা। তাদের হিসাবে গত বছরের চেয়ে চলতি মৌসুমে শুরু থেকেই ধানের দাম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা বেশি।
এ দিকে সরকার আমন ধানের মুল্য নির্ধারণ করেছেন। প্রতি কেজি ২৬ টাকা দরে ধান কিনবে সরকার। সরকারে নির্ধারিত মুল্যে একমণ ধানের দাম এক হাজার ৪০ টাকা হবে। কিন্ত এখন পর্যন্ত ধানের বাজারে সরকারের নির্ধারিত দামের প্রভাব পড়েনি। বাজারে একমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৮৩০ থেকে ৮৭০ টাকা পর্যন্ত।
রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় আমনের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ২২৪ হেক্টর জমিতে। এছাড়াও রাজশাহী অঞ্চলের, রাজশাহী, নঁওগা, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আমন চাষাবাদ হবে আরো ৩ লক্ষ্য ৫০ হাজার হেক্টরের উপরে।
রাজশাহীর তানোর উপজেলার পাঁচন্দর গ্রামের কৃষক জামিনুর রহমান। ১২ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চলতি মৌসুমে আমন চাষাবাদ করেছিলেন তিনি। মাঠে ধান ভাল থাকায় বুকে অনেক স্বপ্ন বেধেছিলেন তিনি। ধান কাটা-মাড়াই শেষ হয়েছে সোমবার। সে হিসাব করে দেখেন তার বিঘা প্রতি ১২ মণ করে ফলন হয়েছে। মাহজনকেই দেয়া লাগবে প্রতি বিঘায় ১০ মণ ধান।
জামিনুর রহমান জানান, ক্ষেতে অনেক খরচাপাতি করে ধান ভালই হয়েছিল। কিন্ত ধান আধাপাকা অবস্থায় দুই দিনে নি¤্নচাপ ও ঝড়ো হাওয়াই তার ক্ষেতের ধার মাটিতে পড়ে যায়। সে সাথে দেখা দেয় পোকার আক্রমন। তার কারণেই তার ফলন বিপর্যয় হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
এমন ফলন বিপর্যয় শুধু কৃষক জামিনুর রহমানের একাই নয়, বরেন্দ্র অঞ্চলের শতকরা ৭০ ভাগ কৃষকের এবার ফলন বিপর্যয় হয়েছে প্রাকৃকিত দুর্যোগ ও পোকার আক্রমণের কারণে।
সরেজমিন বৃহস্পতিবার গোদাগাড়ী উপজেলার কাকন হাট ও সোমবার তানোর উপজেলার মুণ্ডুমালা হাটে গিয়ে দেখা যায় হাটে নতুন ধান উঠতে শুরু করেছে।মাঠের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ধান কাটা-মাড়াই শেষ করেছেন কৃষকেরা।কাকন হাটে নতুন সুমন স্বর্না জাতের ধান বিক্রি হচ্ছে মান ভেদে ৮৪০ থেকে ৮৮০ টাকায়।
তানোর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সমসের আলী জানান, চলতি মৌসুমে আমন ক্ষেতে যে ভাবে ধানের মাথা ছিল তাতে বাম্পার ফলনে আশা ছিল শতভাগ। মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তার পোকা দমনে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। কিন্ত শেষ মহুতে সকল চেষ্টা ব্যার্থ হয়ে গেল প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে। ক্ষেতে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ধান মাটিতে পড়ে যাওয়াই ফলন কমে গেল কৃষকের। তবে বাজারে ধানের দাম থাকায় কিছুটা ক্ষতি পুষিযে নিতে পারবে কৃষকেরা বলে জানান এ কৃষি কর্মকর্তা।

রাজশাহীতে খরা সহনশীল ও পানি সাশ্রয়ী রবিশস্যের বীজবিনিময় অনুষ্ঠিত

রাজশাহী ব্যূরো: পানি সংকটসহ খরা প্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চল উপযোগী শস্য ফসলের চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলতি রবি মৌসুমে রবিশস্যের বীজবিনিময় ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বরেন্দ্র অঞ্চলের জনসংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার রাজশাহীর পবা ও তানোর উপজেলায় নিয়মিতভাবে বীজবিনিময় ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবা উপজেলার বিলনেপাল পাড়ায় উক্ত বীজনিমিয় ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
চলতি রবি মৌসুমে কম পানি নির্ভর এবং খরাসহনশীল ১৩ ধরনের বীজবিনমিয় হয়। জাতগুলোর মধ্যে তিসি, তিল, মটর, যব, জাউন, বাকলা কালই, গুজিতিল, খেসারি, মশূর, কুশুম ফুল, সরিষা, কালিজিরা, জিরা মসলা। উক্ত বীজবিনিময় ক্যাম্পে বারসিক ৫০ জন কৃষককে তাঁদের চাহিদানুযায়ী বিনামূল্যে বীজ প্রদান করে। এ ছাড়াও তানোর এবং পবা উপজেলার জনসংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ৩৫০ জন কৃষক কৃষাণী বিনামূল্যে শাকসবজীর বীজবিনিময় করেন।
বীজবিনিময় ক্যাম্পে উপসিস্থত ছিলেন পবা উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তৈয়ব আলী, বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চল সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম, সহযোগী কৃষি কর্মকর্তা অমৃত কুমার সরকার, বিলনেপাল পাড়া চাষী ক্লাবের সাংগঠকি সম্পাদক নুরুল ইসলামসহ এলাকার কৃষক কৃষাণী গণ।
বীজবিনিময় ক্যাম্পে উপজেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মোঃ তৈয়ব আলী বীজ বপন এর নিয়ম কানুনসহ ফসলগুলোর চাষাবাদ সম্পর্কে কৃষকদের পরামর্শ দেন। একই সাথে বিগত দিনের অভিজ্ঞতা থেকে দক্ষ ও সফল কৃষকগণ তাদের অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন- “ বরেন্দ্র অঞ্চলে যেভাবে দিনে দিনে পাতালের পানি নীচের দিকে যাচ্ছে, তাতে অদুর ভবিষ্যতে আমদেরকে পানি সংকটে পড়তে হবে। তাই এখন থেকেই আমদের কমপানি নির্ভর শস্য ফসলের চাষাবাদ শুরু করতে হবে।
বারসিক বরেন্দ্র অঞ্চলের সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম বলেন-“ স্থানীয় কৃষক এবং বারসিক গতবছর রবিশস্যের উক্ত জাতগুলো নিয়ে পরীক্ষামূলক চাষ করা হয়েছিলো , কিছু জাত চাষে কৃষক সফলতা পাওয়া এবার সেগুলো আরো বেশী চাষ করতে আগ্রহী হয়েছে কৃষকগণ, যার ফলে অতিরিক্ত চাহিদার দিকগুলো বারসিক এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সহযোগীতা করছে।”
তিনি আরো বলেন রবিশস্যের চাষাবাদ খরচ কম হওয়ায় লাভ বেশী হয়। কৃষকরা এসব জাত চাষকরে যেমন নিজে লাভবান হবেন , তেমনি বরেন্দ্র অঞ্চলের পরিবেশ প্রতিবেশ রক্ষায়ও ভুমিকা পালন করবে।

তানোরে মাদ্রাসার ৮ম শ্রেনীর অপহৃত ছাত্রী উদ্ধার: অপহরণকারী গ্রেফতার

রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহীর তানোরে মাদ্রাসার ৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে (১৪) অপহরণের মামলায় ১ জনকে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে রাজশাহী নগরী থেকে অপহরনকারীসহ ভিক্টিমকে উদ্ধার করা হয়। ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে থানায় মামালা দায়ের করেছে।
মামলার বিবরণ সুত্রে জানা গেছে, তানোর পৌর এলাকার ভাতরন্ড গ্রামের জৈনক ব্যক্তির মাদ্রাসা পড়–য়া ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়া আসার পথে তানোর কামারগাঁ ইউপি’র মাদারীপুর গ্রামের সেকেন্দার আলী ছেলে মাসুদ রানা (২০) তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। বিষয়টি ওই ছাত্রী তার পিতাকে জানায়। ছাত্রীর পিতা বিষয়টি নিয়ে মাসুদ রানার পরিবারের সদস্যদের জানায়। মাসুদ ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে আসার সময় সোমবার বিকালে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
তবে ওই ছাত্রীর সাথে সম্পর্ক দাবি করে মাসুদের পিতা বলেন, আমার ছেলে অটো গাড়ি চালায়। ওই ছাত্রী সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে মাসুদ রানাকে আসামী করে তানোর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। সেই মামলায় মঙ্গলবার সকালে মাসুদ রানাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহীতে শুরু হয়েছে বিএনসিসির ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পেইন

রাজশাহী ব্যূরো: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ থেকে শুরু হয়েছে ৭ দিনব্যাপী ৩১ ও ৩৫ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের “ব্যাটালিয়ন” ক্যাম্পেইন। মঙ্গলবার সকালে এর উদ্বোধন করেন রাবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা।
এই ক্যাম্পে রাজশাহী ছাড়াও নাটোর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ, ও পাবনা জেলার ২৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৬০ জন ক্যাডেট অংশ নিচ্ছে। ক্যাম্পে অংশগ্রহনকারী ক্যাডেটদের শরীর চর্চা, ড্রিল, নেতৃত্বদান, সামরিক শৃঙ্খলা, স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস, রণকৌশল ও ক্ষুদ্রাস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকাণ্ডের উপর প্রশিক্ষন দেয়া হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft