1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন

নড়াইলের কালনা সেতু : দরপত্রের তারিখ বাড়ল

  • Update Time : বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১৭ Time View

 

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এবং বৃহৎ মধুমতি নদীর ওপর নড়াইল-গোপালগঞ্জের কালনা সেতুর দরপত্র গ্রহণের শেষ তারিখ আরও এক মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। দরপত্র গ্রহণের শেষ দিন ছিল। কিন্তু ঠিকাদারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। বিস্তারিত আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের রিপোর্টে, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কালনা সেতু নির্মিত হলে বেনাপোল স্থলবন্দর-যশোর-নড়াইল-পদ্মা সেতু-ঢাকা-সিলেট-তামাবিল সড়কের মাধ্যমে ‘আঞ্চলিক যোগাযোগ’ স্থাপিত হবে। ৬ লেন বিশিষ্ট কালনা সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ৬৯০ মিটার এবং প্রস্থ ২৮ দশমিক ৫ মিটার। এছাড়া নড়াইলের কালনা এবং গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া দুই অংশে ৪ দশমিক ৩০ কিমি অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এজন্য ৭০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। এখন যৌথ পর্যবেক্ষণ চলছে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে এ বৃহৎ সেতু নির্মিত হবে। এ সেতু নির্মিত হলে খুলনা বিভাগের সাথে ঢাকাসহ অন্যান্য অঞ্চলের যাতায়াতের ক্ষেত্রে জ্বালানি খরচ কম ও সহজ হবে। কৃষি পরিবহন ও বিপণন সহজ হবে।

চাঙা হবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। এর সুফল পাবে খুলনা বিভাগ ও আশেপাশের অন্তত ২০টি জেলার কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সর্বসাধারণ। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি একনেক সভায় ২৪৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নড়াইল-গোপালগঞ্জ জেলার সীমান্তবতী মধুমতি নদীর ওপর কালনা ঘাটে চার লেন বিশিষ্ট কালনা সেতু প্রকল্পটি অনুমোদিত হয় এবং এর এক বছর পর ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্থর উদ্বোধন করেন। কিন্তু এর পৌনে তিন বছর পর জাইকার সহায়তায় নতুন নকশায় এবং বৃহৎ বাজেটে ছয় লেন বিশিষ্ট এ সেতু নির্মিত হচ্ছে। সোমবার (২০ নভেম্বর) নড়াইল বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী জহিরুল হক জানান, নড়াইল থেকে ঢাকার দূরত্ব ১২৭ কিমি, বেনাপোল-ভায়া কালনা-ঢাকা ২০১ কিমি, যশোর-ঢাকা ১৬১ কিমি, খুলনা-বসুন্দিয়া-কালনা-ঢাকা ১৯০ কিমি।

সেতুটি নির্মিত হলে ঢাকার সাথে দূরত্ব কমবে প্রায় ২০০ কিলোমিটার। সেতু বাস্তবায়নকারী প্রকল্প ‘ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট বাংলাদেশ’-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুমন সিংহ এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে জানান, গত ১২ সেপ্টেম্বর সেতুর দরপত্র আহবান করা হয়। সোমবার (২০ নভেম্বর) দরপত্র গ্রহণের শেষ দিন থাকলেও ঠিকাদারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ১৮ ডিসেম্বর দরপত্র গ্রহণের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে এবং একই দিন দরপত্র উন্মুক্ত করা হবে। তিনি সেতুর প্রাক্কলিত ব্যয় সম্পর্কে বলেন, সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১২শ’ কোটি টাকা। তবে এ ব্যয় বাড়তে পারে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft