1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন

বগুড়ার শিবগঞ্জে সাব রেজিষ্ট্রারের অবৈধ সম্পদের হিসাব চেয়ে দুদকের নোটিস

  • Update Time : সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ১৯ Time View

06 বগুড়ার শিবগঞ্জ থেকে রশিদুর রহমান রানা: বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মির্জা গোলাম হাফিজ সোহাগের পিতা এসকেন্দার আলী ও তার পরিবারের সদস্যদের অবৈধ সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিস দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সাব রেজিস্টার এসকেন্দার আলী বর্তমানে ময়মনসিংহ্ জেলার গফরগাঁও উপজেলায় কর্মরত বলে জানাগেছে। তিনি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দামগাড়া গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

তার বর্তমান ঠিকানা বগুড়া শহরের নাটাইপাড়ায়। দুদক সম্প্রতি তার সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ প্রদান করে। সেইসাথে বগুড়ার বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকে ব্যালান্স জানতে চেয়েও চিঠি দেয় সংস্থাটি।

জানা যায়, এসকেন্দার আলী ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার সাব রেজিস্টার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠে। এরপর অভিযোগটি সম্প্রতি দুদক সম্বলিত বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম তদন্ত শুরু করেছেন। প্রথমে তাকে সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিস প্রদান করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে এসকেন্দার আলী তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। সর্বশেষ দুদক এসকেন্দার আলী, তার স্ত্রী তর্জিনা বেগম, দুই ছেলে মির্জা গোলাম হাফিজ সোহাগ ও মির্জা গোলাম সাবুর ব্যাংক স্থিতির (ব্যালান্স) তথ্য চেয়ে বগুড়ার সব বাণিজ্যিক ব্যাংকে চিঠি পাঠায়।

এদিকে এসকেন্দার আলীর গ্রামের বাড়ির বেশ কয়েকজন জানিয়েছেন তারা পাঁচ ভাইবোন। বাবার সর্বসাকুল্যে প্রায় ১৫-১৬ বিঘা জমি ছিল। সে হিসেবে এসকেন্দার পৈত্রিক সূত্রে সর্বাধিক তিন বিঘা জমির মালিক। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে এসকেন্দার আলীর নামে চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি আমবাগান গ্রামের বাড়িতে কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত দ্বিতল পাকা বাড়ি, দুটি পুকুর, ২০-২৫ বিঘা জমি, বগুড়া শহরের নাটাইপাড়ার এসপি ব্রিজ সংলগ্ন (বৌবাজারে) এক কোটি টাকা দামের ৮ শতক জমি, পাশে ৫ তলা ভবন সহ আশপাশে জমি রয়েছে।

এব্যাপারে দুদক সমম্বিত জেলা কার্যালয় বগুড়ার সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, হিসাব বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে তার দেয়া সম্পদের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এব্যাপারে সাব রেজিস্ট্রার এসকেন্দার আলীর সাথে কথা মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন, দুদক যেহেতু তদন্ত করছে তাই এব্যাপারে আমার বলার কিছু নাই, দুদুক প্রমান করুক আমার অবৈধ সম্পদ কতটুকু আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft