1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১২:০৭ অপরাহ্ন

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দেড় হাজার চালের কার্ড বাতিল: ৩ ডিলারের জরিমানা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৩৯ Time View

 

 

 
22রাজশাহী থেকে মঈন উদ্দীন: ১০ টাকা কেজির খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ব্যাপক অনিয়মের কারণে কর্মসূচি চালুর পর রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় এখন পর্যন্ত দেড় হাজার কার্ড বাতিল হয়েছে। এছাড়া তিন ডিলারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১৫ হাজার ৪১৯ জন হতদরিদ্রকে ১০ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি চাউল বিতরণ করা হচ্ছে। কিন্তু হতদরিদ্রদের জায়গায় স্বচ্ছ ব্যক্তিদেরকে এ কর্মসূচির কার্ড প্রদানের অভিযোগ ওঠে। তদন্ত করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ৯টি ইউনিয়নে এক হাজার ৬১৯টি কার্ড বাতিল করে হতদরিদ্রদের মাঝে নতুন করে কার্ড বরাদ্দ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সবচেয়ে বেশি কার্ড বাতিল করা হয়েছে গোগ্রাম ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নের ৩০১ জন স্বচ্ছল ব্যক্তির কার্ড বাতিল করা হয়। এছাড়া পাকড়ী ইউনিয়নের ২৫০, মাটিকাটা ইউনিয়নে ২৮১, দেওপাড়া ইউনিয়নে ২৭২, চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে ২২১, বাসুদেবপুর ইউনিয়নে ১৯, মোহনপুর ইউনিয়নে ৩৮ ও গোদাগাড়ী সদর ইউনিয়নে ৩৪টি কার্ড বাতিল করা হয়।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলাওল কবির বলেন, চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের আবুল কাশেম ও মাইনুদ্দীন নামের ডিলারের বিরুদ্ধে চাউল আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে ১০ হাজার করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই দুইজন ডিলারের বিরুদ্ধে কার্ডে দুইবার স্বাক্ষর ও টিপসই নিয়েএকবার চাল দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে গোগ্রাম ইউনিয়নের মিজানুর রহমান নামে এক ডিলারকে জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্তও করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ নেওয়াজ বলেন, হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজির চাল বিতরণ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নে একজন মনিটরিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি নিজে এবং খাদ্য কর্মকর্তা বিষয়টি তদারকি করছেন। কোথাও কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে তাৎক্ষণিকভাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft