1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইদহে ব্যাপক সাড়া পড়েছে সুবল লতা ধান চাষে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৬
  • ৩৬ Time View

04ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহে উদ্ভাবনকৃত সুবললতা ধান কৃষকের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। এবার  আমন মৌসুমে এ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষক এখন এ ধানের মাড়াইকাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উৎপাদন সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধান আফ্রিকা থেকে আনা নেরিকা জাতের ধানকেও টপকে গেছে।

কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের আহসাননগর গ্রামে কৃষক সুবল বিশ্বাস ২০০৬ সালের দিকে এ ধান উদ্ভাবন করেন। ওই বছর তিনি তার জমিতে কাজললতা ধান চাষ করেন। এ ধানের মধ্যে ১টি ধানের শীষ খুবই পুষ্টিকর হয়। সেই ধান থেকে ২০০ গ্রাম ধান সংগ্রহ করেন। পরে ওই ধান বোরো মৌসুমে ১ শতক জমিতে চাষ করে ১ মণ বীজ উৎপাদন করেন।

এরপর গ্রামের ১৪-১৫ জন কৃষকের মধ্যে ধান বিতরণ করেন। শুরু হয় বিপ্লব। বিঘাপ্রতি জমিতে ৩০ থেকে ৩২ মণের কাছাকাছি ধান পাওয়া যায়। ঝড় ও দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা রয়েছে এ ধানের। এর উচ্চতা ৮৫-৯০ সেন্টিমিটার, গাছ শক্ত হয়, চিটা হয় কম। এ ধান চাষে উৎপাদন খরচও একেবারে কম। আয়ুষ্কাল ১২০ দিন।

বর্তমানে ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, মাগুরা, সাতক্ষীরা, রাজশাহী, বগুড়া, বরিশালসহ প্রায় ২০টি জেলায় এ ধান চাষ হচ্ছে। এমনকি পাশের দেশ ভারতের কৃষকও বীজ নিয়ে এ ধানের চাষ করছেন।

এলাকার কৃষক অভাবনীয় সাফল্যের কারণে কৃষক সুবলের নাম দিয়ে এ ধানের নাম রাখেন ‘সুবললতা’। তবে এ ধান ব্যাপকভাবে চাষ হলেও ধান উদ্ভাবনের বিষয় মানুষের অজানা রয়ে গেছে। সেই সঙ্গে অনেক কৃষক চাইছেন, এ ধান যেন রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পায়।

সুবললতা ধান উদ্ভাবনকারী কৃষক সুবল বিশ্বাস জানান, ইরি, বোরো, আউশ— এ তিনটি মৌসুমে এ ধানের বাম্পার ফলন হয়। অন্যান্য ধানের তুলনায় সার, কীটনাশক কম লাগে। ফলনের দিক থেকে লাভ হয় বেশি। এ ধানের চালও চিকন, ভাত খেতেও খুব সুস্বাদু।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ড. খান মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘একটা ভালো ধানের জাত বের করতে হলে বিভিন্ন রকম বৈজ্ঞানিক কর্মপন্থা অবলম্বন করতে হয়।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষক সুবল বিশ্বাস এ ধানটি আবিষ্কার করেছেন। তাই আমাদের সিট বোর্ড এ ধানের জাতটা আত্মপ্রকাশ করলে দেশের কৃষক অত্যন্ত লাভবান হবেন বলে আমি মনে করি।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft