আজকের জাতীয় পত্রিকাসমূহে প্রকাশিত সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয়

55555এশিয়ানবার্তা: আজকের জাতীয় পত্রিকাসমূহে প্রকাশিত সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয়

ইত্তেফাক : সারাদেশে ২০ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের জরাজীর্ণ অবস্থার চিত্র তুলে ধরে এসব স্কুল ভবনের নির্মাণ ও সংস্কার কাজের তদারকিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও নির্মাণ কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় থাকার ওপর গুরুত্বারোপ।
সংবাদ : কুইক রেন্টালের মেয়াদ বৃদ্ধি ও সংখ্যা বাড়লে রাষ্ট্রের ভর্তুকিও বাড়বে, সেজন্য কুইক রেন্টাল নির্ভরতা কমাতে বিকল্প পথ অবলম্বন করার সুপারিশ।
জনকণ্ঠ : ব্র্র্যাকের সাম্প্রতিক জরিপের বিশ্লেষণে দেখা যায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ন্যায়বিচার পাচ্ছে। সেজন্য ব্র্যাকের মতো অন্যান্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাসমূহকে মানবাধিকার ও আইনি সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান।
প্রথম আলো, ইনকিলাব, ইন্ডিপেনডেন্ট, ডেইলি সান, অবজারভার : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ছুরি নিয়ে হামলার ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে শংকা ও উদ্বেগ বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্রুটি দূর করে নিরাপত্তা জোরদার করার সুপারিশ।
যায়যায়দিন : ক্রসফায়ারে গত নয় দিনে ১৩ জনের মৃত্যু হওয়ায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- রোধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান।
ইন্ডিপেনডেন্ট : দেশ থেকে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ
ডেইলি স্টার : ঢাকা-চট্টগ্রাম আট লেনের মহাসড়ক অবৈধ দোকান ও গাড়িপার্কিংয়ের কারণে চার লেনে হয়ে পড়ায় কর্তৃপক্ষকে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জোরদার করে সড়ক দখলমুক্ত করার সুপারিশ।
নিউ এজ : জমি দখলমুক্ত করতে গিয়ে সংঘর্ষে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের রংপুর চিনিকলের সাঁওতাল শ্রমিক  নিহত হওয়ায় সরকারকে জমিদখলমুক্ত করার আগে সাঁওতালদের যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করে সম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে।

উপ-সম্পাদকীয়

ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত কলামে যদি সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশে নগরায়ন, শিল্পায়ন, তরুণ জনশক্তির সমন্বয় ঘটানোর স্বার্থে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা যায়, তাহলে বাংলাদেশের উন্নয়নের গতি ঠেকিয়ে রাখা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিবন্ধ ও ফিচার
সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘প্রবীণদের প্রতি আমাদের করণীয়’ শিরোনামের নিবন্ধে কামরুন নাহার মুকুল আজকের তরুণরাই আগামী দিনের প্রবীণ, ভালবাসা ও আনন্দ-বেদনার মাঝে প্রবীণরা পরিবারেই বসবাস করতে চায় সেজন্য বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক প্রবীণদের আপন ঠিকানা বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.