আজকের জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসমুহে প্রকাশিত সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয়

55555এশিয়ানবার্তা: আজকের জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোর সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয়
# ইত্তেফাক : ২২৮ বছরের পুরনো ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারকে জাদুঘর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ যথার্থ বলে অভিমত।
# সংবাদ : রাজধানীর গুলশান, বনানী ও বারিধারার আবাসিক প্লটকে রাজউকের বাণিজ্যিক বৈধতা দেওয়ার আগে গণশুনানীর মাধ্যমে বসবাসরতদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুপারিশ।
# জনকণ্ঠ : বাংলাদেশে গাছপালা, পাহাড়, টিলা, বনাঞ্চল কমতে কমতে একেবারে তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় এই দুরবস্থা প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান।
# প্রথম আলো : রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের দ্রুত নগরায়ণের পরিকল্পনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হলে নগরায়ণের সমস্যা দিন দিন জটিলতার আকার ধারন করার আশঙ্কা প্রকাশ ।
# সমকাল : বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আইনের নানা সুফল তুলে ধলে এই ব্যবস্থা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ।
# যুগান্তর : রাজধানীর মধ্যবাড্ডায় প্রধান সড়কে হোসেন মাকের্টের সামনে ময়লার স্তুপের সমস্যার সমাধানে স্থায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান।
# ইন্ডিপেনডেন্ট : বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচারের নামে অর্থ পাচারের ব্যবস্থা বন্ধে সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ।
# ডেইলি সান : পাটের গৌরব ফিরিয়ে আনতে পাট পণ্যের বহুমুখীকরণের দ্বারা নানাবিধ পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ।
# ডেইলি স্টার : ক্ষমতাশীল ও সম্পদশালী  নদীখেকোদের দখলে পড়ে ঢাকার তুরাগ নদী মৃতপ্রায় হয়ে পড়ায় নদী সুরক্ষায় দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা ।
# নিউজ টুডে : আগুন লাগার দুর্ঘটনা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জলাধার তৈরি করার সুপারিশ।

উপ-সম্পাদকীয়

সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত কলামে কর আহ্বানে করদাতা ও  কর আহরণকারীদের মধ্যকার দূরত্ব যত কমে আসবে তত অধিকমাত্রায় করদাতা কর নেটের আওতায় আসবে ফলে কর রাজস্ব আহরণে সুষম, সহনশীল ও দায়িত্ববোধের বিকাশ ঘটবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিবন্ধ ও ফিচার

সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘কুষ্ঠমুক্ত ও অধিকারভিত্তিক সমাজের সন্ধানে’ শিরোনামের নিবন্ধে মো. সাজেদুল ইসলাম কুষ্ঠরাগ দূরীকরণে ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন যাতে আমরা কুষ্ঠমুক্ত ও অধিকারভিত্তিক একটা সমাজ পেতে পারি বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন।

সম্পাদনায় :: এফ শাহজাহান / উম্মে ফারিয়া আক্তার মীম / আব্দুল খালেক নান্নু / ফারজানা শ্রাবণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.