1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট ইঞ্জিনিয়ারিং সিলেবাসে রামায়ন মহাভারত থাকলে কুরআন বাইবেল থাকবে না কেনো ? মসজিদের জমিতে শিবলিঙ্গ স্থাপন করে মন্দির বানানোর পাঁয়তারা নিজের হাতেই করুন নিজের জীবন বাঁচানোর পরীক্ষা পরীমনির হাতের মাঝে হৃদয়ের ভাষা খাড়ালেই ভোট দাঁড়ালেই এমপি : রাজনীতিতে নির্বাচনী দৌড়ঝাঁপ শুরু বিশ্বের মুসলিম স্কলারদের অভিনন্দন তালেবানদের : খুলাফায়ে রাশেদার দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহবান পাকিস্তানের আগেই তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি ভারতের মহাসমারোহে চলছে ফ্রি ফায়ার পাবজি ভুয়া খবরে লাইক শেয়ার কমেন্ট বেশি যে কারনে ধর্মের নামে ব্যবসা : ইমামতি ছেড়ে ২০ হাজার কোট টাকার মালিক মুফতি রাগীব হাসান

নাটোরে ১০ কেজি চাল উত্তোলনে অনিময় খাদ্য কর্মকর্তা প্রত্যাহার: তদন্ত কমিটি গঠন

  • Update Time : বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০১৬
  • ২৭ Time View

10 নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরে হতদরিদ্রদের জন্য দেয়া সরকারের ১০ টাকা কেজি চাল উত্তোলনে ব্যপক অনিময়ের অভিযোগে সদরের ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা (ওসি, এলএসডি) মোহাম্মদ নুরুজ্জামানকে প্রতাহার করে দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দেশে চালের বাজার স্থিতিশীল রেখে সহায় সম্বলহীন হতদরিদ্র ব্যক্তিদের মাঝে কার্ডের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির জন্য খাদ্য গুদাম থেকে চাল ওঠাতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বিভিন্ন অংকের উৎকোচের টাকা গুণতে হচ্ছে এমন অভিযোগে নাটোর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামানকে  মঙ্গলবার বিকেলে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কামাল হোসেন প্রত্যাহারের এই নির্দেশ দিয়ে পাবনার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল কাদেরকে প্রধান ও বগুড়ার উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ওমর ফারুককে সদস্য করে মোট দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। এব্যাপারে নাটোরের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিরুল ইসলাম জানান, গঠিত তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যেই তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। দোষ প্রমাণ হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বব্যস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যপারে নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন জানান, বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কমকর্তাকে জানিয়ে দিয়েছেন। এরা আগে নাটোর সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা এবং খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ডিলারগণ। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেও তার কোন প্রতিকার পাননি বলে জানান। উল্টো তাদেরই হতে হয়েছে হয়রানির শিকার।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার হতদরিদ্রের জন্য ১০ টাকা কেজি দরের চাল নাটোরের সাত উপজেলার ১৪৬ জন ডিলারের মাধ্যমে ছয়শ’ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের ছাতনী দিয়ার পয়েন্টের ডিলার কুতুব উদ্দিন জানান, তিনি ১০ টাকা কেজির বরাদ্দকৃত চালের ডিও লেটার (চাল উত্তোলনের ছাড়পত্র আদেশ) নিতে গেলে টন প্রতি তার কাছে দুইশ’ টাকা করে মোট দুই হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে অনুরোধ করে তিনি

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জগদিশ চন্দ্রকে বারশ’ টাকা দিয়ে ছাড়পত্রটি গ্রহণ করেন। এরপরে খাদ্য গুদামে চাল উত্তোলন করতে গেলে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি,এলএসডি) মোহাম্মদ নুরুজ্জামান দাবি করেন আরো দুই হাজার টাকা। সেখানে দিতে হয় আরো এক হাজার টাকা। এছাড়াও খাদ্য গুদামের শ্রমিকদের দিতে হয় টন প্রতি একশ’ টাকা করে। এতে হত দরিদ্রদের জন্য বিতরণের চাল উত্তোলনের সময় গুণতে হচ্ছে বিভিন্ন অংকের উৎকোচের টাকা।

কুতুব উদ্দিন অভিযোগ করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক টেলিফোন করে সকল ডিলারদের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে অথবা তাদের বাড়ি গিয়ে টাকা নেওয়া হচ্ছে না মর্মে লিখিত নিচ্ছেন। একইভাবে কাফুরিয়ার জালাবাদ পয়েন্টের ডিলার রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, অভিযোগ করেই তিনি বিপাকে পড়েছেন। নানাভাবে তাকে হয়রানী করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাদ্য বিভাগের চাল সরবরাহকালী  অন্য আরো একজন ডিলার জানান, নাটোরের খাদ্য বিভাগ একটি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সেখানে টাকা না দিলে কোন কাজই হয়না।

ভাল ধান-চাল সরবরাহের সময়েও তারা নানান দোষ-ত্রুটি বের করলে টাকা দিয়ে সুরাহা করতে হয়। খাদ্য শষ্য উত্তোলনের জন্য ডিও তোলা থেকে শুরু করে চাল, গম অথবা ধান গোডাউনে ঢুকানো বা বের করার প্রতিটি পর্বেই উৎকোচের টাকা গুণতে হয়। তারা স্থায়ীভাবে ধান-চাল সরবরাহের ব্যবসা করার কারণে হয়রানীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননা বলেও জানান। এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জগদিশ চন্দ্র বলেন, উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ সঠিক নয়, মনগড়া কথা যে কেউ বলতেই পারেন।

খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, তিনিও কোন টাকা-পয়সা নেন না তবে গুদামের শ্রমিকরা নিয়ে থাকতে পারেন। অভিযোগ পেলে সে বিষয়ে তিনিও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন তবে ব্যবস্থা নেননি। শ্রমিক সর্দার বাবু বলেন, তারা ডিলাদের কাছ থেকে চেয়েই বকশিস নেন তবে অফিসে সাহেবদের দিতে হয় কিনা তা তাদের জানা নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft