আজকের জাতীয় পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয়-উপসম্পাদকীয়

55555এশিয়ানবার্তা:  # ইত্তেফাক #  ভিক্ষুক পুনর্বাসনে পল্লি কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের সমৃদ্ধি কর্মসূচির মতো বিভিন্ন এনজিও এব সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণের দ্বারা বহু ভিক্ষুককে পুনর্বাসন করা সম্ভব হবে বলে অভিমত।

সংবাদ ও ইনকিলাব : সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে বিচার বিভাগে দ্বৈত শাসন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে প্রধান বিচারপতির অভিমত সরকার ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করবেন বলে প্রত্যাশা।

জনকণ্ঠ, ইনকিলাব, ভোরের কাগজ, নিউজ টুডে, ইন্ডিপেনডেন্ট, অবজারভার, ডেইলি সান : ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা ও হবিগঞ্জের মাধবপুর এবং মাগুড়ার মোহাম্মদপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বাড়ি-ঘরে হামলার ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের ব্যবস্থা করার সুপারিশ।

প্রথম আলো : বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তারা বর্তমান ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনের যে দাবি তুলেছেন তা অযৌক্তিক ও  অগ্রহণযোগ্য বলে অভিমত।

যুগান্তর : সৌদি আরবের শ্রমবাজারে সরকারিভাবে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধে অপতৎপরতা চালানো সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর হওয়ার সুপারিশ।

ইন্ডিপেনডেন্ট : শিক্ষা জীবন শেষে তরুণদের পোলট্রি ফার্মিং, ডেইরি ফার্মিং, পিসিকালচার, নার্সারি ও এপিকালচার প্রভৃতি নানাবিধ কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার কাজে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান।

ডেইলি সান : শিশু নির্যাতনের ঘটনার দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের কঠোর শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করলে শিশু নির্যাতনের ঘটনা হ্রাস পাবে বলে প্রত্যাশা।

ডেইলি স্টার : নির্বাচন কমিশনকে সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে প্রয়োজনে নতুন করে আইন প্রবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ।

নিউ এজ : দেশের বিভিন্ন শহরে বায়ু দূষণের মাত্রা স্বাভাবিক মাত্রায় চেয়ে অনেক বেশি উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষকে অতি দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ।

উপ-সম্পাদকীয়

সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত কলামে কৃষি প্রযুক্তির বিকাশে ব্যাংক ঋণ নীতিমালায় প্রয়োজনীয় পরির্তন ও সংস্কার করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিবন্ধ ও ফিচার

ইনকিলাব পত্রিকায় প্রকাশিত ‘সংস্কৃতির দিকে নজর দিতে হবে’ শিরোনামের নিবন্ধে মো. এনামুল হক খান গ্রামে সংস্কৃতি চর্চা নিশ্চিত করলে শিক্ষিতের হার বাড়বে। প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন মানুষের সংখ্যা বাড়বে। এতে করে মুক্ত চিন্তার মানুষের সংখ্যা বাড়বে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন।

সম্পাদনায় : এফ শাহজাহান / উম্মে ফারিয়া আক্তার মীম / আব্দুল খালেক নান্নু / ফারজানা শ্রাবণী ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.