1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৪:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

রাজশাহীতে পদ্মা পাড়ের সড়ক ধস

  • Update Time : সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৬
  • ১৮ Time View

07রাজশাহী বুরো প্রতিনিধি : রাজশাহী মহানগরীর সেখেরচক বিহারীবাগান এলাকায় পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষা একটি সড়কে ভয়াবহ ধস নেমেছে। প্রায় ২০০ মিটার সড়ক মূল সড়ক থেকে পাঁচ ফুটের মতো নিচু হয়ে দেবে গেছে। এ ছাড়া সড়কের পাশের ফুটপাতটিও দেবে গেছে। গত এক সপ্তাহ আগে কেবল ফাঁটল দেখা দেয়ার পর ধীরে ধীরে সড়ক ও ফুটপাতটি দেবে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) কর্মকর্তারা বলছেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার কারণে ধস নেমেছে সড়ক-ফুটপাতে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তারা বলছেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার কারণে সড়কে ধস নামে নি। তাদের দাবি, সড়কের নিচে থাকা আর্বজনা পচে গিয়ে ধস নামতে পারে।

রোববার সকালে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২০০ মিটার সড়কে ধস নেমে মূল সড়ক থেকে প্রায় পাঁচ ফুট নিচু হয়ে দেবে গেছে। সড়কের পাশের টাইলস বসানো ফুটপাত এবং মাটিতেও দেখা দিয়েছে ফাটল। ধসের কারণে কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুটি হেলে পড়েছে। দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে সড়কের দুই পাশে বাঁশ দিয়ে বেঁধে দিয়েছেন।
সেখেরচকের বাসিন্দা আবদুস সালাম (৫০) বলেন, ধসের কারণে ২০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বাড়ি যে কোনো মুহূর্তে ধসে পড়তে পারে। আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এলাকার প্রায় ২০০ মানুষ।

কুদরত আলী (৪০) নামে আরেক বাসিন্দা জানান, সপ্তাহ খানেক আগে সড়কটিতে ফাটল দেখা দেয়। এরপর প্রতিদিন ফাটল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধসও নামে। শনিবার ধস নামার পরিমাণ বেড়ে যায়। সিটি করপোরেশনের পানি নিষ্কাশনের ড্রেন না থাকলে বাড়িগুলো এরইমধ্যে ভেঙে পড়ত।

কুদরতের পাশ থেকে আলমগীর হোসেন (৩৫) বলেন, গত বছর বর্ষার সময় পদ্মার তীর রক্ষার ব্লক ধসে নদীগর্ভে চলে গেছে। এখন একটা ব্লকও নেই। এ বছর বর্ষার সময় মূল সড়কে ফাটল থাকা সত্ত্বেও পাশ দিয়ে ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কের পাশাপাশি এখন এই ফুটপাতটিও ক্ষতিগ্রস্ত হলো।

আলমগীরের স্ত্রী সাজেদা বেগম (৩০) বলেন, শুধুমাত্র ড্রেনের কারণে এখনো বাড়িগুলো টিকে আছে। কখন ভেঙে পড়বে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। রাতে ঘুমের মধ্যেও তিনি দুঃস্বপ্ন দেখছেন। তাদের বাড়িসহ এলাকার ইদরিস, কালাম ও খোকনের বাড়ি যে কোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে।

বিহারীবাগানের একটু ভেতরে বাড়ি মনিরা বেগমের। তিনি বলেন, সড়কের ধার ছাড়া ভেতরের বাড়ির মধ্যেও দেখা দিয়েছে ফাটল। প্রতিটি মিনিটে যেভাবে সড়কে ফাটল দেখা দিচ্ছে তাতে যে কোনো সময় বাড়িগুলোও ভেঙে পড়বে।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে ইদরিস আলীর বাড়ি। ইদরিস বলেন, ‘ভয়ে আমরা ওয়াসার পানি ব্যবহার করতে পারছি না। লাইন বন্ধ করে দিয়েছি। ব্যবহৃত পানি সড়কে মিশে যদি আরো ধস বাড়িয়ে দেয়। এই আশঙ্কায় পানি ব্যবহার করছি না। আতঙ্কে রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারছি না।’

ইদরিসের ছেলে কাওসার আলী (২২) বলেন, গত বছর এই এলাকা থেকে পাড়ের ব্লক সরে গেছে। এরপর আর ব্লক বসানো হয়নি। এ বছর ফুটপাত নির্মাণ করার সময় মূল সড়কে ফাটল ছিল। কিন্তু তা মেরামত না করেই পাশে ফুটপাত নির্মাণ করা হয়েছে। ধস নামার পরও সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি।

ধসের কারণে হেলে পড়া বৈদ্যুতিক খুটি দেখিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শেখ ফাইজুল আলম বলেন (৪৩), যে কোনো মুহূর্তে খুটিগুলো ভেঙে পড়তে পারে বাড়ির ওপর। বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সিটি করপোরেশনকে বার বার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারাও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, সড়ক ধসের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশনের কোনো ত্রুটি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। বন্যার পানি বা ব্লক সরে যাওয়ার জন্য যে ত্রুটি দেখা দিতে পারে তাও পাওয়া যায়নি। ওই এলাকার ব্লকগুলো ঠিকঠাক রয়েছে। তাতে কোনো ধরনের ফাটল ধরেনি। তবে তারা ধারণা করছেন, সড়কটির নিচ থেকে বর্জ্য পচে ধস নেমেছে।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক বলেন, তিন বছর আগে ওই এলাকায় সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে। তখন মাটিতে কোনো সমস্যা ছিল না। রোলার দিয়ে ভালোভাবে মাটি মজবুত করে তারপর সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। নিচে আবর্জনা থাকলেও সড়ক দেবে যাওয়ার কথা না। ওই এলাকায় মাটির ইরোসনের কারণে সড়কটি দেবে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews