1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের ঝুট কাপড়ের তৈরী পোশাক যাচ্ছে উত্তরাঞ্চলে

  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৬
  • ১৯ Time View

14কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে টি এম কামাল: গার্মেন্টসের ঝুট কাপড় দিয়ে পোশাক তৈরী করে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের ২০ হাজার পরিবার। এলাকার বাজার দখল করে এসব পোশাক এখন যাচ্ছে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়। কাজিপুরের শিমুলদাইড়, সাতকয়া, শ্যামপুর, ছালাভরা, কুনকুনিয়া, পাইকরতরী, ঢেকুরিয়া, বিলচতল, বেলতৈল, চকপাড়া, চালিতাডাঙ্গা, বড়শীভাঙ্গা, রৌহাবাড়ী, হরিনাথপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের গড়ে উঠেছে এসব ক্ষুদ্র পোশাক কারখানা। প্রতিটি কারখানায় সর্বনিম্ম ২টি থেকে সর্বোচ্চ ১০টি মেশিন রয়েছে।

যমুনা নদীর ভাঙন ও বন্যাকবলিত কাজিপুরের তিনটি ইউনিয়নের অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রায় ২০ হাজার নারী শ্রমিক এ শিল্পে কাজ করে প্রতিদিন ৭০ থেকে ১০০ টাকা উপার্জন করেন। প্রায় দুই যুগ আগে প্রথম ওই অঞ্চলে ঝুট কম্বল শিল্পের সূচনা হয়। ঢাকার বিভিন্ন গার্মেন্টে চাকরি করা এসব অঞ্চলের বেশ কযেক শ্রমিক ছুটিতে বাড়ী আসার সময় হাতে করে কিছু পরিত্যক্ত ঝুট কাপড় নিয়ে এসে তাদের পরিবারের নারীদের হাতে তুলে দেন। নারীরা ছোট ছোট টুকরো করে সেগুলোকে সেলাই মেশিনের সাহায্যে জোড়া দিয়ে কম্বল আকৃতি তৈরি করে নিজেদের বাড়ীতেই প্রথম ব্যবহার শুরু করেন। এগুলো বেশ গরম হওয়ায় ধীরে ধীরে এ শিল্পের প্রসার ঘটে। পরে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কাছে এটি বাণিজ্যিক রূপ পায়।

আর তখন থেকেই আশপাশের লোজন নিজেরাই আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে সংবাদ নিয়ে ঢাকা থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ করে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন শুরু করেন। প্রথমে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি শুরু এ কম্বল। ধীরে ধীরে মধ্যবিত্তের কাছেও পছন্দনীয় হয়ে ওঠে এটি। মধ্যবিত্তরা  প্রথমে তাদের বাড়ীর কাজের লোকজনের জন্য কেনা শুরু করলেও পরে নিজেরাই ব্যবহার শুরু করেন।

ঝুট কম্বল শিল্পের সঙ্গে জড়িত মালিক আমজাদ হোসেন বলেন, আমরা ঝুট কাপড়কে রিসাইক্লিং-এর মাধ্যমে নিজেদের ডিজাইনে পোশাক তৈরি করে সস্তা দামে বিক্রি করে টিকে আছি। তিনি একটি সরকারি জরিপ উদ্ধৃত করে বলেন, কাজিপুর থেকে যত ঝুট কম্বলের পোশাক উত্তরাঞ্চলে রপ্তানি হয় তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি কাজিপুরের তৈরি পোশাক। তিনি বলেন, তাদের কারখানায় পুরুষের চেয়ে নারী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি। ব্যাংক যদি আমাদের এ সময় ঋণ দেয় তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আরো অবদান রাখতে পারবো।

এ ঝুট কাপড় ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ জানান, অল্পদিনেই ঝুট কম্বলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক চাহিদাও সৃষ্টি হয়েছে। ঝুট কম্বলের কাঁচামাল ঝুট কাপড় প্রতি কেজি ১০-১২ টাকায় কেনা হতো। অথচ এখন তা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ঝুট কাপড় ভারতে যাওয়ার কারণে এখন বেশি টাকা দিয়েও চাহিদা অনুযায়ী কাঁচামাল সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মুকুল বলেন, এ সমস্ত পোশাক কারখানা কাজিপুরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সরকার যদি এদের নির্দিষ্ট একটি বড় জায়গা স্থায়ী বরাদ্দ দিয়ে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেন তাহলে অর্থনৈতিক উন্নতির সাথে সাথে পরিবেশেরও উন্নয়ন হবে। এটি হলে ব্যবসায়ীরা সরাসরি কারখানায় এসে পোশাকের অর্ডার দিতে পারবেন।

শিমুলদাইড় বাজারের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিক সমিতির সভাপতি মতিয়ার রহমান জানান, তারা ঢাকা, গাজীপুর, সাভার, টঙ্গী, নারায়গঞ্জ ও চট্রগামের পোশাক কারখানা থেকে ঝুট কাপড় সংগ্রহ করে কম্বল, ব্লেজার,  ট্রাউজার, প্যান্ট ইত্যাদি তৈরি করছেন। তিনি বলেন, কাজিপুরে ৫টি ব্যাংকের শাখা রয়েছে। এসব ব্যাংক সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে ক্ষুদ্র গার্মেন্টস মালিকরা উপকৃত হবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews