1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন

সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে সাধারণ মানুষের দিন কাটছে আলু কচু ক্যানদাইল খেয়ে

  • Update Time : সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৬
  • ২২ Time View

13 কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে টি এম কামাল: কাজের সন্ধানে সূদুর রংপুর থেকে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে এসেছেন দরিদ্র কৃষক বাচ্চু মিয়া। বয়স ষাট বছরের বেশি হলেও সারাজীবন কাজের মধ্যে থাকায় এখনো বেশ শক্ত-সার্মর্থ্য। উঠেছেন দুর্গম চরাঞ্চলের ঐতিবাহী নাটুয়ারপাড়া হাটে। কোনো কাজ না পেয়ে হাটের মধ্যে বসে আছেন। কাজের তুলনাই শ্রমিক (কামলা) অনেক বেশি হওয়ায় প্রতিদিন কামলা দিতে পাচ্ছেন না।

কাজ না থাকার কারণে আয়-রোজগার তেমন ভালো না। তবুও তিনি পেটের দায়ে এ কাজ নিয়েই আপাতত চলছেন বলে জানান। খাওয়া-দাওয়ার প্রসঙ্গ তুলতেই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন শান্ত স্বভাবের বাচ্চু মিয়া। বললেন, ‘হারা জীবন হুনছি, হামরা মাছে-ভাতে বাঙালি। এহন মাছ তো কল্পনাও হরি না, দুই বেলায় দুগগা ভাতও হামাগো ভাগ্যে জুড়ে না।’

বিরতিহীনভাবে চলতে লাগল তার ক্ষোভের কথা বলা, ‘হামরা কী মানুষ? সরকার কি হামাগো মানু মনে হরে? হামরা কী খাই, কয়বেলা খাই সরকার কি খোঁজখবর রাহে। আপনারা কী জানেন, গরিব মানুত কয় দিনে এক বেলা ভাত খায়? তীর্যক প্রশ্নবাণে জর্জরিত করা বাচ্চু মিয়ার কথার সূত্র ধরে দুর্গম চরাঞ্চলের নতুন মাইজবাড়ী গ্রামের নিম্ম আয়ের মানুষ বসবাস করেন এমন কয়েকটি পাড়ায় গিয়ে চোখে পড়ে আঁতকে ওঠার মতো দৃশ্য।

বাচ্চু মিয়া আর আয়শাদের জীবন এখন এমনই। কারণ সাধারণ নি- আয়ের মানুষের পক্ষে ৪০ টাকা কেজি দরে চাল আর ৪০ টাকা দরে সবজি কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। মাছ-গোশত যারা চানও না, মাছে-ভাতে বাঙালি প্রবাদ যারা ভুলে গেছেন, তাদের জীবন থেকে ডাল-ভাতের যুগও চলে গেছে। বাচ্চু মিয়ার কাছেই জানা গেলো, সরকার রাস্তাঘাট মোরামত করার জন্য (টিআর-কাবিখা) চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

এখন এই এলাকায় পানি থাকার কথা বলে কাজ করা হচ্ছে না বলে জানান তিনি। গতকাল কাজিপুরের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, দোকানে ৪০ টাকার কমে কোনো চাল নেই। একটু ভালো মানের চালের কেজি ৪০ থেকে ৪২ টাকা। লাউ ৩০ টাকা, কাঁচা কলা হালি ২০ টাকা, আলু ২৫ থেকে ৩০, পটোল ৩০, বেগুন ৪০, মুলা ২০, সিম ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কলাগাছের কান্ড-ক্যানদাইল প্রতিপিচ ২০ থেকে ২৫ টাকা, মুদি দোকানে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। বোতলজাত সয়াবিনের লিটার ৯৫ টাকা।

পোঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। আদার কেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। রসুনের দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। ডিমের হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। মসুরের ডাল ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। মাছের বাজারে যাওয়ার উপায় নেই। ফার্মের মুরগির কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং গরুর গোশত বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। খাসির গোশত এখন ৫০০ থেকে ৫৫০ কেজি। এদিকে শীতের মৌসুমে কাজিপুরে চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে মৌসুমী শাক সবজির চাষাবাদ হলেও দাম কমছে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft