1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধার বাজার থেকে দেশি মরিচ উধাও!

  • Update Time : রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৫৭ Time View

pic-gaibandha-chilly-news-03-22-10-2016গাইবান্ধা প্রতিনিধি :চলতি মৌসুমে গাইবান্ধার হাট বাজারে দেশি জাতের কাঁচা মরিচ টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছেনা। ভোক্তাদের চাহিদা মেটাতে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে ভারতীয় কাঁচা মরিচ আমদানি করছে । এখন  জেলার হাট বাজারগুলো  কাঁচা মরিচে সয়লাব হয়ে গেছে।

কাঁচা মরিচের পাইকারী ব্যবসায়ী জেলার গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার খলসি সাহাপাড়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন জানান,  কোথাও দেশি জাতের কাঁচা মরিচ পাওয়া যাচ্ছেনা। নিরুপয় হয়ে বাংলা সীমান্ত এলাকা হিলি থেকে ভারতীয় কাঁচা মরিচ আমদানি করছেন।  সেখানে ভাল মন্দ ভেদে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ কিনতে হয়েছে  ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। উপরন্ত পরিবহন ভাড়াতো আছেই।

কাঁচা মরিচের খুচরা বিক্রিতে পৌর এলাকার বর্দ্ধনকুঠি গ্রামের আতাউর রহমান জানান, দেশি কাঁচা মরিচ না থাকায় ভারতীয় (এলসি) মরিচের দামও বেড়েছে। তারা পাইকারী ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে ৮০ টাকা দরে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ কিনে ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। এরপরও এ মরিচ বিক্রি করে তাদের লোকসান  হচ্ছে। এর কারন হিসেবে তিনি জানান, বেশি দামে মরিচ কেনার পরও প্রতিমণ (৪০ কোজ) মরিচের মধ্যে থেকে কমপক্ষে ৫ থেকে ৭ কেজি পচা ও নষ্ট বের হয়। মহাজনের নিকট থেকে কেনার সময় পচা মরিচ ফেলে দেওয়ার কোন সুযোগ থাকেনা।

পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ আলী জানান, তিনি বাজার ঘুরেও দেশি জাতের কাঁচা মরিচ পাননি। ভারতীয় মরিচ পাওয়া গেলের তার দাম বেশি। উপরন্ত এসব মরিচের গুনগত মানও ভাল নয়। কেনার সময় দোকানে তাকালেই দেখা যায় অনেক নষ্ট হওয়া পচা মরিচ। দেশি মরিচ না পেয়ে বাধ্য হয়েই এ মরিচ কিনছেন।

সাঘাটা উপজেলার নলছিয়া গ্রামের বাসিন্দা আয়নাল হক জানান, তিনি কয়েকদিন বাড়িতে রেখে খাওয়ার জন্য বোনারপাড়া থেকে ৫০ টাকা দিয়ে অর্ধকেজি কাঁচা মরিচ কিনেন। কিন্তু ২দিন পর দেখতে পান তার অধিকাংশ মরিচ পচে নষ্ট হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, প্রতি বছরে তিন মৌসুমে কাঁচা মরিচের আবাদ হয়ে থাকে। এরমধ্যে খরিদ ১ মৌসুমে মরিচ চাষ শুরু হয় ১৫ মার্চে শেষ হয় ৩০ জুন। খরিদ ২ মৌসুম শুরু হয় ১ জুলাই থেকে আর শেষ হয় ১৪ নভেম্বরের মধ্যে। এরপর ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয় রবি মৌসুম চলবে ১৪ মার্চ পর্যন্ত। জেলা কৃষি বিভাগের এই তথ্য অনুযায়ী সারা বছরই কাঁচা মরিচ চাষ হয়ে থাকে।

তবে দেশি জাতের কাঁচা মরিচ বাজার থেকে উধাও হওয়া প্রসঙ্গে গাইবান্ধা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রুহুল আমিন জানান, খরিদ ১ মৌসুমে কিছুটা মরিচ চাষাবাদ হলেও খরিদ ২ মৌসুমে তাও হয়নি। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই বাজারে দেশি মরিচ তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও জানান,  পুরো খরিদ মৌসুমে যে পরিমান কাঁচা মরিচ চাষাবাদ হয়, তার চেয়ে বেশি চাষা হয় রবি মৌসুমে । তাছাড়া, খরিদ ২ মৌসুমে উৎপাদিত মরিচ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বাজারে আসবে । এত কিছুটা হলেও কাচা মরিচের বাজার নিয়ন্ত্রণ হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft