1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট ইঞ্জিনিয়ারিং সিলেবাসে রামায়ন মহাভারত থাকলে কুরআন বাইবেল থাকবে না কেনো ? মসজিদের জমিতে শিবলিঙ্গ স্থাপন করে মন্দির বানানোর পাঁয়তারা নিজের হাতেই করুন নিজের জীবন বাঁচানোর পরীক্ষা পরীমনির হাতের মাঝে হৃদয়ের ভাষা খাড়ালেই ভোট দাঁড়ালেই এমপি : রাজনীতিতে নির্বাচনী দৌড়ঝাঁপ শুরু বিশ্বের মুসলিম স্কলারদের অভিনন্দন তালেবানদের : খুলাফায়ে রাশেদার দৃষ্টান্ত স্থাপনের আহবান পাকিস্তানের আগেই তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি ভারতের মহাসমারোহে চলছে ফ্রি ফায়ার পাবজি ভুয়া খবরে লাইক শেয়ার কমেন্ট বেশি যে কারনে ধর্মের নামে ব্যবসা : ইমামতি ছেড়ে ২০ হাজার কোট টাকার মালিক মুফতি রাগীব হাসান

দেশসেরা জেলা প্রশাসকের পুরস্কার গ্রহণ করলেন আব্দুস সবুর মন্ডল

  • Update Time : রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৪০ Time View

03সাইফুল ইসলাম রনি: চাঁদপুর জেলা ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে নিয়েছে। আর এ অর্জনের মূল চালিকা শক্তিতে থাকা চাঁদপুরের বর্তমান জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল দেশসেরা জেলা প্রশাসক হিসেবে দেশ সেরা জেলা প্রশাসকের পুরস্কার গ্রহণ করলেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক-এর কাছ থেকে তিনি এ পদক গ্রহণ করেন। এ সময় দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য মোস্তফা জব্বার সহ মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন।

আইসিটির মাধ্যমে নাগরিক সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৬ উপলক্ষে এ পুরস্কার পেলেন।
আজ শুক্রবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৬ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তিনি পুরস্কার গ্রহণ করেন। জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল শুধু নিজেই দেশসেরা জেলা প্রশাসক হওয়ার খ্যাতি অর্জন করেন নি, তিনি চাঁদপুরকেও দেশের সেরা জেলার তালিকায় এনে দিয়েছেন।

04জেলা প্রশাসক আব্দুস সবুর মন্ডল কী কারণে দেশসেরা জেলা প্রশাসক হলেন, চাঁদপুরে তাঁর কার্যকালের মাত্র ১ বছর তিন মাস সময়ের মধ্যে তিনি এমন কীইবা করলেন যার কারণে তিনি দেশসেরা হওয়ার খ্যাতি অর্জন করলেন? এসবের কারণ বা তথ্য খুঁজতে গিয়ে সত্যিই চোখ ছানাবড়া হওয়ার মতোই তথ্য পাওয়া গেলো। তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সাথে চাঁদপুরও যে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে তা আজ বাস্তব।

জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল তাঁর দক্ষ ক’জন সহকর্মীকে নিয়ে চাঁদপুর জেলাকে সর্বক্ষেত্রে দেশের সেবা জেলা করার যেসব পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন সেসবের বেশ কিছু ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে এবং শতভাগ সফলতার সাথেই হয়েছে। তাঁর পরিকল্পনা এবং স্বপ্নের বাস্তব রূপই হচ্ছে চাঁদপুরকে ব্র্যান্ডিং জেলা হিসেবে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বিবেচনায় আনা।

শুধু তাই নয়, দেশের মধ্যে এখন পর্যন্ত একমাত্র জেলা চাঁদপুর, যে জেলার ৮ উপজেলার ভূমি অফিসে অটোমেশন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। অর্থাৎ ভূমি সংক্রান্ত সকল সেবা এখন চাঁদপুরে অনলাইনে দেয়া হচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ সেবা কার্যক্রম চালু হলে এ পর্যন্ত ৩০ হাজার ২শ’ ৬৯জন এ সেবা গ্রহণ করেছেন। ই-স্বাস্থ্যসেবা (টেলিমেডিসিন) এ জেলার সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ েচালু হয়েছে গত জুন থেকে। এ পর্যন্ত ই-স্বাস্থ্য সেবা নিয়েছে ৪ হাজার ৬শ’ ৪১ জন। এখানেই শেষ নয়, জেলা প্রশাসক চাঁদপুর জেলার তিন বছরের যে উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা নিয়েছেন তাতে ৬০টি প্রতিষ্ঠানে ওয়াইফাই চালু করার পরিকল্পনা ছিলো।

কিন্তু দেখা গেছে যে, এক বছরেই এ জেলার ১শ’ ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ওয়াইফাইয়ের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক এ অগ্রগতিতেই খুব আশান্বিত হয়ে জেলা প্রশাসক দৃঢ় মনোবলের সাথে বলেছেন ‘চাঁদপুর এখন সরকারের চিন্তা-ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।’ তিনি আরো বলেছেন, সরকার এখন চাঁদপুরের অনেক কিছুকে মডেল হিসেবে নিচ্ছে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০জুন সরকার ২০জন নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেয়। তার মধ্যে মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল চাঁদপুর জেলার জন্যে নিয়োগ পান। এর আগে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন। ২ জুলাই তিনি চাঁদপুরে যোগদান করেন। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত এ জেলা প্রশাসকগণ যাতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- বেগবান এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন সেজন্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তাঁদের নিয়োগের পরপরই চারদিনের বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

এ প্রশিক্ষণের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মোঃ আবুল কালাম আজাদ নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসকগণকে আগামী ৩ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে ৭ দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দেয়ার নির্দেশ দেন। আর এটির উদ্দেশ্য ছিলো জেলা প্রশাসকগণ মাঠ প্রশাসনে আগামী ৩ বছরে কী কী কাজ করতে চান তার প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করা। মুখ্য সচিবের নির্দেশনার আলোকে জনাব মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল চাঁদপুর জেলায় যোগদানের মাত্র ৭দিনের মাথায় ৯ জুলাই ২০১৫ খ্রিঃ তারিখে চাঁদপুর জেলার জন্যে তিন বছরের উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রেরণ করেন।

সে পরিকল্পনায় স্বল্প মেয়াদী (১ বছর), মধ্যম মেয়াদী (২ বছর) ও দীর্ঘ মেয়াদী (৩ বছর) কর্মপরিকল্পনা নেয়া হয়। সে কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী পথ চলাতেই আজকে চাঁদপুরের এ অবস্থান এবং জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডলের এ স্বীকৃতি। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আইসিটি শাখা সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল গত বছরের ২ জুলাই চাঁদপুরে যোগদানের পর হতে এ পর্যন্ত্র চাঁদপুর জেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমাণের লক্ষ্যে ইনোভেশন (উদ্ভাবনী) সংক্রান্ত ব্যাপক কর্মসূচি ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। তার মধ্যে ২৪টি শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। আর ৮০ ভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে ২টি এবং ৪০ ভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে ১টি।

এছাড়া আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ২০টির মতো কার্যক্রম চলমান অবস্থায় রয়েছে। শতভাগ বাস্তবায়ন হওয়া ২৪টি কার্যক্রম হচ্ছে : জনগণকে স্বল্প সময়ে কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ‘নাগরিক সেবা সনদ প্রদান’ প্রণয়ন, জেলার ৮টি উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নেতৃত্বে ভূমি অফিসে অটোমেশন ব্যবস্থা চালু, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, চাঁদপুরের নেতৃত্বে জেলায় সকল মৎস চাষীর ডাটাবেইজ তৈরি, জেলা সমবায় কর্মকর্তা, চাঁদপুরের নেতৃত্বে এ জেলার সকল সমবায়ীর ডাটাবেইজ তৈরি, জেলা মার্কেটিং অফিসার, চাঁদপুরের নেতৃত্বে মূল্য তালিকার ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এর সহকারী কমিশনার, ব্যবসা বাণিজ্য শাখা চাঁদপুরের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ডিলিং লাইসেন্স, ইটভটা লাইসেন্স, ফার্নেস

ওয়েল, ভেন্ডর লাইসেন্স, অস্ত্রের লাইসেন্স ও হোটেল রেস্তোরাঁর লাইসেন্স এ ছয়টি সেবা অনলাইনে প্রদান, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সিভিল সার্জন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), চাঁদপুরের নেতৃত্বে প্রতিটি ইউডিসি হতে যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীরা উপজেলা সদরে অবস্থিত হাসপাতাল/জেলা সদরের হাসপাতাল হতে অনলাইনে/স্কাইপের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা (টেলি মেডিসিন) গ্রহণ করতে পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে জেলা শহরকে ফ্রি ডরঋর জোনে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

এর দ্বারা জনগণ ফ্রি ডরঋর সুবিধা পাচ্ছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল) চাঁদপুরের নেতৃত্বে ইউডিসির আধুনিকায়ন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও সহকারী কমিশনার, আইসিটি শাখার নেতৃত্বে সকল কর্মকর্তাকে আইসিটি বান্ধব করার উদ্যোগ গ্রহণ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চাঁদপুরে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং বিভিন্ন সেবা ও কর্মের জন্যে আগত সাধারণ লোকজনের জন্যে ফ্রি সুপেয়, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা, চাঁদপুর জেলা ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ব্র্যান্ডি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, শাখাভিত্তিক নাগরিক সনদ প্রদর্শন, দালালমুক্ত অফিস গঠনে প্রত্যেক শাখার সামনে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছবিসহ নাম টানানো, কাইজেন বাস্তবায়নের মাধ্যমে অফিস, সার্কিট হাউজ ও জেলা প্রশাসকের বাংলোর

সমস্যা সমাধান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ‘সিটি অব হিলশা বা ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’ নামে চাঁদপুর জেলাকে ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে, নাগরিক সেবা সনদ জেলা ওয়েব-পোর্টালে প্রকাশ করা, নাগরিক সেবা সনদ ডিসি অফিস চাঁদপুর ফেসবুকে প্রকাশ করা, চাঁদপুরের ৮টি উপজেলার ৪০৪টি স্কুলে সর্বমোট ৪৮৬টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমে পাঠদান, ৩৭টি স্কুলে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের মাধ্যমে আইসিটি কার্যক্রম চলমান, ৮টি উপজেলায় স্কুলসমূহে মোট ৭২টি ল্যাবে ৫৯৩টি কম্পিউটারে পাঠদান কার্যক্রম চলমান, ই-স্বাস্থ্য সেবা (টেলিমেডিসিন) সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ হতে স্কাইপে/ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের

মাধ্যমে সরাসরি টউঈ’র সহায়তায় প্রান্তিক জনগণকে ই-স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, বিবাহ নিবন্ধক ব্যতীত মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের যারা বিয়ে পড়ান, তাদের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এর মোট সংখ্যা ১৬১৭ জন, বিবাহ নিবন্ধক ব্যতীত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যারা বিয়ে পড়ান তাদের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এর মোট সংখ্যা ৩০জন।

এসব অগ্রগতির পেছনে জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সবুর মন্ডল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ আব্দুল হাইয়ের বিশেষ অবদানের কথা স্মরণ করেন। তবে তাঁর আগে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ লুৎফর রহমান এ কাজগুলো শুরু করে গিয়েছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft