1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন

ডিজিটাল উপজেলা হিসেবে কাজিপুরকে গড়ে তুলতে চাই: এশিয়ানবার্তার সঙ্গে আলাপকালে বকুল সরকার

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৪৫ Time View

19কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) থেকে টি এম কামাল : কাজিপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক বকুল সরকার বলেছেন, ডিজিটাল উপজেলা হিসেবে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরকে গড়ে তুলতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখপাত্র, জননেতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিমের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। বৃহস্পতিবার এশিয়ানবার্তা টোয়েন্টিফোরডটকম-এর সঙ্গে আলাপকালে তিনি তার উন্নয়ন পরিকল্পনার নানাদিক তুলে ধরেন। মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে অজ্ঞতার অন্ধকারকে দূর করার মানসে তিনি কাজিপুরের মাটি ও মানুষের কাছাকাছি থেকে সুখ-দুঃখকে ভাগ করে নিয়ে সামনে থেকে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছেন। মোজাম্মেল হক সরকার সবার কাছে বকুল সরকার নামেই পরিচিত। বিগত সাত বছরে দুর্ণীতিমুক্ত থেকে তিনি পরিষদ পরিচালনা করেছেন। আর সততার পুরস্কার হিসেবে বাংলাদেশের প্রাচীন এবং বৃহত্তম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন।

আর সব সাধারণ ছেলেদের মতই বকুল সরকারের বেড়ে ওঠা। যমুনার উত্তাল তরঙ্গের সাথে পাল্লা দিয়ে সাঁতার কাটা, দুরন্তপনায় মেতে ওঠা আর সমবয়সীদের সাথে নিয়ে জেগে ওঠা চরে নানা খেলায় সময় কাটাতেন কিশোর বকুল। সেই সাথে প্রচন্ড মনযোগী ছিলেন পড়ালেখায়। তবে তাকে আর সব ছাত্রদের মতো রাত জেগে অনেকক্ষণ ধরে পড়তে হয়নি। একবার যেটা দেখতেন সেটা মনের মাঝে গেঁথে যেত তার। স্কুলের প্রতিটি পরীক্ষায় তার ভাল ফলাফল এলাকার সবার নজর কেড়েছিল। চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। গ্রামের স্কুলে প্রাথমিকের পাঠ চুকে কাজিপুরের নাটুয়ারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং বগুড়ার শেরপুর ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে সমাজকর্মী বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স পাশ করেন। ছাত্রবস্থাতেই গণমানুষের অধিকারের কথা মাথায় রেখে শুরু করেন ছাত্র রাজনীতি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তিনি ছিলেন সহ সভাপতি। তার ওপর অর্পিত দলের দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সাথে পালন করে অল্পদিনের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের দৃষ্ঠি আকর্ষণে সক্ষম হন। এরপর কাজিপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এরই মধ্যে তিনি সততার দান পেতে শুরু করেন। ১৯৯১ সালে নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সম্ভ্রান্ত কৃষক পরিবারের দুরন্ত বকুল সরকার এবার জনগণের উপকারে নিজেকে পুরোপুরি সাঁপে দেন। তার মতো উচ্চ শিক্ষিত চেয়ারম্যান ঐ সময় কাজিপুরে দ্বিতীয় কেউ ছিলনা। তখন থেকেই তিনি জনমানুষের ভালো-মন্দ সবকিছু নিজের করে নেন। এসময় গণমানুষের অবিসংবাদিত নেতা প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের নির্দেশে ও তার অনুপ্রেরণায় তিনি সামনে থেকে কাজিপুরের উন্নয়ণে নেতৃত্ব দেন। শিক্ষানুরাগী বকুল সরকার যমুনা দ্বারা বিভক্ত চরাঞ্চলের বৃহত্তর জনগোষ্ঠির উচ্চ শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নাটুয়ারপাড়া ডিগ্রি কলেজ।

তিনি ঐ কলেজের প্রতিষ্ঠাকালিন অধ্যক্ষ। চরাঞ্চলবাসির দীর্ঘদিনের আকাক্সক্ষাকে তিনি বাস্তবে রূপায়িত করেন। এমনি করেই নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন একজন সফল শিক্ষাণুরাগী, জনদরদী সমাজকর্মী হিসেবে। এরপর ২০০৯ সালের তৃতীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিগত পাঁচ বছর তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে উপজেলা পরিষদ পরিচালনা করেন। ৪র্থ বারের মতোও তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। একই সাথে কাজিপুর উপজেলা আ’লীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার সময়েই কাজিপুর উপজেলা পরিষদ ইউজেডজিপির বরাদ্দ পায়। সেই অর্থ দ্বারা উপজেলা পরিষদে বাস্তবমুখী নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ণ শুরু হয়েছে। পুরো উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন পরিকল্পনাসমৃদ্ধ প্লানবুকের কাজ শেষ হয়েছে। উপজেলা পরিষদের গৃহিত ধাত্রী প্রশিক্ষণ চরাঞ্চলের অর্ধলক্ষাধিক গর্ভবতী মায়েদের ভরসার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ইউএনডিপি’র ওয়েরসাইটে কাজিপুরের ধাত্রী প্রশিক্ষণ ও এর উপকারিতা বিষয়ক সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হতে আগ্রহী না হলেও দলীয় নেতা-কর্মীদের ভালোবাসায় তাকেই নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বকুল সরকার দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলেন, কাজিপুরের সর্বস্তরের জনগণ, সাবেক এমপি প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় এবং কাজিপুরের মাটি ও মানুষের নেতা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সততার পুরস্কার হিসেবে আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন আমি তার জন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞ। কাজিপুর বাসীর অগাধ -হ-ভালোবাসায় আমি বিমোহিত। আমার বিশ্বাস ছিল তারা আমাকে এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটদানের মাধ্যমে জয়যুক্ত করে প্রিয় নেতা মোহাম্মদ নাসিমের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবে। কাজিপুরকে তিনি ডিজিটাল উপজেলা হিসেবে গড়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন সেখানে আমি একজন কর্মী হিসেবে কাজ করে যেতে চাই। এক প্রশ্নের জবাবে বকুল সরকার জানান, শিক্ষাজয় কাজিপুরের উন্নয়ণের প্রথম পরিকল্পনায় থাকবে।

সেইসাথে হালকা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প স্থাপন, বিভিন্ন উৎপাদনমুখি প্রশিক্ষণ, চরাঞ্চলের বিশাল অনাবাদী জমির সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে এলকার উন্নয়ন ধারা সূচিত হবে। তিনি বলেন, যেহেতু মোহাম্মদ নাসিম স্বাস্থ্যন্ত্রী তাই এই মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল কাজ ব্স্তাবায়নে কাজিপুর অগ্রাধিকার পাবে। দলের প্রতি অকুণ্ঠ শ্রদ্ধা রেখে নেতার নির্দেশে আমি সেই কাজ বাস্তবায়নে সচেষ্ট হবো। এজন্য উপজেলা সকল পেশার মানুষের কাছে সহযোগিতা চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft