1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

রাজশাহীতে সবজির বাজারে দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধি: বেগুনে আগুন

  • Update Time : সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৬
  • ১৯ Time View

001রাজশাহী  থেকে মঈন উদ্দীন: রাজশাহীর বাজারে শীতকালীন সবজি এলেও আমদানী কম থাকায় দফায় দফায় বাড়ছে সবজির দাম। সোমবার রাজশাহীর বিভিন্ন সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায় এসব চিত্র। নগরীর সাহেব বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় সপ্তাহের তুলনায় সবজির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৮ থেকে ১০ টাকা। সবেচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে বেগুন ও মরিচের দাম। তবে এ সপ্তাহে কমেছে মাছের দাম, স্বাভাবিক রয়েছে মাংসের দাম ।

গত সপ্তাহে বেগুনের মূল্য ছিল প্রতি কেজি ৩৫ টাকা এ সপ্তাহে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাড়িয়েছে ৭০ টাকায়। মরিচের দাম ছিল ৮০ টাকা যা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। ৮০ টাকা টমেটোর দাম লাফিয়ে বেড়েছে ১২০ টাকা। সাহবে বাজারের সবজি বিক্রেতা মাসুদ রানা জানান, গত সপ্তাহের থেকে সবজির বেড়েছে। কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। বর্তমানে প্রতিকেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। কচুর লতি ৪২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, আলু ২০ টাকা, শশা ৩২ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫ টাকা,পটল ৩০ টাকা এবং মুলা ২০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, কুরিকচু ৩০ টাকা, ডুমোর ৩০ টাকা, সজনে ৬০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ২৫ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৮ থেকে ১০ টাকা ঝিঙ্গা ৩৫টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এসেছে নতুন সবজি ফল পানি ফল, জলপাই ও শিম । পানিফল জলপাই বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায় । এদিকে মুদি বাজারে বেড়েছে ৬ থেকে ৮ চাল ও তেলের দাম।

বাজারে এখন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, ও ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ২৫ টাকা,রসুন ১৮০ টাকা, আদা ৮০ টাকা, কাচাঁ মরিচ ৮০ খেকে ১০০ টাকা। এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি ১০০গ্রাম ২৪ টাকা ,হলুদ ১৮ টাকা, জিরা ৪০ টাকা, ধনিয়া ১৮ দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে শাকের বাজারেও বেড়েছে শাকের দাম শাক ব্যবসায়ী শ্যাম দাস জানান, কৃষকের জমিতে শাক নেই যা আছে এত চাহিদাও বেশি আমদানি কম তাই শাকের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। নতুন শাকের মাঝে পালং শাক সবার মাঝে চাহিদা বেড়েছে।

বর্তমানে প্রতি কেজি লাল শাক ২২ টাকা, কলমি শাক ৩০ টাকা, লাউ শাক ২০ টাকা, ডাটা শাক ২৫ টাকা, কচু শাক ২০ টাকা, সবুজ শাক ২৫ টাকা এবং পুই শাক ২২৫ থেকে টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এবং নতুন পালং শাক ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে । এদিকে মাছের বাজারে ইলিশের বিক্রি বন্ধ থাকায় মাছের বাজারে ক্রেতার আনাগোনা একটু কম। আমদানী আগের চেয়ে একটু বেশি হচ্ছে বলে জানান মৎস ব্যবসায়ীরা।

তাদের মতে মাছের দাম কম থাকলেও ক্রেতাদের আনাগোনা কম। নগরীর সাহেব বাজারে মাছ কিনতে আসা ক্রেতা শাহারিয়ার সিদ্দিক বলেন, গত সপ্তাহের থেকে এ সপ্তাহে মাছের দাম অনেক কমেছে। তবে নদীর ছোট ও দেশি জাতের ছোট মাছের দাম গত সপ্তাহের মতই আছে। তবে আজকে বড় মাছের দাম কম থাকায় একটু বেশি করে কিনে নিচ্ছি।

মাছ বিক্রতা আবু হানিফ বলেন, বাজারে ইলিশ না থাকায় ক্রেতার সংখ্যা কম ও বাজারে বড় মাছের আমদানি একটু বেশি এবং এ সময় বড় মাছ বেশি থাকে ফলে নদীর মাছের দাম কমেছে। আর আমদানি বেশি থাকায় ক্রেতা কম থাকায় মাছের দামও কম। বড় মাছ গুলো কেজি প্রতি কমেছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা।
বাজারে বর্তমানে কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫০টাকা, চিতল ৫০০, রুই ২০০ থেকে ২২০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১২০ টাকা,পাঙ্গাস ১০০ থেকে বাটা ১১০ টাকা, টেংরা ৪০০ টাকা, দেশি কৈ মাছ ৫০০ও হাইব্রিট কই ১৫০ টাকা, শোল মাছ ৪৫০ টাকা, মৃক্রা ২৫০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৫০ টাকা এবং মিরর কার্প ১৭০ টাকা তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নদীর বড় চিংড়ি ৬০০ টাকা ও ছোট চিংড়ি ৩২০টাকা, পিউলি মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৪০ টাকায়। চাঁদামাছ ১২০ টাকা, কাঁকলে ২০০ টাকা, কাটাপাতাসি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ঢেড়ে মাছ ৫০০টাকা,পাবদা ৫০০টাকা, বোয়াল ৫০ টাকা, বাছা মাছ ৬০০ এবং রিঠা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পুটি মাছ ১৪০খেকে ১৫০ টাকা, মায়া মাছ ২৫০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ টাকা, গুচি মাছ ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এ সপ্তাহে কমেছে, পদ্মার ও বরিশালের বড় আকারের ইলিশ মাছ প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

সাহেববাজারে মাছ কিনতে আসা বেলী খাতুন বলেন, সকালে আমার আত্বীয় মাছ কিনতে আসে মাছের দাম কম থাকায় জানতে পেরে মাছ কিনতে এসেছি। হটাৎ করেই দাম বেড়েছে মুরগির। মুরগি ব্যবসায়ী সবুর জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মুরগির দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেশি বেড়েছে। বর্তমানে সাদা কক বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৮০ টাকা, ব্রয়লার ১৩৫ টাকা, দেশি মুরগি ৩০০, সোনালি মুরগি ২০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৮০ এবং হাঁস ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বর্তমানে গরুর ও খাসির মাংসের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৪২০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে।

এদিকে তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে ডালের দাম। ডাল ব্যাবসায়ী সাখাওয়াত বলেন, এ সপ্তাহে ডালের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি মসুর ডাল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা, কলাই ডাল ৮৫থেকে ১২০ টাকা, ছোলা ডাল ১২৫ টাকা, খেসারি ডাল ৭৮ থেকে ৬৫ টাকা, মটর ডাল ১৩০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি চিনি ৭০ টাকা, লবন ৪০ টাকা, ময়দা ২৪ টাকা,পোলাও চাল ১১০টাকা, দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাজারে শীতকালীন সবজি এলেও আমদানী কম থাকায় দফায় দফায় বাড়ছে সবজির দাম। সোমবার রাজশাহীর বিভিন্ন সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায় এসব চিত্র। নগরীর সাহেব বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় সপ্তাহের তুলনায় সবজির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৮ থেকে ১০ টাকা। সবেচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে বেগুন ও মরিচের দাম। তবে এ সপ্তাহে কমেছে মাছের দাম, স্বাভাবিক রয়েছে মাংসের দাম ।
গত সপ্তাহে বেগুনের মূল্য ছিল প্রতি কেজি ৩৫ টাকা এ সপ্তাহে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাড়িয়েছে ৭০ টাকায়। মরিচের দাম ছিল ৮০ টাকা যা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। ৮০ টাকা টমেটোর দাম লাফিয়ে বেড়েছে ১২০ টাকা।

সাহবে বাজারের সবজি বিক্রেতা মাসুদ রানা জানান, গত সপ্তাহের থেকে সবজির বেড়েছে। কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। বর্তমানে প্রতিকেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। কচুর লতি ৪২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, আলু ২০ টাকা, শশা ৩২ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫ টাকা,পটল ৩০ টাকা এবং মুলা ২০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, কুরিকচু ৩০ টাকা, ডুমোর ৩০ টাকা, সজনে ৬০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ২৫ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৮ থেকে ১০ টাকা ঝিঙ্গা ৩৫টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এসেছে নতুন সবজি ফল পানি ফল, জলপাই ও শিম । পানিফল জলপাই বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায় । এদিকে মুদি বাজারে বেড়েছে ৬ থেকে ৮ চাল ও তেলের দাম।

বাজারে এখন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, ও ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ২৫ টাকা,রসুন ১৮০ টাকা, আদা ৮০ টাকা, কাচাঁ মরিচ ৮০ খেকে ১০০ টাকা। এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি ১০০গ্রাম ২৪ টাকা ,হলুদ ১৮ টাকা, জিরা ৪০ টাকা, ধনিয়া ১৮ দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে শাকের বাজারেও বেড়েছে শাকের দাম শাক ব্যবসায়ী শ্যাম দাস জানান, কৃষকের জমিতে শাক নেই যা আছে এত চাহিদাও বেশি আমদানি কম তাই শাকের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। নতুন শাকের মাঝে পালং শাক সবার মাঝে চাহিদা বেড়েছে।

বর্তমানে প্রতি কেজি লাল শাক ২২ টাকা, কলমি শাক ৩০ টাকা, লাউ শাক ২০ টাকা, ডাটা শাক ২৫ টাকা, কচু শাক ২০ টাকা, সবুজ শাক ২৫ টাকা এবং পুই শাক ২২৫ থেকে টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এবং নতুন পালং শাক ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে । এদিকে মাছের বাজারে ইলিশের বিক্রি বন্ধ থাকায় মাছের বাজারে ক্রেতার আনাগোনা একটু কম। আমদানী আগের চেয়ে একটু বেশি হচ্ছে বলে জানান মৎস ব্যবসায়ীরা।

তাদের মতে মাছের দাম কম থাকলেও ক্রেতাদের আনাগোনা কম। নগরীর সাহেব বাজারে মাছ কিনতে আসা ক্রেতা শাহারিয়ার সিদ্দিক বলেন, গত সপ্তাহের থেকে এ সপ্তাহে মাছের দাম অনেক কমেছে। তবে নদীর ছোট ও দেশি জাতের ছোট মাছের দাম গত সপ্তাহের মতই আছে। তবে আজকে বড় মাছের দাম কম থাকায় একটু বেশি করে কিনে নিচ্ছি।

মাছ বিক্রতা আবু হানিফ বলেন, বাজারে ইলিশ না থাকায় ক্রেতার সংখ্যা কম ও বাজারে বড় মাছের আমদানি একটু বেশি এবং এ সময় বড় মাছ বেশি থাকে ফলে নদীর মাছের দাম কমেছে। আর আমদানি বেশি থাকায় ক্রেতা কম থাকায় মাছের দামও কম। বড় মাছ গুলো কেজি প্রতি কমেছে ৫০ থেকে ৮০ টাকা।
বাজারে বর্তমানে কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৫০টাকা, চিতল ৫০০, রুই ২০০ থেকে ২২০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১২০ টাকা,পাঙ্গাস ১০০ থেকে বাটা ১১০ টাকা, টেংরা ৪০০ টাকা, দেশি কৈ মাছ ৫০০ও হাইব্রিট কই ১৫০ টাকা, শোল মাছ ৪৫০ টাকা, মৃক্রা ২৫০ টাকা, গ্রাস কার্প ১৫০ টাকা এবং মিরর কার্প ১৭০ টাকা তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নদীর বড় চিংড়ি ৬০০ টাকা ও ছোট চিংড়ি ৩২০টাকা, পিউলি মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৪০ টাকায়। চাঁদামাছ ১২০ টাকা, কাঁকলে ২০০ টাকা, কাটাপাতাসি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ঢেড়ে মাছ ৫০০টাকা,পাবদা ৫০০টাকা, বোয়াল ৫০ টাকা, বাছা মাছ ৬০০ এবং রিঠা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পুটি মাছ ১৪০খেকে ১৫০ টাকা, মায়া মাছ ২৫০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ টাকা, গুচি মাছ ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এ সপ্তাহে কমেছে, পদ্মার ও বরিশালের বড় আকারের ইলিশ মাছ প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

সাহেববাজারে মাছ কিনতে আসা বেলী খাতুন বলেন, সকালে আমার আত্বীয় মাছ কিনতে আসে মাছের দাম কম থাকায় জানতে পেরে মাছ কিনতে এসেছি। হটাৎ করেই দাম বেড়েছে মুরগির।
মুরগি ব্যবসায়ী সবুর জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় এ সপ্তাহে মুরগির দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেশি বেড়েছে। বর্তমানে সাদা কক বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৮০ টাকা, ব্রয়লার ১৩৫ টাকা, দেশি মুরগি ৩০০, সোনালি মুরগি ২০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ১৮০ এবং হাঁস ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে বর্তমানে গরুর ও খাসির মাংসের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৪২০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে।
এদিকে তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে ডালের দাম। ডাল ব্যাবসায়ী সাখাওয়াত বলেন, এ সপ্তাহে ডালের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি মসুর ডাল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা, কলাই ডাল ৮৫থেকে ১২০ টাকা, ছোলা ডাল ১২৫ টাকা, খেসারি ডাল ৭৮ থেকে ৬৫ টাকা, মটর ডাল ১৩০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি চিনি ৭০ টাকা, লবন ৪০ টাকা, ময়দা ২৪ টাকা,পোলাও চাল ১১০টাকা, দরে বিক্রি হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews