1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৩ অপরাহ্ন

রাজশাহী অঞ্চলের আমন ক্ষেতে বাদামী গাছ ফড়িংয়ের আক্রমন দুশ্চিন্তায় কৃষক

  • Update Time : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৩১ Time View

amon-1রাজশাহী থেকে মঈন উদ্দীন : রাজশাহী অঞ্চলের কৃষকদের আর মাত্র একমাস পরেই স্বপ্ননের সোনার ধান ঘরে উঠার কথা। শেষ সময়ে এসে আমন ক্ষেতে বাদামী গাছ ফড়িং পোকার আক্রমনে দিশেহারা হয়েছে পড়েছে কৃষক। এ বিষয়ে মাঠে মাঠে ব্যপক প্রচারণা চালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয় হচ্ছে না। সবুজ ধানের ক্ষেতের পাতা মরে যাচ্ছে পোকার আক্রমনে। ক্ষেতে আমনের শেষ সময়ে এসে বাদামী গাছ ফড়িং পোকার আক্রমন দেখা দেয়ায় ঘরে ধান তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে কৃষক।
জানা গেছে, চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও সময় মত বৃষ্টির হওয়াই রাজশাহী অঞ্চলে অন্যসব বছরের চেয়ে এবার মাঠে আমন চাষাবাদ ভাল হয়েছে। বাম্পার ফলনে সম্ভবনার রয়েছে। রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরে তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় আমনের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ৭৩ হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমিতে। এছাড়াও রাজশাহী অঞ্চলের রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আমন চাষাবাদ হবে আরো ৩ লাখ ৫০ হাজার হেক্টরের উপরে।
রাজশাহীর পবা উপজেলার বাধাইড় গ্রামের কৃষক ইসাহাক আলী। গত বছর আমন চাষ করে দাম না পেয়ে লোকসান গুনতে হয়েছিল। তবুও চলতি মৌসুমে গত বছরের লোকসান মাথায় নিয়ে ১১ বিঘা জমিতে স্বর্না ও ৫ বিঘাতে আতব চাষাবাদ করেছেন। আর এক মাস পর সোনার ধান ঘরে উঠবে এমনি আশাই স্বপ্নরের বুকবেধে ছিলেন তিনি। ক্ষেতে ধানের মাথা এবার ভালই ছিল। কিন্ত শেষ সময়ে এসে তার ১১ বিঘা স্বর্না ও ৫ বিঘা জমিতেই বাদামী গাছ ফড়িং পোকার আক্রমন দেখা দেয়াই ঘরে ধান তুলতে পারবে কিনা এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে তিনি।
তবে বাধাইড় এলাকায় দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাকিবুল আলম জানান, বাদামী গাছ ফড়িং কিছু ক্ষেতে দেখা দিয়ে ছিল, তবে সেখানে স্প্রে করার পর এখন আর দেখা যাচ্ছে না। পোকার আক্রমন নিয়ন্ত্রণে আছে বলে তিনি দাবি করেন।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা শুগনা গ্রামের কৃষক লুৎফর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে ৩২ বিঘা জমিতে স্বর্না জাতের ধান চাষাবাদ করেছেন। শুরুর দিকে ভাল থাকলেও শেষ সময় এসে তার ১০ থেকে ১২ বিঘা জমিতে ধানের মাঝে বাদামী গাছ ফড়িং পোকা বাসা বেধেছে। অনেক ক্ষেতের ধানের গোড়ায় কেটে দেওয়ায় সাদা সাদা হয়ে মরে যাচ্ছে। বিভিন্ন রকম কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না তিনি। এ অবস্থায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
বাদামী গাছ ফড়িং/কারেন্ট পোকার আক্রমন সব চেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে বরেন্দ্র অঞ্চল বলে পরিচিত রাজশাহীর গোদাগাড়ী,তানোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও নওগাঁর পোরশা,নিয়ামতপুর উপজেলায়।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক দেব দুলাল ঢালি জানান, প্রতি বছরই আমনে পোকা দমনে মাঠ পর্যায়ে কৃষদের সচেতন করতে নানা পদ্ধতি ও প্রচারণা চালনা হয়। চলতি মৌসুমে ও ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে, এখনও চলছে। কিন্ত শেষ সময়ে এসে কিছু এলাকায় আমনে বাদামী গাছ ফড়িং/কারেন্ট পোকার আক্রমন দেখা দিয়েছে। যেসব ক্ষেতে এ পোকার আক্রমন দেখা দিয়েছে সেসব ক্ষেতে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা পোকা দমনে কৃষকদের সাথে সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছে। সেটি যেন আরো বিস্তার করতে না পারে। তবে এখন পর্যন্ত সে ধরনের ক্ষতির দিকে যায়নি।
তিনি আরো জানান,বাদামী গাছ ফড়িং/কারেন্ট/ফুতকি পোকা হলো সব চেয়ে ভয়ঙ্কার। এ পোকা ক্ষেতে একবার প্রবেশ করলে, পুরো মাঠে ছড়ায় যেতে পারে। ধানের গোড়া কেটে দেয়। এতে ধানের মাথা সাদা হয়ে মরে যায়। ফলনও হয়না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft