1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

গাইবান্ধায় বাফার স্টকের সার খোলা আকাশের নিচে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৬
  • ২৬ Time View

11 গাইবান্ধা থেকে আরিফ উদ্দিন : গাইবান্ধা বাফার স্টক গুদামে স্থান সংকুলানের অভাবে খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখা হয়েছে প্রায় ৪ হাজার মে. টন ইউরিয়া সার। গত ৪ মাস ধরে ওইসব সার এভাবে রোদে-বৃষ্টিতে পড়ে থেকে গুণগত মান হারাচ্ছে। এ অবস্থায় বস্তার ভেতরে জমাট বেঁধে যাওয়া ওইসব সার হাতুড়ি দিয়ে গুঁড়া করে রি-প্যাকিং করে তা ডিলারদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। জমাট বাধা সার নিতে কৃষকদের আপত্তি থাকায় ডিলাররা ওইসব সার নিতে আগ্রহী না হওয়ায় বাফার স্টক কর্মকর্তাদের সাথে তাদের প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হয়।

গাইবান্ধা বাফার স্টক সুত্রে জানা গেছে, বিএডিসির একটি সার গুদামকে বাফার স্টকের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। গুদামটির ধারণ ক্ষমতা মাত্র ২ হাজার মে. টন। ঠাসাঠাসি করে এ গুদামে সর্বোচ্চ ৪ হাজার মে. টন সার রাখা যায়। কিন্তু বোরো মৌসুমে এখানে ১৪ হাজার মে. টন পর্যন্ত সার মজুদ থাকে। এ অবস্থায় বিকল্প কোন গুদাম না থাকায় পলিথিন দিয়ে ঢেকে গুদাম চত্বরে খোলা আকাশের নিচে সার রাখতে হয়। বাফার স্টকে ৭ হাজার ৭১ মে. টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৪ হাজার মে. টন গুদাম চত্বরে পলিথিন দিয়ে ঢেঁকে রাখা হয়েছে।

এদিকে সংশ্লি¬ষ্ট নির্ভরযোগ্য একটি সুত্র জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন সার কারখানায় উৎপাদিত ইউরিয়া সারের মান ভাল এবং এগুলো সহজেই জমাট বাধে না। সৌদি আরব, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতার থেকে আমদানি করা সারেরও মান যথেষ্ট ভাল। ২/১ বছরেও এগুলো জমাট বাধে না। কিন্তু চীন থেকে আমদানিকৃত ইউরিয়া সার অল্পদিনের মধ্যেই জমাট বেঁধে যায়। এসব জমাট বাঁধা সার কৃষকরা নিতে চায় না। এ কারণে ডিলাররাও এসব সার উত্তোলন করতে চান না। এ নিয়ে স্থানীয় বাফার স্টক কর্তৃপক্ষের সাথে ডিলারদের প্রায়ই ঝগড়া বিবাদের ঘটনা ঘটে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের গাইবান্ধা উপ-পরিচালক আ.ক.ম রুহুল আমিন জানান, গাইবান্ধা জেলায় ১১১ জন সার ডিলার রয়েছেন। প্রত্যন্ত এলাকায় কৃষকদের মধ্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রত্যেক ইউনিয়নেই ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও একাধিক ডিলারও রয়েছে।

বাংলাদেশ সার ব্যবসায়ি সমিতি গাইবান্ধা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুদেব চৌধুরী জানান, চীন থেকে আমদানিকৃত সার নিয়ে তারা বিপাকে পড়েন। কৃষকরা জমাট বাধার কারণে এ সার নিতে চায় না। অনেক ডিলারের নিজস্ব গোডাউনে জমাট বাধা সার পড়ে থেকে ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন।

এব্যাপারে বিসিআইসির কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের আপত্তির কথা একাধিকবার তারা জানিয়েছেন। এমনকি তারা ধর্মঘটও করেছেন। তারপরও চীন থেকে সার আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, চীন থেকে আমদানিকৃত সার খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকায় সব সারই প্রায় জমাট বেঁধে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews