1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩২ অপরাহ্ন

খালেদা জিয়া পারলে শিমুল বিশ্বাসকে আজই বাদ দিতেন : আখতারুজ্জামান

  • Update Time : বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৩৭ Time View

04এশিয়ানবার্তা: ১৯৮৬ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সরকারের কার্যক্রম পছন্দ না হওয়ায় সেনাবাহিনীর চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন বিএনপি’র সাবেক এমপি মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান। এরপর আসেন রাজনীতিতে। যুক্ত হন বিএনপিতে। কিন্তু বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়েছেন। এখনো রাজনীতিতে আছেন মনেপ্রাণে, নিভৃতে।

বিএনপি মাঠেও নেই, কৌশলেও যেন আওয়ামী লীগের কাছে ধরাশায়ী। এমতাবস্থায় কৌশলগতভাবে তারা কীভাবে এগিয়ে যেতে পারে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি’র সাবেক এমপি মেজর (অব.) মো. আখতারুজ্জামান বলেন, নেতৃত্ব পুরোপুরি চলে গেছে সুবিধাবাদীদের হাতে। যারা সম্পূর্ণ সুবিধাবাদী ও সুযোগসন্ধানী তাদের কাছে বিএনপি আজকে বন্দি। আর তাদের হাতে ম্যাডাম (বেগম জিয়া) নিজেও বন্দি। তারা (বিএনপি নেতারা) সরকারের সাথে আঁতাত করে এই দলটাকে চালাচ্ছে। বর্তমান নেতৃত্বের বেশিরভাগই সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ দালাল।

তাহলে কি খালেদা জিয়া স্বাধীনভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই আসে না, ম্যাডাম এখন স্বাধীন না। তিনি একটি জেলে বন্দি আছেন, ১/১১ এর সময় তিনি সংসদ ভবনের জেলে ছিলেন, এখন তিনি গুলশানের জেলে বন্দি আছেন।

যে কোনো নেতা তার সাথে গিয়ে কি দেখা করতে পারবেন? জবাবে তিনি বলেন, না পারেন না। দৃশ্যমান একটি ছায়া তাকে ঘিরে রেখেছে। তার জেলার হলেন (খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী) শিমুল বিশ্বাস, তার অনুমতি ছাড়া খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করা কারোর সম্ভব নয়। যেমন কোনো জেলারের অনুমতি ছাড়া কোনো হাজতির সাথে দেখা করতে পারবেন না তেমনই শিমুল বিশ্বাসের অনুমতি ছাড়া তার সাথে কেউ দেখা করতে পারেন না।

কিন্তু খালেদা জিয়া এ রকম হয়ে আছেন কেন? উত্তরে তিনি বলেন, তিনি তো একজন মহিলা মানুষ, তিনি তো দৌড় দিয়ে কোথাও যেতে পারবেন না। তিনি ঘর থেকে বের হলেও মারা যেতে পারেন, আর তাদের কথা না শুনলে ঘরে থেকে তিনি মারা যেতে পারেন। তিনি এখন অসহায়, এটা বিএনপির কোনো নেতা বলতে পারছে না। দল থেকে বলা উচিৎ ছিল তার কাঠামোতে যারা আছে সেগুলো ভেঙ্গে ফেলতে হবে। এরা থাকা মানেই তিনি বন্দি। কিন্তু ম্যাডামকে বোঝানো হয়েছে, এ কথা যে-ই বলবেন সে বিদ্রোহী।

এই অবস্থা থেকে খালেদা জিয়া বেরিয়ে আসতে পারবেন কিভাবে? জবাবে তিনি বলেন, এই অবস্থা থেকে বের করতেই আমরা সংগ্রাম করছি। আর যারা এই উনাকে বের করার জন্যই আমরা চেষ্টা করছি। আমরা যারা এই চেষ্টা করছি তারা এখন অবহেলিত হচ্ছি, এই সময়ের ভিলেন হচ্ছি। কিন্তু আমাদের বিশ্বাস আমরা চূড়ান্ত জয়ী হবই। প্রতিদিন উনি বারান্দায় এসে কথা বলুক। প্রতিদিন তার বাসার সামনে নেতাকর্মীদের সমাগম হওয়া উচিৎ সকালে, দুপুরে এবং সন্ধ্যায়। যাতে প্রতিবারই ম্যাডামের এসে বলতে হয় তোমরা ঘরে যাও আমি ভালো আছি। আমাদের দাবি বিএনপি নেতা-কর্মীদের উনার বাসায় আনা উচিৎ।

বেগম জিয়া শিমুল বিশ্বাসের উপর এতো ভরসা রাখছেন কেন? উত্তরে তিনি বলেন, তার ওপর কোনো ভরসাই নাই, উনি পারলে শিমুল বিশ্বাসকে আজকেই বাদ দিতে চান। কিন্তু এই কথাটা বলবে কে? তাকে বাদ দিতে হলে তো একটা চিঠি লিখতে হবে, সেটা টাইপ করবে কে? এখন তাকে বের করে দেওয়ার জন্য তো একটা লোক লাগবে কিন্তু সেই লোকটি তো তার নাই। দলে অনেক লোক রয়েছে, কিন্তু ওখানে (খালেদা জিয়ার বাসায়) গিয়ে যদি বলি গেট খুলে দাও, তাহলে ভেতরে ওরা খারাপ কাজ করে ফেলবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft