1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় বিমান থেকে নামতে হলো

  • Update Time : শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৬
  • ২৬ Time View

%e0%a7%a6%e0%a7%af%e0%a7%a9এশিয়ানবার্তা: মোবাইল ফোনে কথা বলার সময় ‘ইনশাআল্লাহ’ বলায় সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের এক তরুণ যাত্রীকে বিমান থেকে নেমে যেতে বাধ্য করা হয়। এ বছর এপ্রিলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৬ বছর বয়সী বার্কলে ইউনিভার্সিটির পলিটিক্যাল সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েট খাইরুদ্দিন মাখজুমি এ ঘটনার শিকার হন।

বিমানে আসন গ্রহণের পর তিনি বাগদাদে তার এক চাচাকে ফোন করেন। আগের দিন জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে সান্ধ্যভোজে অংশগ্রহণের সময় তিনি বান কি মুনকে কী প্রশ্ন করেছিলেন সে সম্পর্কে ফোনে চাচাকে বলছিলেন। কথা বলা শেষ করার আগে তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ উচ্চারণ করেন। কথা শেষ করার পর তিনি দেখেন অন্য আসনের এক নারী যাত্রী তার দিকে স্থির চোখে তাকিয়ে আছেন। খাইরুদ্দিন বলেন, ‘শুরুতে ভেবেছিলাম উচ্চস্বরে কথা বলার কারণে তিনি আমার ওপর বিরক্ত হয়েছেন।

দুই মিনিটের মধ্যে এক ব্যক্তি দুইজন পুলিশকে নিয়ে আমার কাছে আসেন। এত দ্রুত তারা আমার কাছে এলেন যে, আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না। তারা আমাকে বিমান থেকে নেমে যেতে বললেন। এরপর একজন আমাকে পাহারা দিয়ে বাইরে বের করে দেয় এবং আমাকে বলে ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে’ কেন আমি আরবি শব্দ উচ্চারণ করেছি। আমাকে তারা ‘শহীদদের’ সম্পর্কে যা জানি সব খুলে বলতে বলে।’

খাইরুদ্দিন নিজের পে ব্যাখ্যা দেয়ার আগেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে তার মালপত্র তল্লাশি করা হয়। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন মানুষদের ভূমি। এখানে মানুষ আইনের শাসনকে সম্মান করে। এরপরও এ দেশে কিভাবে মানুষকে এভাবে হেনেস্তা হতে হয়? এটা সত্যিই খুব বড় ধাক্কা। আমি সাদ্দাম হোসেনের আমলে ইরাকে বসবাস করেছি। আমি জানি বৈষম্যের শিকার হলে কেমন লাগে।’ ২০১০ সালে বড় বোনের সঙ্গে বৈধ অভিবাসী হিসেবে ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যান খাইরুদ্দিন।

এরপর সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্স কর্তৃপ তাদের ফাইটে খাইরুদ্দিনকে আর উঠতে দেয়নি এবং টিকিটের পুরো অর্থ ফেরত দিয়ে দেয়। পরে তিনি ডেল্টা এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে গন্তব্যে যান। খাইরুদ্দিন বলেন, তিনি মাস্টার্সের জন্য আবেদন করেছেন। তাকে ‘শিক্ষা গ্রহণের সেরা ব্যবস্থা করে দেয়া ও অন্যান্য অনেক সুবিধা দেয়ার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘এখন এটাই আমাদের বাড়ি। আমাদের আর কোনো বাড়ি নেই। এপ্রিলের অভিজ্ঞতা একটি বেদনাদায়ক স্মৃতি ছাড়া আর কিছু নয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews