ভুটানও ভয় দেখাচ্ছে ভারতকে

ফকীর শাহ < এশিয়ানবার্তা ডেস্ক > ভাপরতকে কেউ খোঁচাচ্ছে। কেউ ধাক্কাচ্ছে । আবার কেউ ভয়ভীতিও দেখাচ্ছে। নেপালের পর ভুটানও ভারতের ঘাড়ে পা রেখে দাদাগিরি চালাচ্ছে।

চীন ও নেপালের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে ভুটানও ভারতকে ভয় দেখাচ্ছে। এবার তারা বন্ধ করে দিল ভারতের সেচের পানি আনা। সীমান্ত পেরিয়ে ভুটানে গিয়ে কোনও ভারতীয় কৃষক আর জল আনতে পারবেন না।

এই গোটা ঘটনায় ভারতের আকাশে প্রবল কূটনৈতিক কালো মেঘের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে বলেই কূটনীতিবিদরা মনে করছেন। যদিও ভুটানের দাবি,করোনাভাইরাস সংক্রমণ চলছে ভারতে। অসমে সংক্রমণ বেশি। সেই কারণে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধ। তাই ওপারে ভারত থেকে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

আপাত দৃষ্টিতে ভুটান সরকারের যুক্তি স্বাভাবিক বলে মনে হলেও, অসমের বাকসা জেলায় প্রবল অসন্তোষ ছড়িয়েছে। কারণ, ভুটানের কালানদীর জল টেনে এনেই চাষের কাজ হয়। প্রায় ২৬টি গ্রামের ৬০০০ কৃষকের জীবন এতে জড়িয়ে। নিরুপায় এই হাজার হাজার কৃষক প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। ভুটানের সামদ্রুপজংখা জেলার লাগোয়া আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে শুরু হয়েছে কৃষকদের অবস্থান বিক্ষোভ।

তবে নীরব ভুটান। কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি থিম্পুর তরফে। কূটনীতিবিদরা বলছেন, ১৯৫৩ সাল থেকেই অসমের দিকে নদীর জল পাঠাচ্ছে ভুটান। আচমকা কেন তার গতিরোধ করা হল সেটাই চিন্তার কারণ।

সম্প্রতি চিন ও নেপালের সঙ্গে তীব্র সীমান্ত উত্তেজনা, নেপালি পুলিশের গুলিতে ভারতীয়ের মৃত্যু, তার পরেই লাদাখে চিনা হামলায় ২০ জওয়ানের শহিদ হওয়া সব মিলিয়ে সরকার বিব্রত। এর মাঝে নীরবেই ভুটান জল পাঠানো রুখে দিয়ে নতুন কোনও কূটনৈতিক ইঙ্গিত দিল কিনা তাও প্রশ্ন উঠছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.