1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

পোরশায় হাসপাতাল উদ্বোধনের ৩ বছর পরও চালু হয় নি

  • Update Time : সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৬
  • ৫৭ Time View

p-01পোরশা (নওগাঁ)থেকে ডিএম রাশেদ: নওগাঁর পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩বছর থেকে শুধু কাগজ কলমেই ৫০ শয্যার হাসপাতাল। প্রায় ৬বছর পূর্বে ৩১শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নিত করার জন্য অবকাঠামো নির্মান করা হয়। এবং ৩বছর পূর্বে ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু করার জন্য তার উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু উদ্বোধনের ৩বছর পরেও এখনো তার কার্যক্রম শুরুই করা হয়নি। বর্তমানে হাসপাতালটি শুধুমাত্র কাগজ কলমে ৫০শয্যা হিসাবে চলছে। অপরদিকে, হাসপাতালটিতে ৩১শয্যার জনবলই পুরন নেই। তাই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি।

পোরশা উপজেলার নিতপুর সদরে ১৯৭০সালে নির্মীত ৩১শয্যার হাসপাতালটিতে বিভিন্ন পদে পর্যাপ্ত জনবল কখনই পুরন ছিলনা। এমনকি হাসপাতালটি যখন ৩১থেকে ৫০ শয্যায় উন্নিত করা হয় তখনও কোন পদই পুরন ছিলনা। এ উপজেলার প্রায় দেড় লক্ষাধীক জনসাধারনের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ৩১থেকে ৫০শয্যায় উন্নিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এবং ২০১০সালে ৫০ শর্যার সকল অবকাঠামো তৈরি করা হয়। অবকাঠামো তৈরি করার ২বছর পর ২০১৩সালে ৩১থেকে ৫০শয্যা হাসপাতালের উদ্বোধন করা হয়। ৫০শয্যা হাসপাতাল উদ্বোধনের ৩বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত তার কোন কার্যক্রম শুরুই করা হয়নি। দেওয়া হয়নি ৫০ শয্যার কোন যন্ত্রপাতি এবং লোকবল।

বর্তমানে হাসপাতালটির গুরুত্বপূর্ন বিভিন্ন পদে ৬৭জনের বিপরিতে মাত্র ২৮জন লোকবল রয়েছে, যা উপজেলার দেড় লক্ষাধীক জনসাধারনরে চিকিৎসা সেবা ভালভাবে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

জানা গেছে, পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির ৩১শয্যা হিসাবে গুরুত্বপূর্ন ১৩টি বিভিন্ন পদের মধ্যে ৫টি পদে কোন লোকবলই নেই। এই ৫টি পদ একেবারেই শুন্য অবস্থায় রয়েছে। আবার গুরুত্বপূর্ন একটি পদে ৩জন বর্তমান থাকলেও একেবারেই বৃদ্ধ হওয়ায় তারা কোন কাজকর্মই করতে পাচ্ছেন না। একটি মাত্র এক্সরে মেশিন থাকলেও তার টেকনিশিয়ান ডেপুটেশনে থাকায় মেশিনটি ব্যবহার হচ্ছেনা। ফলে এক্সরে মেশিনটি এখন নষ্ট হতে চলেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদে ৬৭জনের বিপরিতে মাত্র ২৮জন জনবল রয়েছেন। গুরুত্বপূর্ন পদে ৩৯জনের স্থানই শূণ্য অবস্থায় রয়েছে।
এদের মধ্যে স্বাস্থ্য পরিদর্শক পদে ১টির মধ্যে ঐ ১টি, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক পদে ৪জনের মধে ৪টি, প্রধান সহকারী ১টির মধে ১টি, পরিসংখ্যান সহকারী ১টির মধ্যে ১টি, স্টোর কিপার ১টির মধ্যে ১টি পদে কোন লোকবলই নেই। সুইপার ৫জনের বিপরিতে ৪জন থাকলেও। ১জন জেলা সিভিল সার্জন অফিসে প্রেশনে। আর ৩জন একেবারেই বৃদ্ধ হওয়ায় তারা কোন কাজ কর্ম করতে পারেন না। তাই সুইপারের কাজগুলো বাইরে থেকে লোক দিয়ে করতে হয়।
এ ছাড়া বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ সর্বমোট ৯জন চিকিৎসকের মধ্যে মাত্র ৩জন চিকিৎসক রয়েছেন। যা দেড় লক্ষ জনসাধারনের স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া কখনই সম্ভব নয়। সিস্টার ১১জনের মধ্যে মাত্র ৪জন রয়েছেন। এ পদে ৭জন সিস্টার পদ শূন্য রয়েছে। মেডিকেল এসিসটেন্ট ৬পদের বিপরিতে রয়েছেন ৪জন। টিকাদানকারী পদে ২০জনের মধ্যে ১৫জন রয়েছেন। ক্যাশিয়ার ১জনের বিপরিতে ঐ ১জনই জেলা সিভিল সার্জন অফিসে প্রেশনে রয়েছেন। কম্পিউটার অপারেটর ৩জনের বিপরিতে মাত্র ১জন রয়েছেন। এমএলএসএস পদে ৪জনের বিপরিতে মাত্র ১জন রয়েছেন। যে কারনে উপজেলার দেড় লক্ষাধীক জনসাধারনকে আশানুরূপ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে।

এ ব্যাপারে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মঞ্জুরুল আলম ৩১থেকে ৫০শর্যায় উন্নিত হলেও এর কার্যক্রম চালু না হওয়ার কথা  জানিয়ে বলেন, লোকবল সংকটের কারনে প্রায় দেড় লক্ষ জনগণের চিকিৎসা দিতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। গুরুত্বপূর্ন বিভিন্ন পদে পরিমানের অর্ধেকেরো কম সংখ্যক জনবল দিয়ে এতোগুলো মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চত করা অনেক কঠিন কাজ। তিনি আরও জানান, ৫০ শয্যা শুধু কাগজ কলমে। বাস্তবে ৩১শয্যার জনবলই নেই। তাই এখানে জরুরীভাবে চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ করা প্রয়োজন। তিনি এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft