শিশুর শারিরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরব বিপ্লব ঘটাচ্ছে শিশুবিকাশ কেন্দ্র


এফ শাহজাহান :: মায়েদের একটাই অভিযোগ ,তার বাচ্চা কিছুই খেতে চায় না। পড়তে বসতে চায় না। সারাক্ষণ টিভি দেখতে বা মোবাইল ফোন নিয়ে পড়ে থাকে। অনেকে বাবা-মা ফোন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, তার বাচ্চার বয়স এক বছর হচ্ছে অথচ সে এখনো কথা বলতে পারছে না। কেউ বলেন বা”চা তো বড় হচ্ছে কিন্তু এখনো দাঁড়াতে শিখেনি,হাঁটতে পারে না। কেউ বলেন এতোবড় বা”চা তবু এখনো দাঁত উঠছে না।
অনেক বাবা-মা অভিযোগ করেন, তার বাচ্চা ঠিকমত খেলা করেনা এবং কোন কিছুতেই তেমন সাড়া দেয় না। কেউ কেউ বলেন, তার বা”চা গোসল করতে চায় না। কারো বাচ্চা প্রচন্ড রাগী। কেউ অস্বাভাবিক জেদি। দুষ্ট,চঞ্চল,অতিরিক্ত কর্মতৎপর, আক্রমণাত্মক আচরণ, ভীষণ রাগ, ক্রোধ, উত্তেজনা প্রবণ, খিটখিটে মেজাজ এরকম আরো হাজারো অভিযোগ বাবা-মায়ের। আর সন্তানের এ সব কিছুই মা বাবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকে।
শিশুদের এসব আচরন বাবা-মায়েদের জন্য সত্যিই খুব ভয় ও উদ্বেগের বিষয়। এখন আবার অতি সচেতন বাবা মায়েরা বা”চার অটিজম নিয়ে শংকায় থাকেন। এসময় তারা সঠিক সিধান্তও নিতে পারন না যে, তার বা”চার এসব সমস্যার জন্য তারা কি করতে পারেন,কোথায় যেতে পারেন। কাছের মানুষেরা একেকজন মা-বাবাকে একেক রকম পরামর্শ দেন। কিন্তু সঠিক পরামর্শ কেউই দিতে পারেন না। ফলে শিশুকে নিয়ে রাজ্যের সব দু:শ্চিন্তা ভর করে বাবা মায়ের মাথায়।
বেশিরভাগ বাবা মা তাদের শিশুদের নিয়ে এমন সব উদ্বেগের মধ্যে থাকেন। বাবা মায়ের এই উদ্বেগকে আরো বাড়িয়ে দেয় পাড়া প্রতিবেশি আত্মীয় স্বজনরা। হঠাৎ বাবা মায়ের মনে তারা ভয় ঢুকিয়ে দেয় যে, আপনার বা”চা অটিস্টিক হয়ে যাচ্ছে কিনা।
শিশুদের নিয়ে বাবা-মায়েদের উদ্বেগ উৎকণ্ঠা আর ভয়ের হাত থেকে বাঁচাতেই নিরলসভাবে কাজ করছে শিশুবিকাশ কেন্দ্র। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধিনে দেশের ১৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খুবই যত্ন ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে শিশুবিকাশ কেন্দ্র ।
বিনামুল্যে শিশুর শারিরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ২০০৪ সাল থেকে কাজ করে যাওয়া শিশুবিকাশ কেন্দ্র শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরব বিপ্লব ঘটিয়েছে।এখানে একজন অভিভাবক না আসলে কখনোই বিশ্বাস করবেন না যে বিনা পয়সায় বাংলাদেশে এতো মুল্যবান স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া সম্ভব। না দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবেন না যে, দেশের সরকারি হাসপাতালে বিনা খরচে এতো দামি চিকিৎসা এতো সুন্দরভাবে করানো যায়।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে,শিশুবিকাশ কেন্দ্রের বিশেষায়িত সেবায় গত ১৬ বছরে লাখ লাখ শিশুর মানসিক ও শারিরিক স্বাভাবিক বিকাশ ঘটেছে। সুস্থ হয়ে বেঁচে আছে হাজার হাজার শিশু। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ টীমের নিবিড় তত্ত্বাবধানে সুস্থ হয়ে উঠেছে দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত অনেক শিশু। শুধু বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুবিকাশ কেন্দ্রেই ২০০৪ সাল থেকে এপর্যন্ত তারা ৭ হাজার ৩শ ৬৯ জন শিশুর চিকিৎসা করে সুস্থ করে তুলেছেন। এদের বেশিরভাগই শারিরিক এবং মানসিক বিকাশজনিত জটিল সসমস্যায় ভুগছিল।
শিশুদের নিয়ে বাবা-মার সব চিন্তা চেতনা ঘুরপাক খায়। আমাদের বা”চারা ঠিকমত খাচ্ছে কিনা, ঠিকঠাক বড় হচ্ছে কিনা, সবসময় সুস্থ থাকছে কিনা, এসব আমরা দেখি। আমরা বেশিরভাগ বাবা-মা শিশুর শারিরিক সুস্থতা এবং শারিরিক বিকাশের দিকেই বেশি নজর দিই। অনেকেই বুঝিনা যে শিশুর শারিরিক বিকাশ যেমন জরুরী,ঠিক তেমনি শিশুর মানসিক বিকাশটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
জন্মের পর থেকেই শিশশুর নানা শারিরিক অসুস্থতা এবং শিশুর পরিপূর্ণ মানসিক বিকাশ নিয়ে দু:শ্চিন্তার মধ্যে থাকেন অধিকাংশ অভিভাবক। এ দু:শ্চিন্তার যথেষ্ঠ কারনও কাছে। পারিপার্শ্বিক কারনে এখন নানাভাবে শিশুর মানসিক বিকাশ ব্যহত হয়।
সমস্যা হচ্ছে যে,আমরা শুধু আমাদের শিশুর শারিরিক বিকাশটাই দেখতে পাই,কিন্তু শিশুর মানসিক বিকাশ দেখার জন্য যে দৃষ্টি লাগে সেই দৃষ্টিতে সবাই তাকানোর সময় ও সুযোগ পাই না। এর ফলে ভেতরে ভেতরে অনেক শিশুর মানসিক বিকাশ ব্যহত হয়। এভাবে চলতে চলতে একসময় শিশুর মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তখন আমরা টের পাই। কিন্তু দেরিতে টের পাওয়ার কারনে শিশু এবং বাবা মা উভয়কেই চির জীবনের জন্য কষ্ট করতে হয়।
শিশু ঠিকমত খাচ্ছে কিনা সেটা নিয়ে একজন মা যেমন সবসময় পেরেশানির মধ্যে থাকেন,ঠিক তেমনটা খেয়াল করেন না যে তার শিশু ঠিকমত খেলছে কিনা,সাড়া দিচ্ছে কিনা,শিশুর মনোসংযোগ ঠিকমত হচ্ছে কিনা। বাবা মায়ের এসব বেখেয়ালের কারনেও অনেক সময় শিশুর ছোাটখাট মানসিক সমস্যা একসময় জটিল আকার ধারন করে। আপনি যদি ছোটতেই খেয়াল করতেন যে শিশুর মানসিক বিকাশ ঠিকমত হচ্ছে কিনা,তাহলে শুরুতেই এসব সমস্যা সারিয়ে তোলা যেতো।
আবার অনেক মা বাবা আছেন যে তারা শিশুর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি গোপন রাখতে চান। এটা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে শিশুর মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে।সামাজিকতাসহ নানা কারনে শিশুর মানসিক অসুস্থার চিকিৎসা করাতেও রাজি হন না অনেক পরিবার। শিশুর মানসিক রোগ হয়েছে বা হতে পারে এটা তারা মানতেই চান না।এধরনের অভিভাবকগনই পরে সবচে বেশি বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েন।
শিশুবিকাশ কেন্দ্র অনেক কাজের মধ্যে মোটাদাগে যে কাজগুলো করছে তা হলো,বয়স উপযোগী শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ নির্নয়। শিশুর শারিরিক বিকাশগত সমস্যা খুঁজে বের করা। শিশুর ভাষার বিকাশগত সমস্যা নির্নয়। শিশুর সামাজিক বিকিাশগত সমস্যা নির্নয়। শিশুর আবেগীয় বিকাশ ঠিকমত হচ্ছে কিনা এবং কেনো বিকাশ ব্যহত হচ্ছে তা নির্নয় করা। শিশুর বৃদ্ধি বিকাশগত সমস্যা নির্নয়,দৃষ্টিশক্তির বিকাশগত সমস্যার কারন নির্নয় করা এবং সুচিকিৎসা দেওয়া।
এছাড়াও শিশুর অটিজম,সেরিব্রাল পালসি,ডাউন্স সিন্ড্রোম,আচরনগত সমস্যা,লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়া,ক্ষীণদৃষ্টি সম্পন্ন শিশুর ম্যানেজমেন্ট,এডিএইচডি ও মনোবৈজ্ঞানিক সেবা প্রদান করছে শিশুবিকাশ কেন্দ্র। শিশশুর খিঁচুনি ও মৃগী রোগেরও উন্নত চিকিৎসেবা দিচ্ছে শিশুবিকাশ কেন্দ্র।
এছাড়াও সবচে বড় যে বিষয়,তা হচ্ছে শিশুর বুদ্ধি অভীক্ষা, বাবা-মায়েদের জন্য পজিটিভ প্যারেন্টিং এবং কাউন্সেলিং সেবা দিয়ে যাচ্ছে শিশুবিকাশ কেন্দ্র। মোটকথা শিশুর যে সব মানসিক ও শারিরিক অসুস্থতার চিকিৎসা অন্যকোথাও সহজে পাওয়া সম্ভব নয়,সেই চিকিৎসা সেবা সহজেই পাওয়া যাচ্ছে শিশুবিকাশ কেন্দ্রে। একজন শিশুর নানাবিধ অসুস্থতা নিয়ে একজন অভিভাবকের দু:শ্চিন্তার যতগুলো কারন আছে,তার সবগুলোরই সমাধান মিলছে শিশুবিকাশ কেন্দ্রে।
যেহেতু শিশুবিকাশ কেন্দ্র বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন একটি বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প, সেহেতু, এখানকার চিকিৎস্যা ব্যায় নিয়েও কাউকে দু:শ্চিন্তা করতে হয় না। বিনামুল্যে উন্নত চিকিৎসা সেবা পাওয়ার এই সুযোগের কথা অনেকেই জানেন না বলেই এখানকার সেবা থেকে অনেক বিপদগ্রস্থ অভিবাবক বঞ্চিত হচ্ছেন।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুবিকাশ কেন্দ্রের চাইল্ড হেলথ ফিজিশিয়ান ডা:আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এখানে শিশুদের সব ধরনের রোগেরই চিকিৎসা দেওয়া হয়। রেফার্ডকৃত শিশুদের যেমন চিকিৎসা দেওয়া হয় তেমনি আরো উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন হলে যথাযথ স্থানে রেফার্ডও করা হয়। তবে বেশিরভাগ মা বাবাই তাদের বা”চার রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে এখানে আসেন না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুর জটিল সমস্যা নিয়ে আসেন।আমরা শিশুর শারিরিক এবং মানসিক উভয় বিকাশের জন্যই বিশেষায়িত স্বাস্থসেবা প্রদান করে থাকি।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুবিকাশ কেন্দ্রের ডেভেলপমেন্ট থেরাপিস্ট মিজ মুশতারী জান্নাত জানান, শুধু শিশুর রোগ নির্নয় আর চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলাই বড় কথা নয়,শিশুর শারিরিক এবং মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্থ হতে পারে এমন সব বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করে তোলাও আমাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
মিজ মুশতারী আরো বলেন, বাবা-মায়েরা যখন বা”চাদের শারিরিক ও মানসিক অসুস্থতা নিয়ে একেবারে হতাশ হয়ে পড়েন,তখনই শিশুবিকাশ কেন্দ্র তাদের সব ধরনের সাপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একটা পরিবার পরিপূর্ণভাবে দু:শ্চিন্তামুক্ত হয়ে ওঠে। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সফলতা যে, আমরা দু:শ্চিন্তাগ্রস্থ মা-বাবার মুখে আনন্দের হাসি ফুটাতে পারি।
দীর্ঘদিন ধরে বা”চার মানসিক সমস্যা নিয়ে হয়রান পেরেশান হওয়া বগুড়া শহরের ব্যবসায়ী শাহাদৎ হোসেন জানান,তার বা”চা অটিজমে ভুগছে। তিনি অনেক জায়গায় ঘুরেছেন কিন্তু কোন সুফল পাননি।তিনি এতোদিন জানতেনও না যে সরকারি হাসপাতালে এরকম সুন্দর ব্যবস্থাপনায় শিশুদের বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা আছে। তার এক প্রতিবেশির মাধ্যমে শিশুবিকাশ কেন্দ্রের খবর পেয়ে এখানে এসে তিনি স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন। তিনি বুঝতে পারছেন যে এখানে তিনি সঠিক চিকিৎসা পাবেন। বা”চার সুস্থ হয়ে ওঠা নিয়ে চরম হতাশাগ্রস্থ এই পিতা জানালেন যে, তার বিশ্বাস জন্মেছে যে এখানকার চিকিৎসায় তার বা”চা পরিপূর্ণভাবে সুস্থ হয়ে উঠবে। তিনি আরো যোগ কনে যে সরকারি হাসপাতালে এতো উন্নতমানের চিকিৎসা এই বাংলাদেশে সম্ভব সেটা আমার ধারনাতেই ছিল না। এখানে আসার পর দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে আমার ধারনাই পাল্টে গেছে।
কেনো যাবেন শিশুবিকাশ কেন্দ্রে ?
বিনা পয়সায় আপনার শিশুর পারফেক্ট চিকিৎসার জন্য এরচেয়ে বেটার বিকল্প বাংলাদেশের আর কোথাও নেই। আপনার শিশুর যেকোন স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে এখানকার চেয়ে ভালো সেবা আর কোথাও পাবেন না।এখানে বিনা পয়সায় যেভাবে নিবিড় তত্ত্বাবধানে রেখে শিশুর চিকিৎসা করানো হয়, অনেক টাকা খরচ করেও কোথাও এরকম সেবা পাওয়া সম্ভব নয়। এখানে শুধু শিশুকেই সুস্থ করে তোলা হয় না,একটা পরিবারেরও ইতিবাচক মানসিক পরিবর্তন সাধিত হয়।
কখন যাবেন শিশুবিকাশ কেন্দ্রে ?
আপনার অথবা আপনার প্রতিবেশির শিশুর যেকোন সমস্যা দেখলেই শিশুবিকাশ কেন্দ্রে চলে আসবেন। তারপরও না আসলে যখন দেখবেন যে আপনার শিশু ১২ মাস বয়সেও তার নাম ধরে ডাকলে প্রতিক্রিয়া করে না,১৮ মাস বয়সে খেলতে পারে না। অন্যের চোখের দিকে সোজাসুজি তাকানো এড়িয়ে যায় এবং একা থাকতে পছন্দ করে। অন্য মানুষের অনুভূতি বুঝতে বা তাদের নিজস্ব অনুভূতি নিয়ে কথা বলতে অসুবিধা অনুভব করে। শব্দ বা ছোটো ছোটো বাক্য বারবার বলতে থাকে । প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কহীন উত্তর দেয়,কোনো ছোটখাটো পরিবর্তন পছন্দ করে না।
এসব লক্ষণ দেখলে বুঝবেন যে আপনার শিশু এ এস ডি আক্রান্ত হতে পারে। আপনি দু:শ্চিন্তা না করে যত দ্রুত শিশুবিকাশ কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন তত তাড়াতাড়িই আপনার বা”চার আবেগীয় এবং আচরণগত সসমস্যা সমাধান অনেক সহজ হবে।
ভুক্তভোগী অনেক অভিভাবকই শিশুবিকাশ কেন্দ্রের বিশেষায়িত সেবায় বেশ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে, তাদের অভিযোগও আছে, সেটা হলো, সরকারি হাসপাতালে এমন উন্নত সেবা পাওয়া সম্ভব এটা তো কেউই জানে না। এ ধরনের উন্নতমানের সেবার কথা তারা আরো আগে জানতে পারলে আরো বেশি উপকৃত হতেন। তাদের ধারনা এরকম বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প যদি দেশের সবগুলো জেলার সরকারি হাসপাতালে থাকতো,তাহলে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আরো বেশি মানুষ সুযোগ পেতেন।
সরকারি হাসপাতালের এমন বিশেষায়িত এবং উন্নত চিকিৎসা সেবা সবার জন্য নিশ্চিত করতে আপনিও দায়িত্ব নিতে পারেন আপনার চেনাজানা কোন অসুস্থ শিশুর অভিভাবককে শিশুবিকাশ কেন্দ্রের কথা জানানোর। সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা যাতে করে সরকারের এমন বিশেষায়িত স্বাস্থসেবা লাভের সুযোগ পায় সেজন্য আপনার একটু উদ্যোগই সুস্থ করে তুলতে পারে অনেক শিশুকে। আপনার একটু চেষ্টায় প্রান ফিরে পেতে পারে অনেক অসুস্থ শিশু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.