1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : namecheap :
  6. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  7. [email protected] : RM Rey : RM Rey
  8. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২১ জুন ২০২১, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ বার্তা :
সিরাজগঞ্জ বাঘাবাড়ী বেড়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের সরকারি গাছ কাটার হরিলুট রোশানকে নিয়ে ইকবালের তিন ছবি ইতিহাসের পাতায় সলঙ্গা বিদ্রোহের মহানায়ক মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ বানেশ্বরে শীতার্তদের মাঝে এনসিসি ব্যাংকের কম্বল বিতরণ নতুন তিন সিনেমায় সাইমন-মাহি জুটি পুঠিয়ায় ট্রাক্টর ও কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর জখম দুইজন ফুলবাড়ীতে কর্মজিবী আদিবাসীদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান দৌলতদিয়ায়-পাটুরিয়া ফেরি চলাচল বন্ধ, মাঝ নদীতে ৪ ফেরি রাজবাড়ী পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডে প্রতিবছর কোটি টাকার উন্নয়ন করা হবে -প্রার্থী পলাশ ঘন কুয়ায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল আবারও বন্ধ নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

সালমান শাহ খুনের সঙ্গে জড়িত থাকলে সরকার আমাকে পুরস্কৃত করতো না’

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০১৭
  • ৩১ Time View

এশিয়ানবার্তা : ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনক মৃত্যু হয় ঢাকাই ছবির অমর নায়ক সালমান শাহের। এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মামলা হয়েছে। সালমানের পরিবার ও ভক্তরা সালমানকে খুন করা হয়েছে দাবি করে আন্দোলন করে খুনিদের শনাক্ত করে তাদের শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘ ২১ বছর ধরেই।

কিন্তু কোনো কিনারা পাওয়া যায়নি আজ অবধি। এরই মাঝে বোমা ফাটালেন রাবেয়া সুলতানা রুবি নামের এক আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশি। অনলাইনে একটি ভিডিও বার্তা ছেড়ে তিনি দাবি করেছেন, সালমান শাহকে খুন করা হয়েছে। সেই খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তারই স্বামী। চীনাদের দিয়ে এই খুন করানো হয়। এতে জড়িত ছিল সালমান শাহের স্ত্রী সামিরার পরিবারও।

তবে এসব তথ্যকে অবান্তর বলে দাবি করলেন সামিরার বাবা শফিকুল হক হীরা। তিনি ভিডিও প্রকাশকারী রুবিকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলেও দাবি অভিহিত করলেন। সোমবার বিকেলে তিনি বলেন, ‌ভিডিওটি আমিও দেখেছি। এটা খুবই হাস্যকর লেগেছে আমার কাছে। আমি জেনেছি রুবি তার স্বামীর সঙ্গে নেই। ওদের ডিভোর্স হয়েছে। শেষ বয়সে অর্থকড়ির ঝামেলায় আছে হয়তো। কারণ ডিভোর্সের সময় স্বামীর কাছ থেকে টাকা নিতে পারেনি, তার ও পুত্রের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারেনি। এজন্য মাথা হয়তো বিগড়ে গেছে। কিন্তু তার দায় তো দেশ ও জাতি নেবে না।

তিনি আরো বলেন, ও নিঃস্ব অবস্থায় আছে। তাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যা খুশি তাই করছে। হতে পারে সালমানের মা ওকে টাকার লোভ দেখিয়ে থাকতে পারে। সেজন্যই একটা পুরনো ইস্যুকে নতুন করে রঙ মাখিয়ে হাজির করেছে।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক হীরা বলেন, ও নিজেই তো এই মামলার আসামি। ঘটনার শুরু থেকেই সে সমালোচিত সালমান খুনের সঙ্গে। কিন্তু বরাবরই সে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এসেছে। সালমানের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করে সালমানের মাকে কটাক্ষ করেছে। তবে নতুন করে কেন সে এসব মিথ্যাচার করছে সেটা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন।

ভিডিওতে সামিরা ও তার পরিবার সালমান খুনের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য কী জানতে চাইলে হীরা বলেন, এটাকে পাত্তা দেয়ার মতো কিছু আছে বলে আমি মনে করি না। আমার মেয়ে বা আমার পরিবার এর সঙ্গে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসে না। কারণ, বহু আগেই আদালত এটা প্রমাণ করেছেন যে সালমান শাহ আত্মহত্যাই করেছিল। সুতারাং খুনের প্রসঙ্গই আসে না। রুবি হয়তো কোনো কারণে ব্ল্যাকমেইল করতে চাইছে আমাদের।

তিনি বলেন, সালমানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সালমানের মা অকারণেই আমার মেয়ে ও পরিবারকে অপমান করার চেষ্টা করেছে। আদৌ এসবের কোনো ভিত্তি নেই। এটা প্রমাণিত। আমাদের কাছের মানুষ যারা তারা সবাই জানেন যে সালমান প্রচণ্ড ভালোবাস তো সামিরাকে। সে সামিরার সৌন্দর্যে মুগ্ধ ছিল বরাবরই। তারই সামনে ১৯৯৫ সালে শাহরুখ খান সামিরাকে বলিউডে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। সে আমার মেয়েকে নিয়ে গর্ব করত।

আর আমরাও সালমানকে প্রচণ্ড আদর করতাম। কারণ ও শুধু আমাদের জামাই ছিলো না, সালমান ছিলো আমার বন্ধুর পুত্র এবং আমার স্ত্রীর বান্ধবীর পুত্র। ও তখন অনেক জনপ্রিয় নায়ক হলেও খুব বেশি টাকা কিন্তু আয় করতো না।

আমাকে প্রায় সময়ই চট্টগ্রাম থেকে পঞ্চাশ হাজার করে, এক লাখ করে টাকা পাঠাতে হতো। আমি পাঠাতামও সন্তান মনে করেই। কেন সে আত্মহত্যা করলো সেটা অজানাই এবং আফসোসের। তবে আমার মেয়ে ও আমার পরিবার থেকে কোনোদিন ভালোবাসার কমতি ছিলো না সালমানের জন্য।

শফিকুল হক হীরা নিজের পরিবারকে নির্দোষ দাবি করে আরো বলেন, আমি বা আমার পরিবার যদি মেয়ের জামাই খুনের সঙ্গে জড়িত থাকতাম তবে যে বছর সালমান মারা গেল সেই বছরই সাবের হোসেন চৌধুরী আমাকে সরকারিভাবে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পুরস্কৃত করতেন না। আমিও সম্মানের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে আজ অবধি জড়িত থাকতে পারতাম না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন আমি কেমন। এই দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আমার কী অবদান।

তার কাছে সালমানের মা নিজেও গিয়েছিলেন ছেলে হত্যার শাস্তি চাইতে। কিছু হয়েছে? হয়নি। কারণ, একটা আত্মহত্যাকে জোর করে হত্যা বলে প্রমাণ করা যায় না। আর প্রধানমন্ত্রী জানতেন সালমানের মা নীলা চৌধুরী কেমন। স্বৈরশাসক এরশাদের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ছিলেন নীলুফার চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরী সেই কথা কারো অজানা নয়।’

সালমানের মা প্রসঙ্গে এই প্রবীন ক্রিকেটার আরো বলেন, সালমানের বাবা ছিলো আমার ক্লাসমেট। খুব ভালো বন্ধু ছিলো আমার। ও ছিলো ফার্স্টক্লাশ ম্যাজিস্ট্রেট। ছেলের মৃত্যু নিয়ে সে খুব আপসেট ছিলো। আমরা একে অপরকে শান্তনা দিয়েছিলাম। সে চেষ্টা করেছিলো সালমানের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করতে। কিন্তু পারেনি তার স্ত্রীর জন্য। সালমানের মা নীলা চৌধুরীর স্বভাব-চরিত্র নিয়ে সেইসময় অনেক সমালোচনা হতো সবখানে। সালমান খুনের সঙ্গে তার মায়ের নামেই চলে আসছিলো। নিজের সমালোচনার জন্যই নীলা চৌধুরী ছেলের খুনের মামলা করেও খুব একটা গুরুত্ব পাননি।

এই ক্রীড়া সংগঠক বলেন, আমার স্ত্রী বর্তমানে চীন ও আমেরিকায় নানা রকম ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত আছে। আমার মেয়ে সামিরাকে আমরা দ্বিতীয়বার ভালো ঘরের ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছি। সেই সংসারে সুখে আছে সে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার ও আমার পরিবারের ভাবমূর্তি কম ক্ষুন্ন হয়নি। এই সময়ে এসে এইসব বাতিল বিতর্কে আমি আর কান দিতে চাই না। পাগলে অনেক কিছুই বলবে। তাতে কী আসে যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com
Theme Customized By BreakingNews