1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন

আনন্দ উল্লাসের মধ্যদিয়ে নতুন বছর বরণ করল বিশ্ববাসী

  • Update Time : রবিবার, ১ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ৩৭ Time View

09এশিয়ানবার্তা: আনন্দ-উল্লাস আর আতশবাজির মধ্যদিয়ে নতুন বছরকে বরণ করেছে বিশ্ববাসী। শহরে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রথম জাঁকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ২০১৭ সালকে বরণ করে নেয়ার উৎসব।

স্বাগতম ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ। পাওয়া না-পাওয়ার হিসাব চুকিয়ে নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যাশা নিয়ে এসেছে বছরটি।

দেশবাসীকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ জাতীয় নেতারা। পৃথক পৃথক বাণীতে দেশবাসীর অব্যাহত সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন তারা।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো নদীমাতৃক বাংলাদেশেও বাহারি ফুল, গ্রিটিংস কার্ড আর উপহার সামগ্রীসহ নানা আয়োজনে বরণ করা হচ্ছে ইংরেজি নববর্ষকে। তবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের এ যুগে এখন ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময়ে বেশি ব্যস্ত মানুষ।

বহিরাগতদের ঠেকাতে ও নিরাপদে উৎসব উদযাপনে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান রমনা জোনের ডেপুটি কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার। তিনি বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সজাগ অবস্থানে রয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না হয়, সেজন্য যারা বাইরে থেকে প্রবেশ করছেন তাদের প্রত্যেককে তল্লাশি করে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আশা করি কোনও সমস্যা হবে না।

এর আগে ঢাকা মেট্রোপলিটনের পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এক সংবাদ সম্মেলনে নগরীর নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। এগুলো সকল নাগরিককে মেনে চলার অনুরোধ জানান তিনি।

নির্দেশনাগুলো হল- রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তায় বা প্রকাশ্যে কোনও ধরণের উৎসব আয়োজন করা যাবে না। উন্মুক্ত স্থানে কোনও ধরণের অনুষ্ঠান করা যাবে না। গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের রাত ৮টার মধ্যে এলাকায় প্রবেশ করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পরে বহিরাগত কোনও ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গাড়ি নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে নীলক্ষেত এবং শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। প্রবেশের সময় সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড দেখাতে হবে।

গুলশান এলাকায় প্রবেশের জন্য কাকলী ও আমতলী ক্রসিং খোলা থাকবে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে এ দু’টি ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে হবে।
সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যে সকল নাগরিক বসবাস করেন না, তাদেরকে এলাকা ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কেউ অবস্থান করতে পারবেন না। কোথাও আতশবাজি বা পটকা ফুটানো যাবে না। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সন্ধ্যা ৬ টার পর কোনও বার খোলা রাখা যাবে না।

রাত ৮টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ বা প্রকাশ্যে সকল প্রকার লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্রাফিক ডাইভারশন ও নির্দেশনা

নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে প্রবেশের পথ বন্ধ থাকলেও কয়েকটি পথে প্রবেশ করা যাবে। গুলশান, বনানী ও বারিধারায় প্রবেশের সকল রাস্তা বন্ধ থাকবে। তবে এসব এলাকার নাগরিকদের প্রবেশের জন্য কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) ও আমতলী ক্রসিং (মহাখালী) খোলা রাখা হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, রাত ৮টার পর থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নং রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, আমতলী ক্রসিং, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, গ্রুপ-ফোর, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও নতুন বাজার ক্রসিং হয়ে এলাকায় প্রবেশ করা যাবে না। তবে এসব এলাকা থেকে বের হওয়ার জন্য রাস্তাগুলো ব্যবহার করা যাবে।

একইভাবে সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যান চলাচলের জন্য কেবলমাত্র পুরানো হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার- জগন্নাথ হলের দক্ষিণ গেট-পলাশীমোড় রাস্তাটি ব্যবহার করা যাবে।

এদিকে নগরীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র হাতিরঝিলের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও ফাঁকা রাস্তায় কার রেসিংসহ যে কোনও সমস্যা এড়াতে সকল প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাত ৮টার পর থেকে বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে থেকেই গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ট্রাফিক জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার আবু ইউসুফ বলেন, এই এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থার কোনও সমস্যা নেই। হাতিরঝিল বন্ধ হলেও যান চলাচলে তেমন কোন বিঘœ ঘটছে না। বিকল্প রাস্তাগুলো খোলা রয়েছে। এছাড়া শনিবার হওয়ায় রাস্তায় গাড়ির চাপও কম।

গুলশান জোনের সহকারি কমিশনার (এসি) নুসরাত জাহান মুক্তা বলেন, প্রবেশ মুখগুলো ব্যাপক তল্লাশী করে গাড়ি প্রবেশ করানো হচ্ছে। একারণে কিছুটা জ্যাম তৈরি হলেও কিছুক্ষণ পর তা স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

থার্টি ফার্স্টকে ঘিরে কোনও ধরনের নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, ‘থার্টি ফার্স্ট উপলক্ষে ঢাকা নগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হবে। সারা শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর ১০ হাজার সদস্যদিয়ে এক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে, যাতে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে।’

যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে চেকপোস্ট ও ব্লকরেইড চলমান রয়েছে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার। ৩১ ডিসেম্বর রাতে রাস্তার ওপরে বা প্রকাশ্যে কোনও ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন না করার অনুরোধ জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft