1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

দে বাবা টাকা দে, যত খুশি লুটে নে

  • Update Time : শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৮ Time View

এফ শাহজাহান : দে বাবা টাকা দে / যত খুশি লুটে নে-এরকম এক পরিস্থিতি চলছে এখন বাংলাদেশে।আগে টাকা উড়তো বাতাসে,এখন টাকা উড়ছে নেটে।

ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠে মাকড়াশার জালের মত ছড়িয়ে থাকা ই-কমার্স নামের হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান সারাদেশে প্রতারণার ফাঁদ পেতে কোটি কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে।অতিলোভী মানুষের অনেক দিনের জমানো টাকা একরাতেই গায়েব করে দিচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠান।লোভের ফাঁদে পা দিয়ে রাতারাতি লাখ লাখ মানুষ পথে বসছে।

ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ,ধামাকা, খামাকাসহ হরেক নামের হাজার হাজার প্রতারক প্রতিষ্ঠানের খপ্পড়ে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছেন দেশের প্রায় আড়াই কোটি মানুষ।প্রশাসনের ততৎপরতায় প্রতিদিন এসব প্রতারকরা ধরা পড়লেও প্রতারিত পাবলিকের টাকা কারো হাতে ফেরত যাচ্ছে না।

হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নেওয়ার পর আজ ধরা পড়েছেন রিংআইডি নামের আরেক প্রতারক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সাইফুল।এরকম আরো হাজারো সাইফুলের হাতে এখন লাখো পাবলিকের কাছ থেকে লুট করা টাকার পাহাড় জমে আছে।

ডিজিটাল মানেই ক্লিক।আর ক্লিক মানেই টাকা।টাকাই টাকা।যত ডটকম,তত টাকা বেশি।ডিজিটাল বাংলাদেশ,তাই হজুগে পাবলিকও বেজায় খুশি।

রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার ধান্দায় লোভী মানুষেরা সঞ্চিত সব টাকা বিনিয়োগ করছে প্রতারকদের ডিজিটাল ফাঁদে। এরপর একরাতেই তারা আম ছালা দুটোই হারিয়ে হায় হায় করছে।

সারাদেশে সাত হাজারের মতো অনলাইন শপ নামের এসব প্রতারণা প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত মানুষকে ধোকায় ফেলে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটিয়ে নিচ্ছে।

হাঠাৎ বড়লোক হওয়ার খায়েশে কে কোন দিকে টাকা ঢালছে তার হিসাব নাই।আর হুজুগে পাবলিকের হাজার হাজার কোটি টাকা গায়েব করে দিচ্ছে ডিজিটাল প্রতারকরা। সরকারি লাইসেন্স পাওয়া এসব প্রতারকরা ধরা পড়ে ঠিকই কিন্তু পাবলিকের টাকা আর ছাড়া পায় না।

সবই হচ্ছে নিয়মের মধ্যে।রীতিমত আইন-কানুন মেনেই মগের মুল্লুকে চলছে প্রতারণার উম্মাদনা।সরকারি নিবন্ধনে নিয়েই এসব প্রতারকরা ঢাকঢোল পিটিয়ে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। পাবলিকের হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর প্রশাসন প্রতারকদের ধরছে।

প্রতারক যখন লুটের টাকা জড়ো করছে,ঠিক তখনই প্রশাসন এসে হাজির।প্রতারক গ্রেফতার। ততদিনে পাবলিকের পকেট ছারখার।

রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই সেক্টরের নিয়ন্ত্রণের কোনো সুনির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালা নেই। নামসর্বস্ব নীতিমালা দিয়ে চলছে এসব প্রতিষ্ঠান। ফলে গজিয়ে উঠছে নতুন নতুন কোম্পানি। কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। অনিয়ন্ত্রিত এসব ই-কমার্সের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভোক্তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft