1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নেওয়ার পর রিংআইডির সাইফুল গ্রেফতার

  • Update Time : শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪৩ Time View

এশিয়ানবার্তা নিউজডেস্ক : ইঅরেঞ্জ ও ইভ্যালির মতো ইকমার্স প্রতারক রিং আইডির পরিচালক সাইফুল ইসলামকে (৪১) গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় জানিয়েছে সিআইডি সূত্র।

রিং আইডিতেও বিনিয়োগ করা গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্নসাতের অভিযোগে এর মুল হোতা সাইফুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আইডি খোলার নাম করে এবং আয়ের নানা প্রলোভন দেখিয়ে রিং আইডি গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা। বেশি মুনাফার আশায় এখানে বিনিয়োগ করছেন গ্রাহকরা। কিন্তু বিনিয়োগ করেই ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে গ্রাহকদের।

গ্রাহকরা জানান, ‘গোল্ড মেম্বারশিপ’ কেনার জন্য এক মাস আগে ২২ হাজার টাকা করে পেমেন্ট করেন তারা। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকাও কেটে নেওয়া হয়। কিন্তু তাদের আইডি এখনও অ্যাকটিভ হয়নি । এ বিষয়ে তাদের সাথে জায়গায় যোগাযোগ করেও কোন কাজ হয়নি। এভাবে মেম্বারশিপের নামে শত শত গ্রাহকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে রিং আইডি।

শুধু জবস মেম্বারশিপ দেওয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি। মেম্বারশিপ দিয়েও নানা ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে। এমন একটি সিস্টেম হলো ‘ক্যাশ আউট’। নিজের জমানো টাকা উঠাতে পারছেন না গ্রাহকরা। বিভিন্নভাবে এজেন্টের কাছে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা।

প্রতিষ্ঠানটির কয়েকটি প্যাকেজ অফার রয়েছে। সিলভার মেম্বারশিপ ও গোল্ড মেম্বারশিপ। সিলভার মেম্বারশিপের মূল্য ১২ হাজার টাকা এবং গোল্ড মেম্বারশিপের মূল্য ২২ হাজার টাকা। পাশাপাশি আরও দুটি প্রবাসী প্যাকেজ রয়েছে। ‘প্রবাসী গোল্ড’ ২৫ হাজার টাকা এবং ‘প্রবাসী প্লাটিনাম’ ৫০ হাজার টাকা।

মেম্বারশিপ পাওয়ার পরই গ্রাহকদের আইডিতে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞাপন গ্রাহক যত দেখেন ততই ইনকাম। এভাবে রিং আইডি কমিউনিটি জবস মেম্বারশিপের সিলভার প্যাকেজ থেকে প্রতিদিন ২৫০ টাকা এবং প্রতি মাসে সাড়ে সাত হাজার টাকা, গোল্ড মেম্বারশিপ থেকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা এবং প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া প্রবাসী গোল্ড মেম্বারশিপ থেকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা এবং প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা, প্রবাসী প্লাটিনাম প্যাকেজ থেকে প্রতিদিন এক হাজার টাকা এবং প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা আয়ের সুযোগ আছে বলে অফার দেয় রিং আইডি।

এমন লোভনীয় অফার দেখে সেখানে বিনিয়োগ করলেও অনেক গ্রাহক হারাচ্ছেন তাদের কষ্টার্জিত পুঁজি।

রিং আইডির জবস মেম্বারশিপ থেকে বিকাশ, রকেট ও নগদ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ১০ দিন পরপর কমপক্ষে ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা উত্তোলন করা যাবে বলে বলা হয়। আর এজেন্টদের মাধ্যমে পেমেন্ট রিকোয়েস্ট দিয়ে এক থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা পাওয়া যাবে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

কিন্তু সপ্তাহপ্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা তোলার সুযোগ দিলেও কয়েকদিন পর রিং আইডি তা কমিয়ে দেয়। একসময় তারা ক্যাশ আউট অপশনই বাতিল করে দেয়। পরে তাদের অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যেই অনলাইন শপে জিনিসপত্র কিনতে বাধ্য করা হয়। কিন্তু তাদের অনলাইন শপে কয়েকগুণ বেশি মূল্যে পণ্য কিনতে হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

বর্তমানে দেশে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় সাত হাজারের মতো অনলাইন শপ রয়েছে। কিন্তু এ সেক্টরের নিয়ন্ত্রণে কোনো সুনির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালা নেই। নামসর্বস্ব নীতিমালা দিয়ে চলছে এসব প্রতিষ্ঠান। ফলে গজিয়ে উঠছে নতুন নতুন কোম্পানি। কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। অনিয়ন্ত্রিত এসব ই-কমার্সের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভোক্তারা। কারণ, তাদের গ্রেপ্তার বা জেলহাজতে পাঠানো হলেও গ্রাহকের টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft