1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

ডেসটিনি যুবক ইভ্যালির হাজার হাজার কোটি টাকা যায় কোথায়, খায় কে ?

  • Update Time : শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫১ Time View

এফ শাহজাহান : এমএলএম মানেই প্রতারণা। এমএলএম মানেই পাবলিকের হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দিয়ে মানুষকে সর্বশান্ত করা।তারপর আপসে সরকারের হাতে ধরাপড়া। এবং বাঁকী জীবন টাকার বালিশে মাথা রেখে নাকে সরিষার তেল দিয়ে ঘুম পাড়া।

এটা জানার পরও দেশের মানুষ প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দেয়।কারণ একটাই,দেশের সরকার মানুষকে পথে বসানোর এই ব্যবসার শুরুতে কাউকে আটকায় না । বরং সরকারের মায়া মমতায় ছাঁয়া ক্ষমতায় প্রতারকরা মাঠ চষে বেড়ায় ।

সরকার এইসব প্রতারকদের লাইসেন্সও দেয়।প্রতারকরা সরকারের লাইসেন্স নিয়েই সারাদেশে প্রতরনার জাল বিছিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়।

দেশপ্রেমিক সরকারের আগাছা পরগাছারা মানুষকে সর্বশান্ত করার জন্য প্রতারকদের আস্কারা দেয়।এরপর জনগনের লোটা কম্বল আর সহায় সম্বল লুটে নেওয়া হয়ে গেলে, সরকার তাদের নিরাপদ হিফাজতে নিয়ে নেয়। কিন্তু হতভাগা জনতার কাছ থেকে লুটপাট করা হাজার হাজার কোটি টাকাগুলো কোথায় যায়, কে খায়,সেটা আর জানা যায় না।

সরকারের হোমরা চোমরারা প্রতারকদের পক্ষে সাফাই গায়।প্রশাসনের আমলা,কামলা গামলারাও প্রতারকদের বগল চাটে আর পাবলিকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করার রাস্তা ক্লিয়ার করে দেয় ।

তারপর আখেরে সরকারও মাথা ঝোঁকায়,লুটেরাও কোমর দোলায়।মাঝখানে হাজার হাজার কোটি টাকা হারানো আমজনতা করে হায় হায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক নাজমা বেগম বলছেন, এসব অনিয়ম ও প্রতারণার বিরুদ্ধে প্রথম থেকে ব্যবস্থা না নিলে মানুষের টাকা ফিরে পাওয়া রীতিমতো অসম্ভব হয়ে উঠে।

এমএলএম ব্যবসার নামে হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে যুবক। প্রতারণার অভিযোগে ২০০৬ সালে যুবকের কার্যক্রম ও বন্ধ করে দেয় সরকার । এরপর এদের আর কারো কোন খোঁজখবর নেই ।যুবকে যারা টাকা দিয়েছেন তারা সেই টাকা আজও ফেরত পাননি।  সেই টাকা ফেরত পাবার আশাও করেন না কেউ।

মানুষের কাছ থেকে চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ডেসটিনির শীর্ষ ব্যক্তিরা এখন কারাগারে হানিমুন করছেন।কিন্তু গরু ছাগল হাস-মুরগী জমা জমা পৈত্রিক ভিটাবাড়ি বিক্রি করে ডেসটিনির গাছ কেনার পর যারা এখন পথের ভিখারী,তাদের টাকাগুলো এখন কোথায় আছে ?

কুয়াকাটা হুজুরের পেটকাটা এহসান এহসান গ্রুপের মত হক্কানী নেটওয়ার্কও সরকারের নাকের ডগায় বসে জনগনের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে। সরকারের কাছে কেউ কোনদিন জানতে চায়নি যেেএই টাকাগুলো গেলো কোথায় ?

গ্রাহকদের টাকার কী হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারছেন না।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে , এসব ক্ষেত্রে যা ঘটেছে সে ব্যাপারে তাদের কোন দায় নেই। এজন্য অভিযুক্তদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো কোনভাবেই তাদের দায় এড়াতে পারবেন না।

ই-কর্মাসের নামে নানা প্রতারণার শুরু হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশের শুরু থেকেই । ই-ভ্যালি এবং ই-অরেঞ্জের মত আরো অনেক প্রতিষ্ঠান জনগনের হাজার হাজার কোটি টাকা মেরে দিচ্ছে ডিজিটাল সরকারের আমলেই।

এভাবে হাজার হাজার প্রতারক প্রতিষ্ঠান সরকারের ছাতা মাথায় দিয়ে মাছেভাতে বাঙালির গোলা ভরা  ধান আর গোয়ালভরা গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। যার যেমন খুশি তেমন করে দেশটা লুটে পুটে খাচ্ছে। দেখার মত কোথাও কেউ নেই।বলার মত কোথাও কোন শক্তির অস্তিত্ব নেই।

অথচ দিব্বি লুটের টাকায় পেটে চর্বি  জমিয়ে গলাবাজি করে চেতনায় অনবরত শান দিচ্ছে চেতনার বাজিগররা।

কিন্তু জনগনের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া সেই হাজা হাজার কোটি টাকাগুলো গেছে কোথায় ?  টাকাগুলো খেয়েছে কে ?

এর কোন জবাব নেই। লা জবাব।

পৃথিবীর একমাত্র লা জবাবের দেশ হচ্ছে বাংলাদেশ। সে কারনেই এই বাংলাদেশে একটার পর একটা হায় হায় কোম্পানি আসে আর যায়। মাঝখানে প্রতারিত জনগনের হাজার হাজার কোটি টাকা চেতনার বাজিগররা ভাগ বাটোয়ারা করে খায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft