1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

অভিমানে বাড়ী ছাড়ার ২৩ বছর পর পরিবারে ফিরলেন বগুড়ার আমেনা

  • Update Time : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১২ Time View

ফকীর শাহ : স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের ওপর অভিমান করে বাড়ী ছেড়ে নিরুদ্দেশ আমেনা খাতুন (৮০) প্রায় দুই যুগ পর ফিরে আসলেন পরিবারের কাছে।

সোমবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ বিমানে নেপাল থেকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয় আমেনা খাতুনকে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেপালে বালাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর মাসুদ আলম আমেনা খাতুনকে তার তিন ছেলেসহ নাতিদের কাছে হস্তান্তর করেন।

এর আগে সোমবার সকালে কাঠমান্ডু ত্রিভুবন বিমান বন্দরে আমেনা খাতুনকে বিদায়ী অভ্যর্থনা জানান রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। নেপাল থেকে ফিরে আসা আমেনা খাতুন বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের ছোট চাপড়া গ্রামের মৃত আজগর প্রামাণিকের স্ত্রী। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

আমেনা খাতুনের নাতি আদিল জানান, তার দাদা আজগর প্রামাণিক ১৯৯৭ সালে মারা যান। পরের বছর ১৯৯৮ সালে তার দাদী আমেনা খাতুন ছেলেদের সাথে ঝগড়া করে অভিমানে বাড়ী থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান।

তিন ছেলে ও এক মেয়ে মা আমেনা খাতুনকে খুঁজে না পেয়ে তারা ধরে নিয়েছিলেন তাদের মা আর বেঁচে নেই। এ কারণে তাদের ভোটার আইডিতে মায়ের নাম মৃত উল্লেখ করা হয়।

জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ মে মুক-ইশ মেহতা নামে এক নেপালি তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন নেপালের সুনসারি জেলার ইনারোয়া পৌরসভার ডেপুটি মেয়র যমুনা গৌতম পোখরেলের ত্বত্তাবধানে একজন বাংলাদেশি বৃদ্ধা নারী রয়েছে।

এতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কনস্যুলার মো. মাসুদ আলমকে কমেন্টসে মেনশন করেন। নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ফোনে আমেনা খাতুনের সাথে কথা বলে ঠিকানা উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়।

পরবর্তীতে রাষ্ট্রদূতের পরামর্শে কনস্যুলার মাসুদ আলম ১ জুন কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দূরে সুনরারিতে যান। সে সময়ে নেপালব্যাপী লকডাউন এবং কোভিড আক্রান্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল।

ইনারোয়াতে সহায়তা করেন সুনসারি বাঙালি সমাজের সভাপতি বিপ্লাভ ঘোষ। দীর্ঘসময় আমেনা খাতুনের সাথে কথা বলে তার ঠিকানা সংগ্রহ করে বগুড়া জেলা এনএসআই কর্মকর্তাদের জানানো হয়।

এরপর এনএসআই কর্মকর্তারা আমেনা খাতুনের ঠিকানা ও পরিবারের পরিচয় নিশ্চিত হন। কনস্যুলার মাসুদ বলেন, ‘আমরা সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অসহায় মানুষের সেবা করতে পেরে আনন্দ পাই। মানুষতো মানুষেরই জন্য।’

আমেনা খাতুনের বিমানের ভাড়া না নেওয়ার কথা জানিয়েছে অ্যাপোলো এভিয়েশন সার্ভিস লিমিটেড ঢাকা। এছাড়াও আরও অনেকেই এ বিষয়ে সহযোগিতা করেছেন। সহযোগিতার জন্য সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন কনস্যুলার মাসুদ।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft