1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৮ অপরাহ্ন

গোপালগঞ্জের খুচরা পুলিশ হাজার কোটি টাকার মালিক

  • Update Time : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৯০ Time View

ফকীর শাহ : পুলিশের রুই কাতলা তো দুরের কথা।খুচরা পুলিশ হয়েই হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন ঢাকার বনানী থানার পরিদর্শক  শেখ সোহেল রানা।

বাটপাড় পুলিশ সোহেল রানার বাড়ি গোপালগঞ্জে।তার কাছে হাল আমলের রাজা বাদশারাও ফেল।তার অঢেল সম্পদের পাহাড় দেখে অন্যান্য দেশের মন্ত্রী মিনিস্টারেরাও পস্তাবেন।

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে গিয়ে ধরা পড়ার পর সোহেল রানার বিপুল পরিমাণ অর্থসম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসছে।

বাংলাদেশে পুলিশের চাকরী পাওয়া যেনো যাদুর চেরাগ হাতে পাওয়া।তবে সবার জন্য তা নয়। কেবলমাত্র গদিওয়ালাদের আশীর্বাদ পাওয়া পুীলশরাই যাদুর চেরাগ পেয়ে থাকেন।

বাটপাড় পুলিশ সোহেল রানার নামে-বেনামে থাকা  অঢেল সম্পদের মধ্যে ঢাকার অভিজাত এলাকায় ৫টি ফ্ল্যাট, ৯ কোটি টাকা মূল্যের একটি বাণিজ্যিক ভবনে জায়গা , ২টি প্লট ও ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া  বাংলাদেশের বা্রইরে আরো  চারটি দেশে তাঁর সম্পদ রয়েছে বলে জানা গেছে।

শেখ সোহেল রানা বছর চারেক আগে পদোন্নতি পেয়ে পরিদর্শক হন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন গুলশান ও বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ছিলেন। তার এত বিপুল সম্পদের কথা শুনে পুলিশের অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিস্মিত।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মো. আসাদুজ্জামান গতরাতে  জানান, সোহেল রানার অর্থসম্পদের খোঁজে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।  সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

গত শুক্রবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্দায় তিনি ওই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে কোচবিহারের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে শনিবার ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর বের হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার  শফিকুল ইসলাম বলেন, বনানী থানার পরিদর্শক সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সোহেল রানা আলোচনায় আসেন গত আগস্টের মাঝামাঝিতে, ই-অরেঞ্জ নামের একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হওয়ার পর।

ওই মামলায় তার বোন সোনিয়া মেহেজাবিন ও ভগ্নিপতি মাসুকুর রহমান এখন কারাগারে। তার ৪নম্বর স্ত্রী নাজনীন নাহার বীথি এখনো পলাতক আছেন । গত বৃহস্পতিবার ই-অরেঞ্জের আরেক গ্রাহকের মামলায়  সোহেল রানাকে আসামি করা হলে ওই রাতেই  তিনি পালিয়ে যান।

শেখ সোহেল রানা ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত গুলশান থানার এসআই থাকাকালে কূটনৈতিক অঞ্চলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মালিবাগে পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) কর্মরত ছিলেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে পরিদর্শক হলেও ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত এসবিতে ছিলেন। গত বছরের ২৮ মে থেকে বনানী থানায় পরিদর্শকের (তদন্ত) দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

পুলিশের গুলশান বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শেখ সোহেল রানার গুলশানের শাহজাদপুরের সুব্যস্তু নজরভ্যালির ৩ নম্বর টাওয়ারে একটি ও গুলশান মডেল টাউনে একটি, নিকেতনে দুটি ফ্ল্যাট ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ই ব্লকে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। গুলশানে একটি বাণিজ্যিক ভবনে ৯ কোটি টাকায় স্পেস কিনেছেন। বসুন্ধরা ও পূর্বাচলে দুটি প্লট এবং গুলশানে ও উত্তরায় তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া গেছে। ঢাকার বাইরে নিজ জেলা গোপালগঞ্জ ও খাগড়াছড়িতেও জমি কিনেছেন বলে জানা গেছে।

তদন্তকারীরা বলছেন পুলিশ সোহেল রানার কোথায় কতো সম্পদ আছে, সেটা হিসাব করাই মুশকিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Comments are closed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft