আদমদীঘিতে সিএইচসিপিদের চাকুরী জাতীয় করণের দাবীতে অবস্থান কর্মসূচী


আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা : বাংলাদেশ সিএইচসিপি এ্যাসোসিয়েসনের আহবানে কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত (সিএইচসিপি) কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয় করণের দাবীতে গতকাল সোমবার বগুড়ার আদমদীঘি শাখা হাসপাতাল চত্তরে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেন। তারা সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এ কর্মসূচী পালন কালে বক্তব্য রাখেন সিএইচসিপি এ্যাসিসিয়েশন আদমদীঘি শাখার সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ, সাধারন সম্পাদক এজিএম মামুনুর রশিদ প্রমূখ।

আদমদীঘির সাঁওইলে চাদর ও কম্বল লাগাতার শীতে দ্বিগুন দামেও মিলছেনা

গোলাম মোস্তফা আদমদীঘি (বগুড়া) : চলতি বছর লাগাতার শৈত্য প্রবাহে প্রচন্ড শীতের কারনে আদমদীঘির সাঁওইলের চাদর ও কম্বল সারাদেশের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ দিতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। গত কয়েক বছরের অবিক্রিত শীতবস্ত্র পর্যন্ত ক্রেতারা অনেক বেশি দামে কিনে নিচ্ছেন। আবার ব্যবসায়ীদের গুদামে মালামাল ফুড়িয়ে যাওয়ায় দ্বিগুন দামেও মিলছেনা সাওইলের চাদর ও কম্বল। ফলে বিভিন্ন জেলার পাইকার ও ক্রেতাগন এসে শীতবস্ত্রের জন্য সুতা ব্যবসায়ীদের নিকট অগ্রিম চাহিদা দিয়ে দিনের পর দিন অপেক্ষা করছেন।
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় অবস্থিত শীতবস্ত্র ও সুতার বিখ্যাত মোকাম সাঁওইল বাজার। এই সাঁওইল বাজার ও মোকাম এলাকা ঘিরে প্রায় ৬হাজার তাঁত শিল্প পরিবার রয়েছে। আর বাজারে রয়েছে প্রায় দেড় হাজার বড় ছোট সুতা ও শীতবস্ত্র ব্যবসায়ী কেনাবেচা করে থাকেন। এখানে সপ্তাহে রবিবার ও বুধবার ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শীতবস্ত্রের হাট বসে থাকে। প্রতি হাট বারে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারগন এসে এখান থেকে হাজার হাজার পিচ কম্বল, চাদর, মাফলার, সুয়েটার, উলের জামা কাপড়, ও সুতাসহ শীতবস্ত্র ক্রয় করে ট্রাক যোগে নিয়ে যান। বিগত বছর গুলোতে শীত মৌসুমে স্বাভাবিক বেচাকেনা হলেও এবার লাগাতার শীতের কারনে শীতবস্ত্রের চাহিদার সাথে বিক্রিও বৃদ্ধি পায়। সাঁওইল বাজারের ব্যবসায়ী হবিবর রহমান, হাবিজার রহমান, বাবলু জানায়, প্রায় ১মাস আগেও শীতবস্ত্রের তেমন চাহিদা ও বেচাকেনা ছিলনা। কিন্তু লাগাতার শৈত্যপ্রবাহের কারনে সরকারী, বেসরকারী, বিভিন্ন কোম্পানী, এনজিও গুলো টেন্ডারের মাধ্যমে চাদর ও কম্বল ক্রয়ের জন্য ভীড় জমায়। এতে হটাৎ করেই বেচাকেনা চাঙ্গা হয়ে উঠে। যেসব ব্যবসায়ীদের গুদামে বিগত বছরের অবিক্রিত শীতবস্ত্র পড়ে ছিল সে গুলোও অনেক বেশি দামে বিক্রি হয়ে যায়। ব্যবসায়ী আলহাজ্ব এমএ হামিদ আব্বু ভাই জানায়, চলতি শীত মৌসুমে সাঁওইল বাজার থেকে বিভিন্ন জেলার পাইকার ও টেন্ডারকারকগন এই বাজার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ৩ হাজার কোটি পিচ চাদর ও কম্বল ক্রয় করে নিয়ে যান। এখনও অনেক টেন্ডারকারক ও পাইকাররা শীতবস্ত্রের চাহিদা দিয়ে মালামাল পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। এসব শীতবস্ত্র তৈরী করতে কর্মরত তাঁতিরা রাতদিন তাঁতেকাজ করেও চাহিদা মতো প্রস্তুত করতে পারছেনা। ফলে ব্যবসায়ীরাও প্রাপ্ত চাহিদা মোতাবেক ক্রেতাদের নিকট সরবরাহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন

আদমদীঘির মুরইল-রাইকালি সড়কের বেহাল দশা

আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা ঃ দীর্ঘদিনেও সংস্কার কিংবা মেরামত না করার কারনে বগুড়ার আদমদীঘির মুরইল-রাইকালি জনবহুল সড়কের বিনাহালী পর্যন্ত রাস্তার পাকা কাপেটিং উঠে অসংখ্য গর্তের সৃষ্ঠি হয়ে এখন বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। মারাত্বক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন ও পথচারীরা। প্রায় সময় ঘটছে ছোট বড় দূর্ঘটনা, অনেকে হারাচ্ছে প্রান আবার অনেকেই বরণ করছে পঙ্গত্ব।
বগুড়ার আদমদীঘির মুরইল বাজার হতে আক্কেলপুরের রাইকালি বাজার পর্যন্ত সড়কটি প্রায় ২৬ বছর আগে পাকা করন করা হয়। এই জন গুরুত্বপূর্ন সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অত্র উপজেলাসহ জয়পুরহাট জেলা সদর, আক্কেলপুর, দুপচাঁচিয়া উপজেলার শতশত মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে থাকে। এদিকে আদমদীঘি উপজেলার সীমানা বিনাহালী পর্যন্ত প্রায় ৭কিলোমিটার রাস্তাা প্রায় ৬বছর পূর্বে সড়ক ও জনপদ বিভাগ নিজেদের আওতায় নিয়ে রক্ষনাবেক্ষনের কাজে নিয়োজিত ছিলেন। এবার সড়কটি এলজিইডি‘র নিকট হস্তান্তর করা হয়।
বর্তমানে এই সড়কের আদমদীঘির মুরইল বাজার হতে বিনাহালী এলাকা সীমানা পর্যন্ত রাস্তার পাকা কার্পেটিং উঠে বহুসংখ্যক গর্তের সৃষ্টি হয়ে বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। মারাত্বক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন যানবাহনসহ পথচারীরা। দূর্ঘটনায় অনেকের প্রানহানিসহ পঙ্গুত্ব বরন করছে। এলাকাবাসি সড়কটি জরুরি ভিক্তিতে সংস্কারের দাবী জানান। উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল মতিন জানান, এবার সড়ক ও জনপদ বিভাগ এলজিইডি‘র নিকট হস্তান্তর করার পর উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ থেকে মাপজোক করে সংস্কার করার জন্য বরাদ্দ চেয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পত্র প্রেরন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.