1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইদহে সাড়ে ৬’শ কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে ধান বীজ বিতরণ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১৭ Time View

 


ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহে সাড়ে ৬’শ কৃষকদের মাঝে বিনামুল্যে জিংক সমৃদ্ধ ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদর উপজেলার হরিশংকরপুর ইউনিয়নরে বাদামতলা বাজারে এ ধান বীজ বিতরণ করা হয়। হরিশংকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল¬াহ আল মাসুম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মী ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড.খান মোঃ মনিরুজ্জামান, হারভেস্ট প¬াস বাংলাদেশ এর এআরডিও কৃষিবিদ মুজিবুর রহমান, উন্নয়ন ধারা’র নির্বাহী পরিচালক শহিদুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন উন্নয়ন ধারার প্রকল্প পরিচালক প্রফুল¬ কুমার, হারভেস্ট প¬াস বাংলাদেশ এর ডাটা ম্যানেজমেন্ট অফিসার তানভীর আহম্মেদ রনি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উন্নয়ন ধারার কো-অর্ডিনেটর সাইফুল ইসলাম। পরে হারভেস্ট প¬াস বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় উন্নয়ন ধারার আয়োজনে ওই এলাকার সাড়ে ৬’শ কৃষকদের মাঝে ৩ কেজি করে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-ধান-৬২ ও ৭৪ এর বীজ বিতরণ করা হয়।

কালীগঞ্জে সড়ক সংস্কার শুরু হওয়ার আগেই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ সড়ক সংস্কারে ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সাংসদ তিন মাস মেয়াদি প্রকল্প উদ্বোধনও করেছেন। কিন্তু আট মাস পরও কাজ শুরু হয়নি। এ অবস্থা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ছোটঘিঘাটি-ত্রিলোচনপুর (ভায়া গোবরডাঙ্গা) সড়কটির। সড়ক সংস্কার না হওয়ায় এলাকার লোকজনকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুম পার হলেও সড়কের অনেক স্থানে কাদা শুকায়নি। যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। এ রাস্তা দিয়ে গরুর গাড়িতে ফসল ঘরে আনতে কৃষকেরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ছেন। কালীগঞ্জ উপজেলার ছোটঘিঘাটি বাজার থেকে একটি সড়ক ত্রিলোচনপুর বাজারের দিকে চলে গেছে। আরেকটি সড়ক গোবরডাঙ্গা গ্রাম হয়ে ওই একই বাজারে মিশেছে। এখানকার প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কে আগে ইট বিছানো হয়েছিল। এখন সেটা ভেঙেচুরে কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সড়কের দুই কিলোমিটারে ইট বিছানোর জন্য ২০১৬ সালের এপ্রিলে দরপত্র আহ্বান করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে কার্যাদেশ পায় “মেসার্স মুগ্ধ বিল্ডার্স” নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত। কিন্তু ঠিকাদার সঠিক সময়ে কাজ শুরু করেননি।

কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী অভিজিৎ কুমার বলেন, ঠিকাদার কাজটি শুরু করতে বিলম্ব করেন। এক পর্যায়ে ২০ মার্চ কাজটি শুরু করেন। স্থানীয় সাংসদ আনোয়ারুল আজিম মহোদয় এই কাজের উদ্বোধন করেন। কিন্তু উদ্বোধনের পর আর কাজ করা হয়নি। সেই থেকে পড়ে আছে রাস্তাটি। এ বিষয়ে ঠিকাদারকে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে। নতুন দরপত্র আহ্বানের জন্য ২২ মে এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাঁরা সেই চিঠির উত্তরের অপেক্ষায় আছেন। সড়ক সংস্কার না হওয়ায় পুরো বর্ষাকাল এলাকাবাসীকে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। সেই ভোগান্তি এখনো অব্যাহত আছে। ১৩ নভেম্বর কথা হয় ছোটঘিঘাটি গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘অনেক আশা করেছিলাম রাস্তাটি পাকা হবে। বর্ষা মৌসুমে ভালোভাবে হাঁটাচলা করতে পারব। কিন্তু গোটা বর্ষা মৌসুম হাঁটুসমান কাদা পেরিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। উদ্বোধনের পরও রাস্তার কাজ হয়নি। একই গ্রামের সাইফুল ইসলাম গরুর গাড়ির ওপর বসেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অনেকে আসেন। মাপামাপি করেন। কিন্তু রাস্তা আর পাকা হয় না। গোবরডাঙ্গা গ্রামের আমিরুল ইসলাম বাইসাইকেল ঠেলে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, তাঁদের গ্রামে যানবাহনে করে কেউ যেতে পারেন না। উদ্বোধনের পরও কেন রাস্তা সংস্কার হচ্ছে না? তা তিনি বুঝতে পারছেন না। এ ব্যাপারে ঠিকাদার আবু সাঈদ গতকাল মঙ্গলবার মুঠোফোনে বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য গত সপ্তাহ থেকে ইট-বালু নেওয়া শুরু হয়েছে। শিগগিরই ইট বিছানোর কাজ শুরু হবে। উপজেলা প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, চলতি সপ্তাহে ঝিনাইদহ এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তখন ঠিকাদার দ্রুত কাজ শুরু করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ঝিনাইদহে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশের বেহাল দশা

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ শহরে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সকাল বিকাল দায়িত্ব পালনরত কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদসরা চরম ভাবে আর্থিক কষ্টে রয়েছেন। মাসে যে বেতন দেওয়া হয়, তাতে তাদের নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা। বর্তমান দুর্মুুল্যের এই বাজারে প্রায় সময় তাদের মানবেতর জীবন কাটাতে হয়। ঝিনাইদহ ট্রাফিক বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের দিকে শহরের যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ করা হয়। প্রথম অবস্থায় শহরের বিভন্ন স্থানে দশ জনকে দায়িত্ব পালণ করতে দেখা গেলেও কম বেতনের কারণে ছয় জন চাকরী ছেড়ে চলে গেছে। এখন মিজানুর রহমান, ফতেহ আলী, নজরুল ইসলাম, পরেশ মিয়া ও বাকের আলী কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ ট্রাফিক বিভাগের সব কাজে তাদের অংশ নিতে হয়। সুত্রে জানায়, চাকরীর শুরুতে তাদের বেতন ছিল পনেরশ টাকা। এরপর বৃদ্ধি করে ২২শ টাকায় উন্নীত করা হয়। বর্তমান তাদের বেতন ২৫শ টাকা। ২৫শ টাকায় শহরে বাসা ভাড়া করে পরিবার নিয়ে বসবাস করা তাদের কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা জানান, তাদের অমানবিক বিষয়টি কেও একবারও ভেবেও দেখেন না। অল্প টাকার বেতনে না চললেও তারা চাকরী ছেড়ে এই বয়সে কোথায় যাবেন তাও ভেবে পান না। ঝিনাইদহ পৌরসভা থেকে যে বেতন পান তা মাসের প্রথম সপ্তাহেই ধার দেনা দিতে ফুরিয়ে যায় বলে তারা জানান। এ বিষয়ে তারা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের কাছে বেতন বৃদ্ধির দাবী জানিয়েছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft