1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন

ব্যাভিচারিণী মায়ের পরকীয়ার বিচার চেয়ে এক মজলুম সন্তানের আর্তনাদ

  • Update Time : বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৭
  • ২৩ Time View

এশিয়ানবার্তা : বগুড়ায় এবার এক পুলিশ সদস্য ও মাদ্রাসার শিক্ষিকা এক মায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ উথ্থাপন করা হল। পরকীয়ার তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য সোহেলের পরোক্ষ মদদে তার পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের বিরুদ্ধে ভয়-ভীতি ও একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ করেছেন এক হতভাগ্য ছেলে।
গতকাল (মঙ্গলবার )বগুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সদরের ১নং ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় মন্ডলপাড়ার আব্দুল খালেকের পুত্র মো: সিহাব এই অভিযোগ উথ্থাপন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বগুড়া সদরের কৈচড় সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষিকা সাফিয়া বেগম দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত। ২০১০ সালে ঐ স্কুলের এক শিক্ষকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে আমার বাবাকে ডিভোর্স দিয়েছিল। সেসময় সে তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় বাবার ৪৭ শতাংশ জমি লিখে দিলে সংসারে আসবে বলে জানায়। সংসার বাঁচাতে, আমাকে বাঁচাতে তার দাবির প্রেক্ষিতে আমার বাবা ৪৭ শতাংশ জমি তার নামে লিখে দিয়ে সংসার বাঁচান। ঐশিক্ষিকার মা ও বাবার মাঝেও কোন সম্পর্ক নেই। সেই ঘরের মেয়েকে দীর্ঘ ২২ বছর আগে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন আমার বাবা।
এরপর এস,এস,সি, এইচ,এস,সি, বি,এস,সি, বিএড পর্যন্ত লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে এবং মাদ্রাসায় চাকরীর বিষয়ে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। কাহালুর শীতলাই মাদ্রাসায় শিক্ষকতাকালে অন্য এক জনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন। সর্ব শেষ ফেসবুকে যখন আমি এক পুলিশ সদস্য বিপি সোহেল নামের ০১৭৪৭৮৬৯৮৯৫ নম্বরে মা’র সঙ্গে বিভিন্ন ছবি ও কথোপকথন চ্যাটিং করতে দেখে তাকে জানালে সে আমার উপর রাগান্বিত হয়। আমি এ বিষয়ে বাবাকে না জানিয়ে মাকে ঐ পথ থেকে সড়ে আসতে বলি। কিন্তু দিন দিন এ মাত্রা আরো বেড়েই যায়। বিভিন্ন লোকজন তাদেরকে একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় দেখেছে বলে জানালে আমি আমার মাকে আবারো সাবধান করি। কিন্তু গত ১৮ সেপ্টেম্বর এবিষয়ে ঝগড়ার এক পর্যায় আমি আমার ঘরের কিছু জিনিসপত্র ভাংচুর করি। আর এটাকেই পুজি করে আমার মা আমার বাবাকে ডিভোর্স দিবে বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এসময় আমার বাবা কর্মসূত্রে কুষ্টিয়ায় ছিলেন। ঐ দিনই আমার অজান্তে আমার মা তার বাবা সামছুল হক, মামা নূর আলমকে সঙ্গে নিয়ে মার কাছে রাখা বাবার ষাট হাজার নগদ টাকাসহ প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে চলে যায়।
এসময় সে আমি সহ আমার বাবাকে জড়িয়ে হুমকি ধামকি ও মারপিটের একটি জিডি করে। যার নং-২৪৩০, তারিখ ৩১/০৮/১৭ ইং। এই জিডির তদন্তে ছিলিমপুর ফাঁড়ির এসআই আবিদ গেলে বগুড়ার ডিবি পুলিশের সদস্য আব্দুল মান্নান ওরফে নান্না বিভিন্নভাবে হস্তক্ষেপ করলে তিনি তার নিজ গতিতে কাজ করবেন বলে জানিয়ে দেন। মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত আমি ও আমার বাবা আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে কোন সত্যতা না পেয়ে চলে যান তদন্তকারী কর্মকর্তা । পরবর্তীতে মিমাংসার পর্যায় না থাকায় আমার বাবা জেলা বগুড়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি চুরির মামলা দায়ের করেন। যার নং-১৭০১ সি/১৭ (সদর)।
ওই মামলা প্রত্যাহার না করা হলে আমার বাবা,আমার আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খীদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন, ধর্ষণসহ মামলার পর মামলা দেয়া হবে বলে হুমকি ধামকি দেয় ওই পুলিশ সদস্য। সেই সূত্র ধরেই জেলা বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, এ-মোক্দ্দমা নং-২৮০ পি/ ১৭ (সদর) -এ গত ১৩ নভেম্বর আমার মা বাদী হয়ে একটি মিথ্যা মামলা করেন। আমরা জানতে পেরেছি, সাফিয়ার বাবা সামছুল হক, মামা নূর আলম, বগুড়ার ডিবি পুলিশে কর্মরত এসআই আব্দুল হান্নান ওরফে নান্না বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহের জন্য আমার বাবাসহ শুভাকাঙ্খী বেলগাড়ী গ্রামের আব্দুল মান্নান ও কৈচড় গ্রামের মো: নান্টুকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, এ জোর জবরদস্তি ও অপহরণের অভিযোগ করে মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়াও শুনেছি আমার ফুফা মো: শাহিনকে ১০৭ ও ১১৭ ধারা মোতাবেক কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ক’ অঞ্চল আদালতে। মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রশাসনের মূল্যবান সময়ের অপব্যবহার করছেন ঐ কুচক্রীমহল। তারা দুজন এখন একই জায়গায় অবস্থান করছেন।
তিনি আরো অভিযোগ করেন আসময়ে সে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বাহিরে বের হয় ওই শিক্ষিকা (তার মা)। যা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সহায়তা ছাড়া তা করা কখনো সম্ভব নয়। তার ছুটির তালিকাও খতিয়ে দেখা উচিৎ। ঐসব কুচক্রী মহলের হুমকি, ধামকিতে নিরাপত্তার অভাবে দীর্ঘ দিন আমার বাবা গ্রামে আসতে পারছেনা। ঘটনার পর তার মামা নূর আলম আমাকে আর আমার বাবাকে ধরার জন্য বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে গ্রামে পাঠিয়েছিল। তাদের এই অপতৎপরতায় আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
আর এসব মামলায় পরোক্ষভাবে সাহায্য সহযোগিতা ও মদদ দিচ্ছে পুলিশ সদস্য বিপি সোহেল। সম্ভবত সে বগুড়াতেই কর্মরত। সংসার ভাঙার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনায় কোন পুলিশ সদস্যের জড়িত থাকার ঘটনায় পুলিশের আইজিপি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে যে শিক্ষক ছাত্রদের শিক্ষা দিবে সেই মাদ্রাসা শিক্ষিকার নৈতিক অবক্ষয় ও বেপরোয়া চলাফেরা, সন্তানকে দূরে ফেলে দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের অপব্যাবহার করে মিথ্যা মামলা দেয়ায় সে শিক্ষকতার মতো মহান পেশাকে কলঙ্কিত করেছে। এজন্য জেলা শিক্ষা অফিসার, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে শিক্ষিকা সাফিয়ার চাকুরীচ্যুতি দাবি করছি। সেই সাথে একের পর এক মিথ্যা মামলায় হয়রানী করায় বগুড়ার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও পুলিশ প্রশাসনসহ সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft