1. [email protected] : AK Nannu : AK Nannu
  2. [email protected] : arifulweb :
  3. [email protected] : F Shahjahan : F Shahjahan
  4. [email protected] : Mahbubul Mannan : Mahbubul Mannan
  5. [email protected] : Arif Prodhan : Arif Prodhan
  6. [email protected] : Farjana Sraboni : Farjana Sraboni
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন

এখনো গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গারা আসছে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
  • ২৮ Time View
 
কায়সার হামিদ মানিক,উখিয়া: মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নির্মূলে এখনো বাড়িঘরে আগুন, নারীদের ধর্ষণ ও নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। বুলেটের আঘাত থেকে শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ কাউকেই রেহাই দেয়া হচ্ছে না। বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে- আরাকান রাজ্যের মংডুর পরিতিবিল, রাজারবাড়ি, সাববাজার, টংবাজার, বুচিডংসহ প্রতিটি পাড়া আগুনে ছাই হয়ে গেছে। স্থানীয় মগরা সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে মংডুর রাখাইন রাজ্যের গ্রামের পর গ্রাম আগুন দিচ্ছে। নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য করা হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই বাংলাদেশ সীমান্তে বাড়ছে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সংখ্যা। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেও বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিজিবি রোহিঙ্গাদের ফের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আবাসস্থলে ফিরলে বার্মিজ সেনাদের গুলি খেয়ে মরতে হবে- এই ভয়ে সীমান্তের নোম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করতে হয়েছে শত শত রোহিঙ্গাকে।
অবশেষে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের অনুমতি পেয়ে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ দেয় বিজিবি। গত ১৯ নভেম্বর উখিয়া আন্জুমান পাড়া সীমান্ত দিয়ে আবারো শত শত রোহিঙ্গা প্রবেশ করে। দীর্ঘ ২ মাস ২৫ দিন ধরে এই বর্বর নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ শাহ আলম (৫২) এ প্রতিবেদককে এসব তথ্য জানান।
কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতাল, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মিয়ানমারে সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ শত শত রোহিঙ্গাদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এমএসএফ হাসপাতালের দায়িত্বরত গোলাম আকবর জানান, মিয়ানমারের গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গা পুরুষ, ধর্ষিতা নারীসহ আগুনে পুড়ে যাওয়ার ক্ষত নিয়ে অনেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সীমান্তের ওপারে সহিংসতা শুরুর পর থেকে প্রতিনিয়ত গুরুতর আহত, গুলিবিদ্ধ, আগুনে ঝলছে যাওয়া রোহিঙ্গাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার ও চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হচ্ছে। এরই মধ্যে মিয়ানমারের মংডু থানার দিয়াতলী এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে জোনায়েদ (১৫) একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে জয়নাত উল্লাহ ও হোসেন আহম্মদের ছেলে খালেক হোসেন (২৭) এবং আগুনে পুড়া নুরুল আলম চিকিৎসা শেষে ক্যাম্পে ফিরেছেন।
সরেজমিন থাইংখালী ময়নাঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গিয়ে ১৫ বছরের শিশু জোনায়েদের সাথে কথা হয়। সে জানায়, চিকিৎসা নিয়ে ক্যাম্পে ফিরে আসলেও মাথায় এখনো প্রচণ্ড ব্যাথা হয়। জোনায়েদের মতো অসংখ্য শিশু মিয়ানমার সেনাদের নির্যাতনের ক্ষত নিয়ে ক্যাম্পে অবস্থান করছে। আবার কেউ কেউ ক্যাম্পে আসার পর মারাও গেছে বলে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

More News Of This Category
© All rights reserved © 2016-2020 asianbarta24.com

Developed By Pigeon Soft